খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হেফাজতের পক্ষে স্ট্যাটাস দেয়ায় সীতাকুণ্ডে দুই ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১, ১১:১০ অপরাহ্ণ
হেফাজতের পক্ষে স্ট্যাটাস দেয়ায় সীতাকুণ্ডে দুই ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি

কামরুল ইসলাম দুলু: হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া এবং শেয়ার করায় সীতাকুণ্ড উপজেলায় দুইজন ছাত্রলীগ নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এরা হচ্ছে উপজেলার ৯নং ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন এবং ৮নং সোনাইছড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক মোঃ আজিজুল হক আজিজ।

ভাটিয়ারী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ শাহিন আহমেদ ও সোনাইছড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিনের সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

জানাযায়, সংসদে হেফাজতের যুগ্ন মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের বিরোধিতা করে একব্যক্তি ফেসবুকে শেয়ার দেয় আর সেটি শেয়ার করে ভাটিয়ারী ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড সভাপতি গিয়াস উদ্দিন। অপরদিকে মাওলানা মামুনুল হকের ঘটনা নিয়ে তারপক্ষে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয় সোনাইছড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ প্রচার সম্পাদক আজিজ। দুইজনের বিষয়টি দলের দৃষ্টিগোচর হলে সংগঠনের নীতি আদর্শ ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাদেরকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এব্যাপারে সোনাইছড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক মোঃ আজিজুল হক আজিজ বলেন, আমি দীর্ঘদিনের মজিবাদর্শের একজন সৈনিক। জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই আমি এ আদর্শ লালন করছি। আমার ফইসবুক আইডি হ্যাক হওয়ার কারণে কে বা কাহারা আমার আইডি থেকে মামুনুল হকের পক্ষে স্ট্যাটাস দেয়। আইডি উদ্ধার হওয়ার পর আমি পোষ্টটি ডিলেট করে দিই। দল থেকে অব্যাহতির বিষয়টি দুঃখজনক।

ভাটিয়ারী ছাত্রলীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমার ব্যবহৃত মোবাইল সেটটি চুরি হয়ে যায়। যারা চুরি করেছে তারাই পোষ্টটি শেয়ার করেছে। মোবাইল চুরির বিষয়টি আমি থানাকেও অবহিত করেছি।

এদিকে দুই ছাত্রলীগ নেতার অব্যাহতি বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন, দুইজনই হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের পক্ষে স্ট্যাটাস দিয়েছে যা সংগঠনের নীতি আদর্শ ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ। এ কারনে সংগঠন থেকে দুইজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…