খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে রেলের পরিত্যক্ত জায়গায় উচ্ছেদ ঠেকাতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০২২, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
সীতাকুণ্ডে রেলের পরিত্যক্ত জায়গায় উচ্ছেদ ঠেকাতে মানববন্ধন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কুমিরা রেলওয়ে কলোনিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার সকাল ১০ টায় কুমিরা মাজার গেইটস্থ মহাসড়কের বাইপাস রোডে দেড় ঘন্টার মানববন্ধনে শত শত নারী-পুরুষ অংশ গ্রহন করে। এর আগে একটি মিছিল কলোনী থেকে বের হয়ে মহাসড়ক পদক্ষিণ করে।

মানববন্ধনে একাত্মতা জানান কুমিরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোরশেদ হোসেন চৌধুরী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলাউদ্দিন।

জানা যায়, ১৯৯১ সালে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাসের পর ভিটে বাড়ি হারা তিনশ পরিবার কুমিরা রেলওয়ে স্টেশনের উত্তরে রেলের পরিত্যক্ত জায়গায় বসবাস শুরু করে।

তিনশ পরিবারের প্রায় ১ হাজার মানুষ দীর্ঘ ৩১ বছর ওই পরিত্যক্ত জায়গা বাস্তহারা ও দখলদার হিসেবে বসবাস করছেন।

এখানকার বসবাসরত নুর ইসলাম বলেন, ১৯৯১ সালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আমরা তিনশ পরিবার রেলের পরিত্যক্ত জায়গাতে কাঁচা ঘর তৈরী করে আছি। রেলওয়ে ভূমি সংরক্ষণ নীতিমালায় রেলওয়ে কলোনি ও স্টেশন ইয়ার্ড এলাকায় কোন প্রকার লিজ প্রদান করা যায় না। তাই আমরা উক্ত ভূমি লিজের জন্যে রেলওয়ে প্রশাসনের নিকট আবেদন করি নাই।

কিন্তু আমরা জানতে পেরেছি টি.কে গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রি এর অনুকুলে আলহাজ্ব আবুল কালাম নামে একজনকে আমাদের ৩১ বছর ধরে দখলীয় ভূমির মধ্যে ১.৩৩ একর ভূমি রেলওয়ে প্রশাসন কৃষি লিজ প্রদান করেছে। এরপর থেকে ওই কোম্পানিকে জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া জন্যে আমাদের উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা নিচ্ছে রেলওয়ে।

এব্যাপারে কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান মোরশেদ হোসেন চৌধুরী বলেন, রেলের পরিত্যক্ত জায়গাতে তিনশ পরিবারের প্রায় ৩১ বছর ধরে বসবাস করে আসছে।

বর্তমানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অন্যায়ভাবে ওই জায়গা একটি কোম্পানিকে লিজ দিয়ে ওই ভূমিহীন মানুষগুলোকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা করছে। ওই পরিবারগুলোকে আগে পুর্ণবাসনের ব্যবস্থা করে তারপর উচ্ছেদ করতে হবে।

২৪ ঘন্টা/এন রানা

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…