খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অক্সিজেন এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে পারছে না বলে অভিযোগ সুজনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২০, ১১:০২ অপরাহ্ণ
অক্সিজেন এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে পারছে না বলে অভিযোগ সুজনের

খোরশেদ আলম সুজন

করোনা দুর্যোগকালীন সময়ে রোগীর জীবন বাঁচানোর অত্যাবশ্যকীয় উপাদান অক্সিজেনসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে কোন মানুষ সঠিকভাবে চিকিৎসা সেবা নিতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ বুধবার (৩ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, বর্তমানে করোনাভাইরাস কেন্দ্রিক পরিস্থিতিতে রোগীরা অবর্ণনীয় দুঃখ কষ্ট ভোগ করছে। সাধারণ জ্বর কাঁশি উপসর্গের রোগীরাও সামান্য চিকিৎসা সেবা না পাওয়ার ফলে মৃত্যু মুখে পতিত হচ্ছে। আর এ ক্ষেত্রে রোগীর জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে দেখা দিয়েছে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ। অথচ সেই কাংখিত অক্সিজেন পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও। হাসপাতালগুলোতেও কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা না থাকায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়েছে অনেকাংশে। এ অবস্থায় রোগীর জীবন বাঁচাতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন সুজন।

তিনি আরো বলেন, একদিকে বেসরকারি হাসপাতালগুলো রোগীদের পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে না অন্যদিকে জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেনসহ সাধারণ রোগীর জ্বরের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধপত্রও পাওয়া যাচ্ছে না ঔষধের দোকানগুলোতে। সাধারণ জ্বরের জন্য ডাক্তারের পরামর্শকৃত সহজলভ্য ঔষধ যেমন- নাপা, নাপা এক্সটেন্ড, এইস এক্স আর, এইস পাওয়ার, ডকসিক্যাপ, জিম্যাক্স, জিথ্রক্সসহ হাই ফ্লো ন্যাজল ক্যানুলাও চাইলেই পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ এসব ওষুধগুলো আগে নিকটস্থ ঔষধের দোকানে হাতের নাগালেই পাওয়া যেতো। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধির দুষ্টু সিন্ডিকেট চক্রটি জনগনের স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জামাদির উপর ভর করেছে।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে জনগনকে অস্থির করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য এসব ওষুধের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে ইচ্ছে করেই। পরিকল্পিতভাবে চট্টগ্রামের মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, একদিকে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা নেই অন্যদিকে জনগন যদি বাড়ীতে বসেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা না পায় তাহলে সেটা হবে অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

তিনি অক্সিজেন সরবরাহ প্রতিষ্টানগুলোকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অক্সিজেন সিলিন্ডার বিক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করার আহবান জানান।

এছাড়া যেসব ঔষধগুলো এখন জ্বর, সর্দি এবং কাশির জন্য অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ সেসব ঔষধগুলোও অধিক হারে উৎপাদনের মাধ্যমে জনগনের কাছে পৌছে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

তিনি আরো বলেন, ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্টানগুলোর সময় এসেছে এখন সরকারের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জনগনের পাশে দাড়ানোর। কোন ধরনের দুষ্টু চক্রের ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্যও ঔষধ ব্যবসার সাথে জড়িতদের নিকটও আহবান জানান সুজন।

এছাড়া তিনি বর্তমান পরিস্থিতিতে নগরীর গণপরিবহন ব্যবসার সাথে জড়িতদের সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি মেনে চলার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।

তাছাড়া জীবন ও জীবিকার তাগিদে সবকিছু নিয়মমাফিকভাবে চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তারই আলোকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালানোর জন্যও নির্দেশনা প্রদান করেছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে যে নগরীর অধিকাংশ গণপরিবহনে সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে না। সরকার ভাড়া নির্ধারন করে দেওয়ার পরও অতিরিক্ত হারে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এমনি গাদাগাদি করে বাস ভর্তি করা হচ্ছে। প্রতিটি গণপরিবহন বারবার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার কথা বলা হলেও সে নির্দেশনা পুরোপুরি উপেক্ষিত হচ্ছে। এতে করে চট্টগ্রামে অধিকতর হারে সংক্রমন বাড়তে শুরু করেছে। তাই জনগনকেই নিজ দায়িত্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি জনসাধারনকে মাস্ক, গ্লাভসসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সবিনয় অনুরোধ জানান।

এছাড়া যারা সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন না তাদের বিরুদ্ধেও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করার অনুরোধ জানান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলসহ দেশের ১০টি জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলসহ বাংলাদেশের ১০টি জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে কৃষকদের মধ্যে কার্ড বিতরণ করবেন।

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।