খুঁজুন
, ,

লক্ষ্মীপুর পৌরসভাকে ‘সিটি কর্পোরেশনে’ উন্নীত করা হবে- পৌর মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 25 November, 2020, 4:03 pm
লক্ষ্মীপুর পৌরসভাকে ‘সিটি কর্পোরেশনে’ উন্নীত করা হবে- পৌর মেয়র

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃআসন্ন লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত তিনবারের সফল পৌর মেয়র, জননন্দিত সাবেক জেলা আওয়ামীলীগ সেক্রেটারী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ তাহের।

পৌরসভার উন্নয়নের অগ্রচিন্তাধারা সম্পন্ন এম এ তাহের জানালেন আসন্ন নির্বাচন নিয়ে তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। দলীয় মনোনয়ন ও পৌরবাসীর প্রত্যাশিত রায়ে যদি তিনি আবারও পৌর মেয়র নির্বাচিত হন তাহলে কি কি অসমাপ্ত কাজ আর নতুন কি কি কাজ বাস্তবায়ন করবেন তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন এ প্রতিবেদকের সাথে।

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী কী জানতে চাইলে পৌর মেয়র আলহাজ্ব আবু তাহের বলেন ‘আমাকে যদি পার্টি মনোনয়ন দেয় এবং পৌরবাসী মেয়র নির্বাচিত করে তাহলে লক্ষ্মীপুরকে আদর্শ, মডেল, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একটি প্রথম শ্রেণীর সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা হবে। সিটি কর্পোরেশন গঠন করতে হলে সদরের দালাল বাজার, রসুলগঞ্জ বাজার, টুমচর বাজার, পিয়ারাপুর বাজার, চাঁদখালী বাজার, জকসিন বাজার ও আটিয়াতলী বাজার সহ আরো কয়েকটি এলাকা পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।’

পৌরসভায় এখন পর্যন্ত কোন উন্নয়নটি করা হয়নি বলে জানতে চাইলে আবু তাহের বলেন- ‘এরকম কিছু নেই, তবে রেললাইন, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি সে স্বপ্নেরও বাস্তবায়ন হবে। নতুন একটা প্রজেক্ট চালু করার চিন্তা আছে, রহমতখালী খালে মেঘনা নদীর পানি নিয়ে এসে সে পানি শোধন করে পৌরসভায় ব্যবহারের জন্য ছেড়ে দেবো। বড় ড্রেণ, বাজার রাস্তা প্রশস্ত করন করা হবে, জায়গা নিয়ে রাখা হয়েছে পৌর ভবন নির্মাণ করার জন্য, আধুনিক পয়ঃব্যবস্থাপনার প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে, সেটারও বাস্তবায়ন হবে ইনশাআল্লাহ।

পুনঃ মেয়র নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম কোন কাজটি করবেন বলে ভেবে রেখেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র আবু তাহের বলেন-‘আমি যদি আবারো মেয়র নির্বাচিত হই তাহলে পৌরভবন ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে হাত দিব।’

কি কি উল্লেখযোগ্য কাজ হয়েছে জানতে চাইলে মেয়র বলেন-‘পৌর বিপনী বিতান, গরু বাজার, পৌর মার্কেট, দুইটি ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, একটি ডাম্পিং স্টেশন, ১৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ড্রেনেজ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়েছে।’

পৌর মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর এ পর্যন্ত কী কী উন্নয়ন করেছেন জানতে চাইলে পৌর মেয়র বলেন- ‘আইডিয়াল কলেজ, ল কলেজ, জালালিয়া মাদ্রাসা, রামেন্দু মজুমদার ও সাবেক দুদক চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান এর সহযোগিতায় টাউন হল, রহমতখালী নদীর উপর ৩টি ব্রীজ, রেডক্রিসেন্ট ভবন, আজিমশাহ স্কুলসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে।

তিতা খাঁ জামে মসজিদ, আজিম শাহ মাজার, অজুখানা ও টয়লেট, তন্তুবায় সমিতির বহুতল ভবনসহ আরো অনেক উন্নয়ন হয়েছে। তবে ডাম্পিং স্টেশন ৮কোটি ৮০ লাখ টাকায় কাজ চলমান রয়েছে।

