খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রেম করে মারতে রাজি, মরতে রাজি নই : পরীমণি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১:১৯ অপরাহ্ণ
প্রেম করে মারতে রাজি, মরতে রাজি নই : পরীমণি

প্রেম করতে রাজি পরীমণি। মারতেও রাজি তিনি, কিন্তু মরতে রাজি নন। ফেসবুকে সে কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন হালের এই আলোচিত নায়িকা।

নানান কাণ্ডে বর্তমান সময়ে ঢালিউডের এই নায়িকা আলোচনা ও বিতর্কে জর্জরিত। প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ তুলে নিজেই মাদক মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেফতার হন। এরপর রিমান্ড ও কারাগারে থাকা নিয়ে গত জুন মাস থেকে এই অভিনেত্রীর জীবন অনেকটা তোলপাড়। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরও ফেসবুকে তাঁর একের পর এক বার্তা প্রতিদিনই শিরোনামে নিয়ে আসছে। মঙ্গলবারও একই ঘটনা ঘটেছে। তার নতুন বার্তায় ফের তিনি খবরের শিরোনামে।

ফেসবুকে অন্যের লেখা একটি পোস্ট শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘টেন-এর পরে আমি তো আর গুনতে পারি না, ডাইনে বামে কে যে প্রেমিক চিনতে পারি না, প্রেমের মড়া সে তো নাকি জলে ডোবে না, আমি প্রেম করতে রাজি, মারতে রাজি, মরতে রাজি না।’

শেষে লেখা, ‘এর স্বত্ব তাপসের।’ তাপস বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী। পরীমণির লেখা থেকে ধারণা করা যেতে পারে, এই পংক্তি তাঁর নিজের নয়, কোনও গানের। কিন্তু সে কথা স্পষ্ট করে লেখা নেই। এই কথাগুলি কি কেবল ফেসবুকে দেওয়ার জন্যেই? নাকি নিজের মনের কথাই বলতে চাইলেন এ ভাবে? কোথাও কি তিনি অজস্র কটূক্তি, অপমানজনক মন্তব্য, কটাক্ষ, ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রচ্ছন্ন বার্তা দিলেন এই লেখার মাধ্যমে? এমন প্রশ্ন ভক্তদের।

জামিনে মুক্তির পর গত কয়েক দিন ধরে ফেসবুকে একাধিক বার্তা দেন পরীমণি। কখনও জ্বলন্ত সিগারেট হাতে ছোট পোশাক এবং চোখে সাদা চশমা পরে সিংহাসনের মতো চেয়ারে বসে ছবি দেন তিনি। সঙ্গে বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ মেনে লেখেন, ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।

কখনও আবার লাল পোশাকে লম্বা দু’টি ঝুঁটি বেঁধে তিনি লেখেন, ‘যে জীবন ভালবাস, সেই জীবনটাই যাপন কর, যে জীবন যাপন কর, সেই জীবনটাই ভালবাস।’

এ কথায় ব্যক্তিগত জীবনে বড় ধরণের ধাক্কা খাওয়া পরেও থেমে থাকেননি পরী। থেমে থাকবেনও না, সে কথাই বার বার প্রমাণ করছেন নায়িকা।

বোঝাই যাচ্ছে- নতুন এই বার্তায় একই উদ্দেশ্য তার, নিজের উপর আক্রমণকারীদের কড়া জবাব দিচ্ছেন কঠিন কঠিন শব্দমালা দিয়ে।

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…