খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেএসআরএম ভবিষ্যৎ স্থপতি পুরস্কার পেল তিন মেধাবী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
কেএসআরএম ভবিষ্যৎ স্থপতি পুরস্কার পেল তিন মেধাবী

ভবিষ্যৎ স্থপতিদের উৎসাহ দিতে দেশের অন্যতম বৃহৎ ইস্পাত শিল্পপ্রতিষ্ঠান কেএসআরএম ও ইন্সটিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি)-এর যৌথ উদ্যোগে অ্যাওয়ার্ড ফর ফিউচার আর্কিটেক্ট শিরোনামে দ্বিতীয় বারের মতো তরুণ স্থপতিদের থিসিস প্রকল্পের উপর এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

এ উপলক্ষে গত ২০ ডিসেম্বর অনলাইনে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয় এবং প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

২০ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬দিন ব্যাপি অনলাইনে ভার্চুয়াল গ্যালারির মাধ্যমে এ অভিনব প্রদর্শনী চলবে। মূলত নবীন স্থপতিদের উৎসাহ দিতে ‘কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ডস ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস : বেস্ট আন্ডারগ্র্যাজুয়েট থিসিস’ শিরোনামে এই অ্যাওয়ার্ড চালু করে উদ্যোক্তারা।

ওইদিন অনলাইনে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন আইএবির সভাপতি স্থপতি জালাল আহমেদ ও কেএসআরএমের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদুর রহমান, এনডিসি, পিএসসি (অব.)।

প্রদর্শনীতে আইএবি অন্তর্ভুক্ত দেশের অন্যতম ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্থপতি বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রদের সেরা তিনটি করে মোট ৩০ টি প্রকল্প প্রদর্শন করা হচ্ছে।

প্রজেক্ট নির্বাচনে জুরি বোর্ডে ছিলেন স্থপতি হারুন-অর-রশিদ, স্থপতি জালাল আহমেদ, ড. নাসরিন হোসাইন, স্থপতি আশিক ভাস্কর মান্নান, স্থপতি রাশেদ হাসান চৌধুরী।

জুরি বোর্ড ৩০ প্রকল্প থেকে সেরা তিনটি প্রকল্পকে সেরা এবং দুটি প্রকল্পকে বিশেষভাবে প্রশংসিত হিসেবে নাম ঘোষণা করে।

প্রতিযোগিদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন যথাক্রমে হুমায়রা আনান (বুয়েট), সৈয়দ আফেজ উল মাহমুদ (ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক) ও নাজমুজ সাকিব (বুয়েট) এবং বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছেন দেবাশীষ রায় (বুয়েট) ও উম্মে তাহমিনা হক (ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক)।

সেরা তিন বিজয়ীর মধ্যে প্রথম বিজয়ীকে এক লাখ টাকার চেক, দ্বিতীয় বিজয়ী ৭৫ হাজার টাকার চেক, তৃতীয় বিজয়ীকে ৫০ হাজার টাকার চেক দেওয়া হবে। এছাড়াও দেওয়া হবে বিজয়ী এবং বিশেষভাবে প্রশংসিত দুই অংশগ্রহণকারীকে প্রশংসাপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট।

প্রতিযোগীদের গবেষণাপত্র ও মডেল অনলাইনে প্রদর্শিত হবে এই লিংকে : https://artspaces.kunstmatrix.com/en/exhibition/3601201/kafa-2020

২৪ ঘণ্টা/রাজীব

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…