প্রতিবন্ধী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের নিয়ে ভিন্ন কোনো চিন্তা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে মেয়র আবু তাহের বলেন-‘প্রতিবন্ধীদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া আর কোন প্রকল্প আমাদের হাতে নেই।’

আসন্ন লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করে পৌরবাসীর রায় প্রত্যাশা করেন এ সফল মেয়র।

Feb2
Feb2

যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন’র পরিবারের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 3:21 pm
যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন’র পরিবারের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন এর পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তর পতেঙ্গা সি ইউনিট বিএনপি নেতা হাজী ইলিয়াছ হোসেন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিবৃষ্টির কারণে পানি বন্দি পরিবার এর মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

ইকবাল হোসেন পানিবন্দি মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং মাইজপাড় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উত্তর মাইজপাড়া ৪১ নং এবং ৪০ নং ওর্য়াড় মাইজপাড়া এলাকার ২০০ পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

এ সময় নেতৃবৃন্দরাসহ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 2:34 pm
জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, জেলা-উপজেলার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে সকালে ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছান। তার আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দিয়ে ঢামেকের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানান।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

বন্যা-পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, দুর্বিষহ লাখো মানুষের জীবন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 12:35 pm
বন্যা-পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, দুর্বিষহ লাখো মানুষের জীবন

টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে গত ৭ দিন ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা কক্সবাজারের প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ। গত রোববার (৫ জুলাই) থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) পর্যন্ত এ জেলায় পানিতে ডুবে এবং পাহাড়ধসে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ শুক্রবার দুপুরে, চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নে বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে রসুলাবাদ এলাকার আবদুল মালেকের মেয়ে হাসনাতুল জান্নাত ঝর্ণার (১২) মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঝর্ণার দুই বোনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় যারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

আগের দিন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে মাইজ কাকারা এলাকায় পানিতে ডুবে প্রাণ হারায় স্থানীয় সোলতান আহমদের ২ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ওয়াকিম।

একই দিন সকালে বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে চকরিয়া থেকে বিভক্ত হয় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার আরিফুল ইসলামের ছেলে পুষ্পর (৩) এর মৃত্যু হয়। এছাড়া একইদিন ভোরে চকরিয়া উপজেলার মছনিয়া কাটা এলাকায় বসতঘরের ওপর পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে মারা যায় একটি পরিবারের দুই শিশু। কক্সবাজার সদর উপজেলা, পেকুয়া ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৫ জন রোহিঙ্গাসহ আরও ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের তথ্যানুযায়ী, বন্যায় ১০টি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের অন্তত ১৫০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা বন্যার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি সদর উপজেলা, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম বলেন, বান্দরবান শহর থেকে পানি নামতে শুরু করায় মাতামুহুরি নদীর পানিও বেড়েছে। তাই চকরিয়া ও পেকুয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার (মাতামুহুরীর অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) বলেন, চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে এক লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। ৯৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া দুর্গতদের শুকনো খাবারসহ জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত এবং পানি দ্রুত নামাতে স্লুইস গেটগুলো সচল রাখতে প্রশাসন সার্বক্ষণিক কাজ করছে বলে জানান তিনি।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ রহমান বলেন, সরকারি হিসেবে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬২ জন যার মধ্যে ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে ১৪ হাজার ৬১ জন।

এছাড়া তিনি জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২০০ টন চাল, ৪৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১২ লাখ ৪৫ হাজার নগদ টাকা। ত্রাণ বিতরণ এবং জরুরি সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য কন্ট্রোল রুম চালু করেছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, শুক্রবার রাত পর্যন্ত জেলায় গত ৬ দিনে ৭শ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি এবং নতুন করে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।

এ কারণে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকার জন্য স্থানীয় সতর্ক সংকেত নম্বর ৩ বহাল রয়েছে বলে জানান আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান।