খুঁজুন
, ,

‘চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি পদে গোলাম কিবরিয়াকে কেনো অপরিহার্য’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 23 May, 2022, 12:54 am
‘চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি পদে গোলাম কিবরিয়াকে কেনো অপরিহার্য’

একটি দলের ভবিষ্যত নির্ভর করে তার ছাত্র এবং যুব নেতৃত্বের উপর। ছাত্র এবং যুব নেতৃত্ব যদি শিক্ষিত এইমিং এবং অনেস্ট হয়, দলের আদর্শের প্রতি অবিচল এবং দেশ মাটি মায়ের প্রতি অবিডিয়েন্ট থাকে তাহলে দেশ এবং দলের ভবিষ্যত নিঃসন্দেহে উজ্জ্বল হয় বহুলাংশে। তাছাড়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নেতৃত্ব প্রদান করাটাও এখন বেশ চ্যালেঞ্জের।

তাছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশে আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতিতে যে শুদ্ধ পথচলা শুরু হয়েছে তা রক্ষা করাও আওয়ামী যুবলীগের জন্য অপরিহার্য, তবে কঠিন ও বটে-যদি না নেতৃত্ব শিক্ষিত নির্লোভ সৎ তীক্ষ্ম দূরদৃষ্টি সম্পন্ন না হন!

উপরের কথাগুলোর প্রেক্ষিতে এবং আগামীর পরিবর্তিত দেশীয় চ্যালেঞ্জিং রাজনীতির কথা মাথায় রেখে চট্টগ্রাম উত্তরের রাজনীতি সচেতন নাগরিকগণ মনে করেন আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি পদে গোলাম কিবরিয়া বেশ মাননসই।

কারণ তার রয়েছে একাডেমিক উচ্চতর ডিগ্রি এবং ছাত্র নেতৃত্বদানের উজ্জ্বল ইতিহাস। উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সদস্য থাকার সুবাদে স্থানীয় আইন শৃঙ্খলার বিষয়ে রয়েছে তার হাতে কলমে অভিজ্ঞতা।

জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা (থানা পর্যায়ে) উপকমিটির সদস্য থাকার সুবাদে জানতে পেরেছেন সুষ্ট গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার প্রয়োজনীয়তা। ভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মনোভাব আকুলতা প্রত্যক্ষ করেছেন মাঠে থেকে।

ব্যক্তিগতভাবে বন্ধুবৎসল জনবান্ধব হওয়ায় আপামর মানুষের সাথে রয়েছে বেশ সখ্যতা আন্তরিকতা। যা খুব কম দেখা যায় অন্যান্য ছাত্র যুব নেতাদের মাঝে।

প্রচারবিমুখ কিবরিয়া বেশ সরব সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এবং কষ্টে। ডাক পেলে রাতবিরাতে কিবরিয়া ছুটে চলেছেন মানুষের কাছে। যা তাকে দিয়েছে আলাদা মর্যাদা।

দলীয় রাজনীতি কিংবা দলের আদর্শের প্রতি অবিচল এখন অবধি। অনেকের মতো দান দক্ষিণায় দল দেশ আদর্শকে বিকিয়ে দেননি কিবরিয়া। তার এই দৃঢ় চরিত্রের কথা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ফোরামে বেশ আলোচিত এবং প্রশংসিত।

ক্ষমতা প্রভাবের কাছাকাছি কিংবা এর ভিতরে যারা থাকেন তারা সাধারণত ধরাকে সরা জ্ঞান করেন না, এখানেই কিবরিয়াকে ব্যতিক্রম দেখা গেছে। নিজে যখন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন তখন দেখা গেছে সাধারণ ছাত্রদের সাথে মিশে কাজ করতে। কখনো কোন সময় অহঙ্কার তাকে স্পর্শ করতে দেখা যায়নি। অথচ সর্বদা নিজ ব্যক্তিত্ব দিয়ে দলের পক্ষে কাজ করে গেছেন নিরলস ভাবে।

আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার সরকার গঠনের পর থেকে দেখা যায়, নব্য সুবিধাবাদী হাইব্রিড কাউয়া লীগের ছড়াছড়ি। যাদের পরিবার কখনোই আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয় তারাই বর্তমানে হর্তাকর্তা। সেখানেও আওয়ামী রাজনীতির সাথে কিবরিয়ার পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ়। তিনি এবং তার ভাই সেই স্কুল জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। প্রথমে স্কুল ছাত্রলীগ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ থানা হয়ে জেলা পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মনোনীত হয়েছিলেন।
সেপ্রেক্ষিতে বলা যায়, কিবরিয়ার হাতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিরাপদ।

পরিশেষে এটুকুই বলি, কোন কালোশক্তি রাতের খেলা পেশিশক্তি টাকার খেলা বা লবিং যদি কোন কালো ছোবল কিংবা মরণ কামড় দিতে না পারে, তাহলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের নীতিনির্ধারণী ফোরাম সুন্দর মানবিক যুবলীগের পথচলা অব্যাহত রাখতে বঙ্গবন্ধু কন্যার পরিক্ষীত সৈনিক পরিচ্ছন্ন শিক্ষিত ডাইনামিক যুব লিডার গোলাম কিবরিয়াকে বেচে নিবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি হিসেবে।

সুন্দর মানবিক যুবলীগের পথচলা অব্যাহত থাকুক
গোলাম কিবরিয়া সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হোক।

🖋যিকরু হাবিবীল ওয়াহেদ | রাজনীতিক বিশ্লেষক

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।