খুঁজুন
সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে ভবদহে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করা হবে: প্রতিমন্ত্রী স্বপন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০, ৬:২২ অপরাহ্ণ
যশোরে ভবদহে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করা হবে: প্রতিমন্ত্রী স্বপন

নিলয় ধর,যশোর প্রতিনিধি : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেছেন, ভবদহ জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করা হবে। তার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়ন হলে ভবদহের জলাবদ্ধতার আর সমস্যা থাকবেই না। বর্তমানে ভবদহ বিস্তার এলাকায় নদীতে পলি জমে বিলের পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে না।

যার কারনে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে এলাকার জনসাধারণ চরম দূর্ভোগের মধ্যে দিন জীবনযাপন করছে। চাষীদের ফসল ও মৎস ঘেরে মাছ ভেসে যাওয়াসহ বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এগুলো মাথায় নিয়ে সরকার ভবদহের স্থানীয় সমাধানের জন্য যা করণিয় তা দ্রুত করবেন বলে জানান।

প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার রাতে মণিরামপুর হরিদাসকাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজনে মুক্তেশ্বরী ডিগ্রী কলেজের হলরুমে মণিরামপুর ও অভয়নগর উপজেলার সূধীজনের সাথে ভবদহের সমস্যা বিষয় প্রল্পে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য উপরোক্ত কথা বলেন।

অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি অধীর কুমার পাঁড়ের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভবদহ পানি নিষ্কাশন কমিটির সভাপতি ও অভয়নগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র এনামুল হক ফরাজী বাবুল।

এই সময় হরিদাসকাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির লিটনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মুক্তেশ্বরী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ প্রবীর কুমার মল্লিক,কুলটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখর চন্দ্র রায়,অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী ইউপি চেয়ারম্যান বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস,প্রেমবাগ ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক মফিজুর রহমানসহ ভবদহ পানি নিষ্কাশন কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ সূধীজন।

২৪ ঘণ্টা/আসাদ

 

Feb2

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে এগোচ্ছে সরকার: সেতুমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে এগোচ্ছে সরকার: সেতুমন্ত্রী

সরকার দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আজহায় নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিতে প্রস্তুতি সভা শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‌হ্যাঁ, পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর তিনটি প্রস্তাবনা আছে। তার এক নম্বর প্রস্তাবনা আপনি যেটা বলেছেন ওই রুটে। আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলছি, বলবো আমি এই মুহূর্তে। ফিজিবিলিটি স্টাডি অলরেডি কমপ্লিট। অর্থায়নের জায়গাটা নিয়ে ভাবছি, কথা বলছি। আর ধরেন অন্যান্য প্রাক-প্রস্তুতি চলছে।’

মন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাক-প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে যাচ্ছে বলেন তিনি।

প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অগ্রগতি নিয়ে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মূল সেতু নির্মাণের অন্যান্য প্রাক-প্রস্তুতিমূলক কাজগুলোও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়িত হলে এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মানুষের যাতায়াতে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে।

বিশেষ করে উৎসবের সময় মহাসড়কের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে এবং পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ বাঁচাতে এই সেতুটি বিকল্প ও শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, ঈদযাত্রায় নৌপথেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। আরিচা ঘাটে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে গাড়ির ব্রেক ত্রুটির বিষয় উঠে এসেছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এবার ফেরিতে গাড়ি ওঠার আগে ব্যারিকেড ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে ফেরি সম্পূর্ণ খালি না হওয়া পর্যন্ত নতুন গাড়ি প্রবেশ করতে না পারে।

এ ছাড়া সদরঘাটে স্পিডবোট ও লঞ্চ চলাচলে নতুন শৃঙ্খলা আনা হয়েছে। এখন থেকে স্পিডবোটের যাত্রীরা সরাসরি লঞ্চে উঠতে পারবেন না। তাদের নির্ধারিত পন্টুন ব্যবহার করতে হবে। এজন্য নতুন সংযোগ সেতুও নির্মাণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেড় কোটির বেশি মানুষের ঈদযাত্রা এবং প্রায় এক কোটি কোরবানির পশু পরিবহনকে কেন্দ্র করে এবারের ঈদ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। তবে সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করলে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

