খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জীবন রক্ষার আইসিইউ-ভেন্টিলেশনের নৈরাজ্যে দুঃখ ক্ষোভে ফুঁসছে চট্টগ্রাম:সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২০, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
জীবন রক্ষার আইসিইউ-ভেন্টিলেশনের নৈরাজ্যে দুঃখ ক্ষোভে ফুঁসছে চট্টগ্রাম:সুজন

খোরশেদ আলম সুজন

জীবন রক্ষার আইসিইউ-ভেন্টিলেশনের নৈরাজ্যে দুঃখ ক্ষোভে ফুঁসছে চট্টগ্রাম বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ বুধবার (১০ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিমত প্রকাশ করেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, করোনাভাইরাস আমাদের জীবনধারাকে কেড়ে নিয়েছে। প্রতিনিয়ত জীবন মৃত্যুর মাঝখানে অবস্থান করছে মানুষের অমূল্য জীবন। কখন যে কার ঘরে প্রাণঘাতি এ ভাইরাস হানা দেয় তা সবার অজানা। আর এ রকম একটি দুঃসহকর পরিস্থিতিতে শ্বাসকষ্টে ভোগা করোনা রোগীকে একটুকু স্বস্তি দিতে পারে আইসিইউ-ভেন্টিলেশন সুবিধা।

অথচ এই আইসিইউ-ভেন্টিলেশন সুবিধাই মিলছে না বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের করোনা আক্রান্ত রোগীদের। একদিকে প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের অমূল্য জীবন ঝড়ে যাচ্ছে এই নগরীতে অন্যদিকে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে বাঁচার করুন ব্যাকুলতা আক্রান্ত রোগীর। মানুষ এখন মৃত্যুকে জয় করে বাঁচতে চায়। কিন্তু কে দিবে তাদের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি সে প্রশ্ন আজ চট্টগ্রামবাসীর মুখে মুখে।

সুজন বলেন, চট্টগ্রামের মানুষের চোখে মুখে আজ উদ্বেগ উৎকন্ঠা।আইসিইউ-ভেন্টিলেশন সুবিধা থাকা সত্বেও হাসপাতালগুলো প্রতিদিন রোগী ফেরত দেওয়ার নিষ্টুর কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। কোন কিছুতেই তাদের দৌরাত্ন্য থামানো যাচ্ছে না। দেখা যাচ্ছে যে রোগীগণ সারাদিন আইসিইউ সুবিধার আশায় হাসপাতালের দ্বারে দ্বারে ঘুরে রাত্রে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, জেনারেল হাসপাতাল, মা ও শিশু হাসপাতালসহ নগরীর বেসরকারি হাসপাতালসমূহে কয়টি আইসিইউ-ভেন্টিলেশন সুবিধা আছে তা রোগী কিংবা তার আত্নীয় স্বজনদের অজানা।

ফলতঃ এই আইসিইউ-ভেন্টিলেশন সুবিধা নিয়েও নিষ্টুর বাণিজ্য চলছে। তাই চট্টগ্রাম নগরীতে আইসিইউ-ভেন্টিলেশন সুবিধা সম্বলিত কয়টি বেড রয়েছে তার পরিসংখ্যান সরজমিনে পরিদর্শন পূর্বক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরের একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ডাটাবেইজ করে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রকৃত রোগীর অনুকূলে বরাদ্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার সবিনয় অনুরোধ জানান সুজন।

এতে করে আইসিইউ-ভেন্টিলেশন নিয়ে চট্টগ্রামের রোগীদের সন্দেহ এবং অবিশ্বাসও নিরসন হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

তাছাড়া দেখা যাছে যে আইসিইউ খালি রেখে ভূয়া বুকিং এর মাধ্যমে এসব আইসিইউ-ভেন্টিলেশন বুকিং করে রাখা হচ্ছে যার কারণে প্রকৃত রোগীরা এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলতঃ অকালে ঝড়ে পড়ছে অনেক তাজা প্রাণ, বিপরীতে দুঃখ ক্ষোভে ফুঁসছে চট্টগ্রামবাসী। এ ক্ষোভ থেকে যে কোন সময় বড় কোন ধরণের দূর্ঘটনাও ঘটে যেতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেন তিনি।

এ সমস্যা নিরসণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনেরও আহবান জানান তিনি। আমরা জানতে পেরেছি সরকারও এ সমস্যা নিরসণে আন্তরিকতার সাথে নানামূখী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আওতাধীন বায়েজিদ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম ছগীর গতকাল হাসপাতালের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিনা চিকিৎসায় মারা গিয়েছেন। দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে চট্টগ্রামের একজন পরিচিত মুখ ছিলেন সগীর। ঢাকার রাজপথে নূর হোসেন শহীদ হওয়ার মিছিলেও উপস্থিত ছিলেন তিনি। একজন প্রতিভাবান রাজনীতিবিদ হিসেবে যিনি নিজের জীবনকে তিলে তিলে জনগনের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন অথচ সেই মানুষটিই মৃত্যুর সময় সামান্য পরিমান চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন।হাসপাতালগুলো তাকে চিকিৎসা সেবা না দিয়ে মৃত্যুর মুখে পতিত করতে বাধ্য করেছে। আমরা মনে করি এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। তার মৃত্যু ও চিকিৎসা সেবা বঞ্চিতের বিষয়ে একজন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিচারপতির নেতৃত্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ী ব্যক্তিদের কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য সবিনয় অনুরোধ জানান তিনি।

সাথে সাথে তার পরিবারবর্গকে এ রকম একটি অমানবিক হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করতে আগ্রহী হলে সর্বাত্নক সহযোগিতারও আশ্বাস সুজন।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে বাঁধাগ্রস্ত করতে চায় কারা? কারা প্রধানমন্ত্রীর এতোসব অর্জন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়? এদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর নিকটও উদাত্ত আহবান জানান সুজন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…