খুঁজুন
, ,

করোনাকালে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিল মরার উপর খরার ঘাঁ:সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 21 June, 2020, 5:18 pm
করোনাকালে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিল মরার উপর খরার ঘাঁ:সুজন

খোরশেদ আলম সুজন

করোনাকালীন পরিস্থিতিতে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিল মরার উপর খরার ঘাঁ বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ রবিবার (২১ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ মত প্রকাশ করেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, বিশ্বব্যাপী চলমান করোনাভাইরাসের মহামারী বাংলাদেশেও তার ভয়াল আঘাত হেনেছে। সরকার সাধারন ছুটির মাধ্যমে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যার ফলে সাধারন জনগনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের আয় রোজগার প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মানুষ জীবন মৃত্যুর মাঝখানে অবস্থান করে দিন যাপন করছে।

এমতাবস্থায় সরকার জনগনের উপর বাড়তি খরচের চাপ কমাতে তিন মাসের জন্য সেবাসংস্থাসমূহের বিল আদায় বন্ধ রেখেছিল।

সরকারের এই ঘোষণায় জনগন দূর্যোগকালীন সময়ে অনেকটা স্বস্তিতে ছিল। হঠাৎ করে বিভিন্ন সেবাসংস্থা কর্তৃক ৩০শে জুনের মধ্যে সকল প্রকার বকেয়া বিল সম্পূর্ণ পরিশোধ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে নচেৎ গ্রাহকের বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করারও হুমকি প্রদান করছে।

এছাড়া এর আগেও পোস্টপেইড মিটারগুলোতে বিভিন্ন মাসের বিলের সাথে গড়বিলের নামে মাত্রাতিরিক্ত বিল প্রদান করা হয়েছে। মিটার পরিদর্শন না করেই বিল প্রস্তুত করার কারণে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয়েছে বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।

এতে করে নগরীর পোস্টপেইড মিটারের আওতাধীন লাখো গ্রাহক সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েছে। দেখা যাচ্ছে যে অধিকাংশ গ্রাহকের কাছে প্রতি মাসের বিলের তুলনায় তিন থেকে চারগুন বেশী বিল প্রদান করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং অগ্রহণযোগ্য। অথচ এর আগে তারা গ্রাহকের গড়বিলের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রক্ষা করেনাই। এতে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ উৎকন্ঠা ছড়িয়ে পড়ছে যা করোনা মহামারী কালীন সময়ে মরার উপর খরার ঘাঁ’র মতে।

উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সুজন নগরবাসীর উদ্বেগ কমাতে আজ সকালে বিদ্যুৎ এবং ওয়াসার চীফ ইঞ্জিনিয়ারের সাথে ফোনে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

তিনি বর্তমান পরিস্থিতিতে নগরবাসীর আর্থিক দুরবস্থার কথা বিবেচনা করে তিন মাসের বিল একসাথে গ্রহণ করার পরিবর্তে সম্পূর্ণ বিলকে কিস্তি আকারে প্রদান করার সুযোগ দানের জন্য বিদ্যুৎ এবং ওয়াসার চীফ ইঞ্জিনিয়ারের নিকট দাবী জানান।

এছাড়া গ্রাহকের গড়বিলকে সংশোধন করে দ্রুততার সাথে সমাধান করার বিনীত আহবান জানান।

তিনি বিলের বিপরীতে কোন প্রকার সারচার্জও কর্তন না করার অনুরোধ জানান। তাছাড়া অন্যায়ভাবে কোন গ্রাহকের লাইন কর্তন করা হলে নাগরিক উদ্যোগ দর্শকের ভূমিকা পালন করবেন না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।

বিদ্যুৎ এবং ওয়াসার চীফ ইঞ্জিনিয়ার বলেন করোনাভাইরাস সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সংক্রমণ এড়াতে মিটার রিডারদের গ্রাহকদের বাড়ীতে না যাওয়ার নির্দেশনা ছিলো। ইতিমধ্যে অনেক মিটার রিডার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ওয়াসার একজন মিটার রিডার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ পরিস্থিতিতে মিটার পরিদর্শন না করে বিল প্রস্তুত করার কারণে গ্রাহকদের নিকট অতিরিক্ত বিল প্রদান করা হয়েছে সে কারণে দুঃখ প্রকাশ করেন তারা। তাছাড়া যদি কোন গ্রাহক মনে করেন তার মিটারের বিপরীতে অতিরিক্ত বিল প্রদান করা হয়েছে সেক্ষেত্রে সেই গ্রাহককে সরাসরি সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে বিলটি সংশোধন করে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন তারা।

চীফ ইঞ্জিনিয়ারদ্বয় বলেন, করোনাকালীন পরিস্থিতিতে কোন গ্রাহকের পকেট থেকে অন্যায়ভাবে টাকা আদায় করা হোক সেটা কখনোই সেবা সংস্থাসমূহ চাইবে না। চীফ ইঞ্জিনিয়ারদ্বয় গ্রাহকদেরকে আতংকিত না হয়ে কষ্ট করে হলেও বিলসমূহ পরিশোধ করার সবিনয় অনুরোধ জানান।

এছাড়া করোনার কারণে কোন গ্রাহক যদি যথাসময়ে বিল পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন সেক্ষেত্রে সারচার্জবিহীন ভাবে গ্রাহকের বিল পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস প্রদান করেন তারা।

তিনি আরো বলেন, দেখা যাচ্ছে যে নগরীর বিভিন্ন অলি গলিতে সমবায় প্রতিষ্ঠানের নামে গজিয়ে উঠা এনজিও নামধারী মাইক্রোক্রেডিট সমিতিগুলো সুদ এবং ঋণের কিস্তির জন্য তাদের গ্রাহকদের উপর কাবুলিওয়ালার মতো চড়াও হচ্ছে। এ অবস্থায় যা শুধু অমানবিক নয় গর্হিত কাজও বটে। বর্তমান সময়ে বেশীরভাগ মানুষের আয়ের পথ অনেকটা রূদ্ধ। জনসাধারণ কষ্ট করে তাদের প্রাত্যহিক জীবন যাপন পরিচালনা করছে। তারপরও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাইক্রোক্রেডিট নামধারী এনজিওরা সুদ এবং ঋণের কিস্তির জন্য তাদের গ্রাহকদের হয়রানি করছে। এক্ষেত্রে ঐসব এনজিও বিভিন্ন অমানবিক কর্মকান্ডও পরিচালনা করছে। এখানে উদ্বেগজনক ভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে দেশের অন্যান্য জাতীয় দূর্যোগে এনজিওরা এগিয়ে আসলেও রহস্যজনক কারণে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। হাতে গোনা দু-একটি এনজিও মানবতার কল্যাণে হাত প্রসারিত করলেও অন্যদের হাত সংকুচিতই রয়ে গেছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। সারা বছর তারা সুদের ব্যবসা এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে বিত্ত বৈভবের মালিক হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের গ্রাহকদের সাথে তারা অমানুষিক আচরন করছে।

তিনি এসব এনজিওকে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সকল প্রকার সুদ এবং ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার উদাত্ত আহবান জানান।

তাছাড়া এনজিও নামধারী এসব প্রতিষ্ঠানকে কিস্তি আদায় নিয়ে গ্রাহকদের সাথে জবরদস্তি না করারও অনুরোধ জানান। এক্ষেত্রে কোন এনজিও যদি এ ধরনের গর্হিত কর্মকান্ড পরিচালনা করে সেক্ষেত্রে গ্রাহকদের স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন অথবা নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দের সহায়তা গ্রহণ করার অনুরোধ জানান সুজন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।