চসিক মেয়রের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ভারতের নতুন সহকারী হাইকমিশনার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
চসিক মেয়রের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ভারতের নতুন সহকারী হাইকমিশনার

চট্টগ্রামের বিপুল সংখ্যক মানুষের ভারত ভ্রমণ সহজ করতে মেডিকেল ও ট্যুরিস্ট ভিসা প্রদানের হার ও গতি বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতের নতুন সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হরিশ কুমারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ অনুরোধ জানান।

আজ সোমবার (১১ মে) টাইগারপাসস্থ নগর ভবনে মেয়র কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মেয়র বলেন, “চট্টগ্রামের বিপুল পরিমাণ মানুষ চিকিৎসা গ্রহণ এবং পর্যটনের উদ্দেশ্যে ভারতে যান। বিশেষ করে আজমীর শরীফ, নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহ, আগ্রার তাজমহল এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন তীর্থস্থান থাকার কারণে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক মানুষ ভারত ভ্রমণ করেন। চট্টগ্রামের এই মানুষদের সুবিধার্থে মেডিকেল এবং ট্যুরিস্ট ভিসা প্রদানের হার ও গতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি।”

এছাড়া মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সেবাদান কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারকে অবহিত করেন।

এসময় দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, চট্টগ্রামের সাথে ভারতের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

মেয়র নবনিযুক্ত সহকারী হাইকমিশনারকে চট্টগ্রামে স্বাগত জানান এবং তার দায়িত্ব পালনকালে চসিকের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শ্রী হরিশ কুমার চট্টগ্রামের উন্নয়নে মেয়রের গৃহীত উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মেয়র মহোদয় সহকারী হাইকমিশনারকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন।

প্রতিটি মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ায় রাষ্ট্র হবে সহায়ক শক্তি : জুবাইদা রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
প্রতিটি মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ায় রাষ্ট্র হবে সহায়ক শক্তি : জুবাইদা রহমান

কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা এবং সুন্দর মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিটি মেয়ে যে ভবিষ্যৎ গড়তে চায়, সেই পথে রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির পরিবর্তে বরং এগিয়ে নেওয়ার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।

সোমবার (১১ মে) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

জুবাইদা রহমান বলেন, শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। আজ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে। সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে অবদান রাখার জন্য সমিতির সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আপনারা আপনাদের কর্মের মাধ্যমে আগামীর প্রজন্মকে সমাজে অবদান রাখার পথ দেখিয়ে দিতে সহায়তা করছেন। বর্তমান ও ভবিষ্যতের সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহীত আপনাদের সমাজসেবামূলক পরিকল্পনাগুলো সমন্বিতভাবে একটি সুন্দর, সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, আমরা সকলে যদি নিজ নিজ ক্ষেত্র থেকে কাঙ্ক্ষিত সমাজ গঠনে অবদান রাখি, তাহলে নিশ্চয়ই সেটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব, ইনশাআল্লাহ। নারীরা পরিবার ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্রবিন্দু থেকে স্বাস্থ্য ও গ্রামীণ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী বলেন, স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পে যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদান অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং মার্কেটিং সাপোর্ট প্রদান করা গেলে নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে পারিবারিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি, সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথ আরও সুগম করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মাঝে আজ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির সভানেত্রী অধ্যাপিকা নাসিমা ফেরদৌসী উপস্থিত নেই। আমরা মহান আল্লাহ তাআলার কাছে তার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহধর্মিণী হাসিনা আহমেদ, সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা, বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির সহ-সভানেত্রী মিসেস সাবিনা আওলাদ প্রমুখ।