খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধ ও জিয়াউর রহমান একসূত্রে গাঁথা: শামীম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
মুক্তিযুদ্ধ ও জিয়াউর রহমান একসূত্রে গাঁথা: শামীম

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস পরিপূর্ণ পাবে তখন, যখন স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের অবদানকে স্বীকার করা হবে। এই চট্টগ্রামের মাটি থেকে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। সে ঘোষণায় সাড়া দিয়ে দেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সশস্ত্রবাহিনীসহ সকলে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বসে থাকেননি, তিনি রণাঙ্গনে শত্রুর মোকাবেলা করে জীবনবাজি রেখে আমাদের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও জিয়াউর রহমান একইসূত্রে গাঁথা। জিয়াউর রহমানকে অস্বীকার করা মানে মুক্তিয্দ্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অস্বীকার করা।

আজ রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নগরীর কাজীর দেউড়ি নাসিমন ভবনস্থ মাঠে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান কোনো খেতাবের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেননি। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর হাত থেকে শোষিত নিপীড়িত নির্যাতিত দেশের মানুষকে রক্ষা করার জন্য য্দ্ধু করেছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ এখন সে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধকে বিক্রি করে দেশের গণতন্ত্রকে বার বার হত্যা করেছে। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা বলতে দেশে কিছু নেই। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে একটি মাফিয়া রাষ্ট্র হিসাবে পরিচিত করেছে। এ্ই ফ্যাসিবাদ সরকার বিএনপিকে ধংস করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। মিথ্যা সাজানো মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে রাখা হয়েছে। তিনি এখনো মুক্ত নন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। একইভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে একের পর এক মিথ্যা মামলায় দিয়ে সাঁজা দিয়ে আসছে। শেখ হাসিনার সরকার তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় আতঙ্কিত হয়ে একের পর এক ষড়যন্ত্র করছে। হাজারো ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে বিএনপি এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘুরে দাড়িয়েছে। এ সরকারের অনিয়ম, দূর্নীতি, লুটপাটের বিরুদ্ধে আমাদের ইস্পাত কঠিন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পিছনে তাঁকানোর আর কোনো সুযোগ নেই, এবার সামনে যাওয়ার পালা। মানুষের ভোটাধিকার গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতীক। তিনি এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষের মুক্তির নায়ক। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও স্বাধীনতার মহান ঘোষক। জিয়াউর রহমান ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না। এদেশের ১৬ কোটি মানুষের হৃদয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান আছেন। খেতাব কেড়ে নিতে পারবে ফ্যাসিবাদ এ সরকার, কিন্তু জনগণের ভালোবাসা কেড়ে নিতে পারবে না।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছেন। পাকিস্তানি আর্মিতে থাকা অবস্থায় সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। আমরা বলে দিতে চাই, শহীদ জিয়াউর রহমানের সৈনিকরা বেঁচে থাকতে শহীদ জিয়া ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র হলে তাঁর দাতভাঙা জবাব দিতে হবে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আহবায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন, আবদুল গাফফার চৌধুরী, নাজমুল মোস্তফা আমিন, জামাল হোসেন, আবু মো. নিপার, মোজাম্মেল হক ভিপি, হুমায়ন কবির আনসার, লায়ন হেলাল উদ্দিন, এহসানে মওলা, বাঁশখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান, বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইছহাক চৌধুরী, বাঁশখালী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব চেয়ারম্যান রেজাউল হক চৌধুরী, বোয়ালখালী পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক শহীদুল্লাহ, সদস্য সচিব ইউসুফ চৌধুরী, আলহাজ্ব হাসান চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান আবুল কালাম আবু, সরোয়ার হোসেন, এডভোকেট শওকত ওসমান, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শহীদুল আলম শহীদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল কবির ফজলু, ওলামা দলের আহবায়ক মৌওলানা ফোরকান, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক হাফেজ মৌওলানা আবদুল করিম, সদস্য সচিব মাহফুজুর রহমান আনিস প্রমুখ।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।