খুঁজুন
, ,

চসিকের কাজে গতি সঞ্চারে প্রধানমন্ত্রী খুশি:সুজনকে বিপ্লব বড়ুয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 1 November, 2020, 10:31 pm
চসিকের কাজে গতি সঞ্চারে প্রধানমন্ত্রী খুশি:সুজনকে বিপ্লব বড়ুয়া

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সাথে শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় খুলশীস্থ তাঁর বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন।

সন্ধ্যায় প্রশাসক সুজন বিপ্লব বড়ুয়ার বাসবভনে পৌঁছলে তিনি তাকে অভ্যর্থনা জানান। এসময় পরস্পরের কুশল বিনিময়ের পর তাদের আলোচনায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম ও চট্টগ্রামের উন্নয়নের কথা উঠে আসে। আলাপে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রমে গতি সঞ্চার হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে চসিক প্রশাসককে অবহিত করেন ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এই সময় প্রশাসকের উদ্দেশ্যে বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুনজর রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে রিজিওনাল কানেকটিভিটির সাথে সংযুক্ত করার সকল উদ্যোগ নিয়েছেন। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। নগরীরতে বিভিন্ন সেবা সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমও চলমান আছে। বিপ্লব বড়ুয়া আগামীতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন হিসেবে চট্টগ্রাম থেকে ঘুনধুম পর্যন্ত রেল লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে, তা মিয়ানমার দিয়ে কুনমিং পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। এতে ভারতের সেভেন সিষ্টার নেপাল, ভুটান, তিব্বত এবং আরো বেশ কিছু দেশর চট্টগ্রাম বন্দরের উপর নির্ভরশীলতা বাড়বে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় আয়ের সিংহ দুয়ার উম্মোচিত হবে। বৃদ্ধি পাবে প্রতিবেশি রাষ্ট্রের সাথে আন্তঃসম্পর্কীয় যোগাযোগ ।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী চট্টগ্রামকে একটি অর্থনৈতিক হাব হিসেবে প্রস্তুুত করতে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক প্রয়াস রয়েছে বলে চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনকে জানান।

তিনি চসিকের বর্তমান নাগরিক সেবা কার্যক্রম পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সড়ক-ফুটপাত অবৈধ স্থাপনা দখল মুক্ত রেখে যান চলাচলের উপযোগী রাখায় চসিক প্রশাসকের আন্তরিক প্রয়াসে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে উল্লেখ করেন।

সেই সময় খোরশেদ আলম সুজন আগামীতে চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বের বিষয় উল্লেখ করে চট্টগ্রামকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে এর অবকাঠামোগত ব্যপক পরিবর্তনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক ও কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ব্যাপারে ভূমিকা গ্রহণে ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সহযোগিতা কামান করেন।

বিজিবি দক্ষিণ পূর্ব রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খন্দকার ফরিদ হাসান এবং হালিশহর আর্টিলারি সেন্টারের কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তফা কামাল রুশো’র সাথে আলপরত চসিক প্রশাসক।

সৌন্দর্য্যবর্ধন কার্যক্রমে আর্টিলারি সেন্টার ও
বিজিবিকে পাশে চায় চসিক: সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন হালিশহর আর্টিলারি সেন্টার ও বিজিবি হেড কোয়ার্টারের আমন্ত্রনে রোববার বিকালে সেন্টার কমান্ড্যান্ট ও রিজিয়ন কমান্ডারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন।

সাক্ষাতকালে বিজিবি দক্ষিণ পূর্ব রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খন্দকার ফরিদ হাসান ও হালিশহর আর্টিলারি সেন্টারের কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তফা কামাল রুশো আলাদাভাবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসককে ফুলেল স্বাগত জানান।

সাক্ষাৎকালে হালিশহর আর্টিলারি সেন্টার ও বিজিবি হেড কোয়ার্টারের কমান্ড্যান্ট এবং কমান্ডার তাদের সেন্টার ও হেড কোয়াটারের পার্শ্বস্থ রাস্তা মেরামত করে সচল রাখা এবং সেন্টার ও রিজিয়নের অভ্যন্তরে জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে আশু পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানালে চসিক প্রশাসক সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান দায়িত্ব পালনকারী এ দুই সংস্থার কার্যক্রম সুচারুভাবে পালনের লক্ষ্যে অবকাঠামোগত যেকোন সাপোর্ট দেয়ার ব্যাপারে তার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।

প্রশাসক বিজিবি রিজিয়ন ও আর্টিলারি সেন্টার সংলগ্ন পিসি রোড ও রিজিয়ন ও আর্টিলারিগামী অন্যান্য অভ্যন্তরীণ রাস্তার সৌন্দর্যবর্ধনে তাদের ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

তিনি বলেন, ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে চট্টগ্রামে সামরিক স্থাপনার আধুনিকায়ন ও বহুমাত্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। চসিক তার সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে যোগাযোগ অবকাঠামোগত যেকোন ধরণের সহায়তা প্রদানে বদ্ধপরিকর।

এসময় হালিশহর আর্টিলারি সেন্টারের কমান্ড্যান্ট, বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমদ পিএসসি,প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেমসহ আর্টিলারি সেন্টার ও বিজিবি দক্ষিণপূর্ব রিজিয়নের সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নগরীর সাগরিকা রোডে অবৈধভাবে গড়ে উঠা শতাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করলো চসিক ভ্রাম্যমান আদালত।

চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান:লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত নগরীর সাগরিকা রোডে অভিযান চালিয়ে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করেছেন।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) সকালে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জাহানারা ফেরদৌস।

অভিযানে ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সড়ক, নালা ও ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করার দায়ে মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে গিয়ে কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পাহাড়তলী ধানাধীন সাগরিকা রোডের সড়ক, ফুটপাত ও নালার উভয় পাশ অবৈধ দখলদারদের দখলে দেখতে পান। এইসব অবৈধদখলের মধ্যে বেশিভাগ ছিল লোহার স্ক্র্যাপ ও বড় বড় পাইপের দোকান।

ইতোপূর্বে বেশ কয়েকবার নগরীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধদখলে থাকা স্থাপনা দখলকারীদের নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নিতে বিজ্ঞপ্তি ও মাইকিং করে জানিয়ে দেয় সিটি কর্পোরেশন। এরপরও এসব স্থাপনা না সরানোয় অভিযান চালান চসিক ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়কে সহায়তা করেন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

দেশের যেকোনো সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 8:11 pm
দেশের যেকোনো সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের যেকোনো সংকটকালে দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে। নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করে অতীতের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা জ্বালানি সংকট। আমরা তা অস্বীকার করছি না। তবে বৈশ্বিক কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। তারপরও ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যায় যাতে পড়তে না হয়, সে জন্য মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর খামারবাড়ীতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা জানেন, অতীতে দেশ কীভাবে চলেছে? মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছিল। অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল। তাই অতীতের মতো বিগত নির্বাচনেও জনগণ বিএনপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে ভোট দিয়ে সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পাওয়া গেছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে। তবে অচিরেই এই সংকটের সমাধান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।