খুঁজুন
, ,

চাক্তাই খালে পচা পেঁয়াজ, মজুতদারিদের প্রতিরোধের আহ্বান সুজনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 17 November, 2020, 10:02 pm
চাক্তাই খালে পচা পেঁয়াজ, মজুতদারিদের প্রতিরোধের আহ্বান সুজনের

বাজারে পেঁয়াজের মূল্যে ঊর্ধ্বগতি চলছে বেশ কয়েকমান যাবত। আর এই ঊর্ধ্বগতির কারণে দৈনন্দিন বাজারে নিত্য পণ্যের চাহিদা তালিকায় আবশ্যিক এই কাট ছাট করছে ভোক্তা সাধারণ। অথচ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ব্যবসার নামে মজুতদারি করে গোডাউনে রাখা পঁচা পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছে খালে। এই ঘটনা দেখে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) সকালে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগরীর চকবাজার ধুনির পোল এলাকায় চাক্তাই খাল থেকে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার কার্যক্রম ও মশার ওষুধ ছিটানো পরিদর্শনে গিয়ে এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন।

এসময় ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর, রাজনীতিক ও আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ শহিদুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা নাজিম উদ্দিন, চসিকের উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রশাসকের সাথে ছিলেন।

খালের এসব ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার কাজ চলাকালে তিনি ওই এলাকায় জনসাধারণের মাঝে করোনা ভাইরাস, ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতায় প্রচারপত্র বিলি করেন। সে সময় প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, খাল-নালা হলো পানি চলাচলের পথ। অথচ খালে ফেলা হচ্ছে পঁচা পেয়াজ, আবর্জনা, এটা তো কাম্য নয়। ব্যবসায়ী নামে এসব গণদুশমন মজুতদারিদের প্রতিহত করতে হবে।

তিনি ওই এলাকায় বাজার কেন্দ্রিক যেসব অবৈধ চাঁদাবাজ আছেন তাদেরকেও সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করতে বলেন।

প্রশাসক সুজন চকবাজার কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ীদের বাজারের উচ্ছিষ্ট খাল-নালায় না ফেলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখন একদিকে করোনা মহামারিতে জনবীজন বিপর্যস্ত। অপর দিকে শীতের শুষ্ক মৌসুমে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ বাড়ে। ইতোমধ্যেই করোনার সংক্রামন বেড়েছে। এর মধ্যে যদি ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়াকেও নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতি ধারণ করবে নগরীর জনজীবনে। তাই আপনাদের প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান আপনারা নিজ বাড়ি, বাসা, ব্যবসা-বাণিজের আশপাশ, আঙ্গিনা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবেন। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আমরা এবার নালা-খালের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করছি। এরপর যদি পরিষ্কার হওয়া স্থানে কোন ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র পড়ে থাকতে বা ফেলতে দেখি, তাহলে ওই এলাকার আশ-পাশের বাসিন্দা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিব।

তিনি আরো বলেন, নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে নগরবাসীরও নাগরিক দায়িত্ব রয়েছে। নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে কোন সেবাকার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালানো সম্ভব নয়।

সুজন করোনা প্রতিরোধে প্রয়োজনে বাইরে বের হলে মাস্ক পরিধান না করলে শাস্তির ববস্থা করা হবে জানিয়ে নগরবাসীকে সর্তক করে দিয়ে বলেন, আজ (মঙ্গলবার) থেকে নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৬টি টিম জনসাধারণের মাঝে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে অভিযান চালাবে।

উল্লেখ্য, চকবাজার-পশ্চিম বাকলিয়া এলাকায় চাক্তাই খাল থেকে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারে সিটি কর্পোরেশনের দুটি স্কেভেটর, ১০টি ড্রাম ট্রাক, ৪০ জন পরিচ্ছন্ন সেবক কাজ করবে।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 12:03 pm
কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নেভাল একাডেমি সংলগ্ন এলাকায় পাথরবোঝাই একটি লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবে গেছে। তবে এ ঘটনায় জাহাজে থাকা ১২ নাবিকের সবাইকে জীবত অবস্থায় উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নেভাল একাডেমির বিপরীতে ট্রেনিং ওয়ালের পাশে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামের লাইটার জাহাজটি এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

কোস্টগার্ডের জনসংযোগ শাখা থেকে জানা গেছে, জাহাজডুবির খবর পাওয়া মাত্রই কোস্টগার্ডের একটি দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আটজন এবং পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আরও চারজনসহ মোট ১২ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 11:05 am
আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ঋণ খেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এর আগে ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন।

আদালতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ঋণ খেলাপির অভিযোগ থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরে আপিল বিভাগে আবেদন করে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

ফলে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করার সুযোগ পান। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে এবং ফলাফল প্রকাশ হবে না বলে আদেশ দেওয়া হয়।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।

টাইব্রেকারে মিসের মহড়া, ডাচদের বিদায় করল মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 10:34 am
টাইব্রেকারে মিসের মহড়া, ডাচদের বিদায় করল মরক্কো

ম্যাচের মতো ফল নির্ধারণী টাইব্রেকারেও নাটকীয়তার জন্ম দিলো মরক্কো-নেদারল্যান্ডস। স্নায়ুরক্ষার এই লড়াইয়ে উভয় দলই যেন একের পর এক মিসের মহড়ায় নেমেছিল। মরক্কো মিস করার পর একইভাবে ডাচরাও মিস করেছে। শেষ পর্যন্ত পাঁচটি করে শট নেওয়ার পর ৩-২ ব্যবধানে ডাচদের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় জানাল মরক্কো।

পাঁচ মিস, এক হাতে ইয়াসিন বুনোর সেভ এবং বার্ট ভেরব্রুখেন ঠেকানোর পরেও লাইন ক্রস। অবিশ্বাস্য ও নাটকীয় এক পেনাল্টি শ্যুটআউটে ডাচদের বিদায় এবং মরক্কোর শেষ ষোলো নিশ্চিত হয়েছে। ৯০ মিনিট এবং এরপর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে স্কোরলাইন ১–১ থাকায় খেলা গড়িয়েছিল টাইব্রেকারে।

যেখানে টানা প্রথম শটে গোল করেন নেদারল্যান্ডসের টিউন কুপমেইনার্স। পরের দুটি শটে মিস করেন মরক্কোর নেইল এল আয়নাউয়ি এবং ডাচ ফরোয়ার্ড জাস্টিন ক্লাইভার্ট। সুফিয়ান রাহিমি সমতায় ফেরান মরক্কোকে। নিজেদের তৃতীয় শটে দ্বিতীয় গোল পায় নেদারল্যান্ডসও, দিয়েছেন ভাউট ভেগহোর্স্ট। এরপর শেমসদিন তালবির গোলে মরক্কোকে ফের সমতায় ফেরানোর পর ডাচদের পক্ষে বাইরে শট মেরে বসেন কুইন্টেন টিম্বার্স।

গোলপোস্টে শট নিয়ে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি নাটকীয়তার জন্ম দেন। এরপর বুনো ঠেকিয়ে দেন সামারভিলের শট। তবে পঞ্চম ও শেষ শটে সাইবারি ভুল করেননি। গোল দিয়েই জার্সি খুলে বুনো উল্লাসে মেতেছেন।