খুঁজুন
, ,

বৃক্ষরোপনে উদ্বুদ্ধ করতে ত্রিশাল থেকে পদযাত্রা শেষ হবে বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়িতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 29 December, 2020, 4:38 pm
বৃক্ষরোপনে উদ্বুদ্ধ করতে ত্রিশাল থেকে পদযাত্রা শেষ হবে বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়িতে

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : বৃক্ষরোপনে উদ্বুদ্ধ করতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ফলদ বাংলাদেশ’ ত্রিশাল থেকে পায়ে হেঁটে বৃহস্পতিবার বিকেলে খাগড়াছড়ি পৌঁছাবে।

গত ১৬ ডিসেম্বর গাছের গুরুত্ব, উপকারিতা এবং পরিবেশ ও বাসস্থানের জন্য ক্ষতিকারক বৃক্ষের প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ৪’শ কিলোমিটার পদযাত্রার সমাপ্তি ঘটবে খাগড়াছড়িতে।

১৬ ডিসেম্বর ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে এই পদযাত্রা। পথে তারা ৭টি জেলাসহ ২৪টি উপজেলাসহ দেড় শতাধিক বাজারে ক্যাম্পেইন করবে।

এই ১৬ দিনে দলটি সারাদিন পদযাত্রা করে ময়মনসিংহের গফুরগাঁও, কিশোরগঞ্জ, কটিয়াদী, ভৈরব, ব্রাম্মণবাড়িয়া, কসবা, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা, চৌদ্দগ্রাম, ফেনী, চট্টগ্রামের বারৈয়ারহাট, রামগড়, জালিয়াপাড়া, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা হয়ে খাগড়াছড়ি শহর পর্যন্ত ৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবে।

এই আয়োজনের অগ্রভাগে রয়েছেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দ্রাবিড় সৈকত, সেকশন অফিসার মাহমুদুল আহসান লিমন, নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী রাতুল মুন্সি, হুমায়ুন কবির টুটুল, শাহীন আলম, সুজালো চাকমা, স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী নিউটন চাকমা, ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থী রঞ্জিত কুমার ও ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের শিক্ষার্থী ছাব্বির আনাম রেজা। ক্যাম্পেইনকালে এ ৯ সদস্যের সঙ্গে যুক্ত হবেন সংগঠনের স্থানীয় সদস্যরা।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক দ্রাবিড় সৈকত বলেন, বাংলাদেশে অপরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ হচ্ছে। বিদেশি দাতা সংস্থাগুলো তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাকে কাজে লাগাচ্ছে। সার, বীজের ব্যবসাকে পাকাপোক্ত করার জন্য পরিবেশের জন্য বিপর্যয়কর জেনেও ক্ষতিকর বৃক্ষরোপণ করছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশের তথা পরিবেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তাই আমরা মাঠে নেমেছি।

বৃক্ষপদযাত্রার টিমলিডার মাহমুদুল আহসান লিমন বলেন, পরিবেশের জন্য বৃক্ষ অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু বৃক্ষকে ব্যবসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদ ও জনসচেতনতার জন্যই মূলত আমরা এ কর্মসূচি নিয়েছি।

তিনি জানান, ২০১২ সাল থেকে ফলদ বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তার ওপর কাজ করছেন তারা। এ পর্যন্ত তারা দেশের নানা প্রান্তে দুই লাখ ৭৫ হাজার ফলদ বৃক্ষরোপণ করেছেন। সেগুলোর ৯৫ ভাগই টিকে আছে।

খাগড়াছড়ি পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন-এর সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী ও সা: সম্পাদক মুহাম্মদ আবু দাউদ জানান, ‘ফলদ বাংলাদেশ’-এর এই পদযাত্রা পরিবেশ-প্রকৃতি সংরক্ষণে একটি সময় উপযোগী সাহসী উদ্যোগ। খাগড়াছড়ি এসে পৌঁছানোর প্রাক্কালে বুধবার বিকেলে তাঁদের শহর সংলগ্ন সুবিধাজনক স্থানে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হবে।

‘ফলদ বাংলাদেশ’ পদযাত্রীরা বৃহস্পতিবার সকালে খাগড়াছড়ি শহীদ দেীতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, ফলদ বাগানীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত, সাংবাদিকদের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পরিবেশকর্মীদের সাথে সভা করবেন।

২৪ ঘণ্টা/প্রদীপ

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:12 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’