খুঁজুন
, ,

আলুর দামে সরকারি নির্দেশনা মানা হচ্ছে না! সবজি, মাছ ও মুরগির বাজার চড়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 16 October, 2020, 2:09 pm
আলুর দামে সরকারি নির্দেশনা মানা হচ্ছে না! সবজি, মাছ ও মুরগির বাজার চড়া

রাজীব সেন প্রিন্স : হঠাৎ করে দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হওয়া আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে ভোক্তা, আড়ত ও কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে সর্বোচ্চ যে দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশনা মানা হচ্ছে না কোনো পর্যায়েই। কেজি এখনও ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা ব্যবসায়ীরা এখনো আলুর বিক্রি করছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। সরকারের নির্দেশে অনুযায়ী, খুচরায় প্রতিকেজি আলুর দাম হবে ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও সরকারের এ নির্দেশনার কোনো প্রতিফলন বাজারে দেখা যাচ্ছে না।

কম দামে আলু পাওয়ার আশায় সকালে অনেক ক্রেতাই বাজারে ছুটে যান। তবে বাজারে গিয়ে তাদের হতাশ হতে হয়েছে। কারণ আগের মতোই আলুর জন্য চড়া দাম গুনতে হয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রামের বাজারগুলোতে এখনো চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে প্রায় সব ধরনের সবজি। গত সপ্তাহের তুলনায় গুটি কয়েক সবজি ৫০ টাকার নিচে নামলেও অধিকাংশ সবজি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। পাশাপাশি মাছ ও ব্রয়লার মুরগির দামও বেড়েছে কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত।

গতকাল শুক্রবার সরকারি বন্ধের দিনে চট্টগ্রাম নগরীর রেয়াজউদ্দিন বাজার ও চাক্তাই বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই চড়া দামে বিক্রি হওয়া সবজির বাজারে এখনো অস্থিরতা বিরাজ করছে। দু-একটি সবজি কেজিতে ৫-১০ টাকা করে কমলেও অধিকাংশ সবজিতেই হাত দেওয়ার জোঁ নেই নি¤œ ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের।

চাক্তাই বাজারে গিয়ে দেখা যায়, এখনো ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে টমেটো। ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। গাজর ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা।

আর শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, বরবটির কেজি গত সপ্তাহের মতোই ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুনও গত সপ্তাহের মতো ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তাছাড়া কাঁকরোল, করলা, ঢেঁড়স, পটল, ছোট কচু ও ঝিঙ্গা ৬০ টাকা কেজিতে এবং মিষ্টি কুমড়া, লাউ ও পেঁপে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে কচুর লতি ৪০ টাকা ও প্রতি শাক আটি প্রতি ১৫-২০ টাকায় বিক্রি করছে বিক্রেতারা।

গত সপ্তাহের তুলনায় কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমলেও এখনো ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। স্বস্তি মিলছে না পেঁয়াজের দামেও। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। আমদানি করা বড় আকারের ভারতীয় পেঁয়াজের কেজির জন্যও গুনতে হচ্ছে ৮০ টাকা। শুক্রবার প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকা।

নগরীর পাথরঘাটা থেকে চাক্তাই সবজির বাজারে আসা চাকরীজীবি শুভ্রা দাশ হতাশার সুরে বলেন, এখন একশ টাকার সবজি কিনলে এক বেলাও ঠিক মতো হয় না। এক সপ্তাহে শুধু সবজির পেছনেই দেড়-দুই হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। অবস্থা এমন চলতে থাকলে আমাদের পক্ষে টেকাই মুশকিল হবে।

সবজির দামের বিষয়ে বিক্রেতা আব্দুল গফর বলেন, বন্যার পর টানা বৃষ্টিতে সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চাহিদার তুলনায় বাজারে সবজির সরবরাহ অনেক কম। এ কারণে সবজির দাম কিছুটা চড়া। তাছাড়া আড়ৎ থেকে সবজি আনার পর অনেক সবজি নষ্ট হয়, ফেলে দিতে হয়। ফলে গড় দামে বৃদ্ধি পড়ছে।

নগরীর রেয়াজউদ্দিন বাজার ঘুরে দেখা গেছে গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগিতে ১০ টাকা এবং এবং প্রায় প্রতিটি মাছে কেজি প্রতি ১০-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৪০ টাকা এবং ২০০ টাকা কেজি দরে সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে শুক্রবারের বাজারে। এক হালি মুরগির ডিম কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ৪০ টাকা।

বাজারে লইট্টা মাছ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা, দেশি রুই প্রতিকেজি ১৯০ থেকে ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০ টাকা, পোপা ২৪০ টাকা, কাতাল ২৬০ থেকে ২৯০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকার ভেদে ৩৮০ থেকে ৬৫০ টাকা, রূপচাঁদা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং ৫শ টাকা কেজিতে পাবদা মাছ বিক্রি করছে বিক্রেতারা।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব প্রিন্স

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।