খুঁজুন
, ,

বুলবুল মোকাবেলায় সন্দ্বীপে ব্যাপক প্রস্তুতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 9 November, 2019, 8:52 pm
বুলবুল মোকাবেলায় সন্দ্বীপে ব্যাপক প্রস্তুতি

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলা প্রশাসন ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৯ নম্বর মহবিপদ সংকেত এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ৭ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

শনিবার (৯ নভেম্বর) জরুরি প্রস্তুতিমূলক সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিদর্শী সম্বৌধি চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, গণমাধ্যম কর্মী ছাড়াও সিপিবির কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ইউনিটের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিদর্শী সন্বোধী চাকমা বলেন,সন্দ্বীপে ১১০টি সাইক্লোন শেল্টার মানুষের অবস্থানের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে, পাঁচ হাজার লোক শেল্টারে অবস্থান নিয়েছেন। এবং শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন উপকরণ স্টকসহ একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ও রাতে খাওয়ার পর বেশির ভাগ লোক শেল্টারে ফিরবেন বলে মনে করি।

দুর্যোগপূর্ণ আবহওয়ার কারণে সন্দ্বীপের সঙ্গে বাহিরের সকল প্রকার নৌ-যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ৯৫টি ভলন্টিয়ার টিম, ইউনিয়নভিত্তিক স্কাউট দল, নয়টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে লোকজনকে সরিয়ে আনার জন্য ব্যাপক মাইকিং করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবেলায় ও ক্ষয়-ক্ষতি কমিয়ে আনতে চট্টগ্রাম জেলার উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্যোগে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে প্রচারণা শুরু করেছে।

সিপিপি’র কর্মীদের সাথে বৈঠক করেছেন পৌর মেয়র জাফর উল্যাহ টিটু

শনিবার সকাল থেকে হরিশপুর ২নং ইউনিট সিপিপির স্বেচ্ছাসেবক সহ সকল ইউনিট একযোগে প্রচার প্রচারনা শুরু করেন। পুরুষের পাশাপাশি নারী স্বেচ্ছাসেবকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। রাস্তা,বেড়িবাঁধে মানুষকে সচেতন করছে। এছাড়াও পরিত্যাক্ত সাইক্লোন সেল্টারকে অবস্থানের উপযোগী করা হয়েছে।

পৌর মেয়র জাফর উল্যা টিটু সিপিপি হরিশপুর ২নং ইউনিটের সাথে বৈঠক করে তাদেরকে সর্বসাধারণের পাশে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক সহযোগীতা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

পৌর-আওয়ামী সভাপতি মোক্তাদের মাওলা সেলিম, কমিশনার শাহাদাৎ বিল্লাহ খাঁন মহসিন ও ইউনিয়ন টিম লিডার মো. দুলাল জনগণকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে প্রচারণা চালিয়েছেন।

সন্দ্বীপ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোক্তাদের মাওলা সেলিম জানান পৌর এলাকায় সিপিপির স্বেচ্ছাসেবক সহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সদস্যদের নিয়ে আমি সর্বোচ্চ প্রচারণা চালিয়েছি। যারা এখনো শেল্টারে ফেরেননি তাদের রাতে গিয়ে আমরা নিয়ে আসবো শেল্টারে।

২ নং ইউনিটের টিম লিডার কার্তিক চক্রবর্তী,বাদল রায় স্বাধীন,মিঠু মজুমদার,পলি রানী নাথ,অশ্রু বিশ্বাস,ঝিনুক বিশ্বাস,সীমা ভদ্র, সতি রানী ভদ্র, পাভেল রায়, প্রান্ত চক্রবর্তী ও শুভ দে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন।

বাদল রায় স্বাধীন জানান, সর্বোচ্চ প্রচারণা চালিয়ে আমরা মানুষকে সচেতন করেছি। আশা করি, সন্ধ্যার মধ্যে সবাই সেল্টারে আশ্রয় নেবে। আমাদের প্রচারণায় গর্ভবতী, প্রসূতি নারী ও প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধদের সবার আগে শেল্টারে নেওয়ার আহবান করেছি। আমার সহযোগী সকল স্বেচ্ছাসেবক যেকোনো সময় প্রস্তুত রয়েছে। এবং ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত বিপদ সীমা নিচে নামা পর্যন্ত সকলে সক্রিয় থাকবে সেটা প্রত্যাশা করছি।

সিপিপির পরিচালক নজরুল ইসলাম জানান, সন্দ্বীপের ১৫টি ইউনিয়নের ১৪৬ ইউনিটের ৭৩০ নারী ভলান্টিয়ার ১৪৬০ পুরুষ ভলান্টিয়ারসহ মোট ২১৯০ জন ভলান্টিয়ার দুর্যোগের প্রস্তুতি মুলক প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছে।

মগধারা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন প্রচারণা চালাচ্ছেন

মগধরা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন তার ইউনিয়নের জনগণকে নিরাপদে সরে যেতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন। তিনি বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে সাইক্লোন সেন্টারে আশ্রয় নিতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন।

এদিকে সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা দুর্যোগ আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে সন্দ্বীপবাসীর পাশে দাঁড়াতে নিজের সংসদীয় এলাকায় ফিরে এসে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সকল দপ্তরের অফিসারদের নিয়ে জরুরি সভায় অংশগ্রহণ করে দুর্যোগ মোকাবেলার সর্বশেষ আপডেট জেনে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়েছেন।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ৭ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।