খুঁজুন
রবিবার, ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি পদে গোলাম কিবরিয়াকে কেনো অপরিহার্য’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মে, ২০২২, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
‘চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি পদে গোলাম কিবরিয়াকে কেনো অপরিহার্য’

একটি দলের ভবিষ্যত নির্ভর করে তার ছাত্র এবং যুব নেতৃত্বের উপর। ছাত্র এবং যুব নেতৃত্ব যদি শিক্ষিত এইমিং এবং অনেস্ট হয়, দলের আদর্শের প্রতি অবিচল এবং দেশ মাটি মায়ের প্রতি অবিডিয়েন্ট থাকে তাহলে দেশ এবং দলের ভবিষ্যত নিঃসন্দেহে উজ্জ্বল হয় বহুলাংশে। তাছাড়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নেতৃত্ব প্রদান করাটাও এখন বেশ চ্যালেঞ্জের।

তাছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশে আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতিতে যে শুদ্ধ পথচলা শুরু হয়েছে তা রক্ষা করাও আওয়ামী যুবলীগের জন্য অপরিহার্য, তবে কঠিন ও বটে-যদি না নেতৃত্ব শিক্ষিত নির্লোভ সৎ তীক্ষ্ম দূরদৃষ্টি সম্পন্ন না হন!

উপরের কথাগুলোর প্রেক্ষিতে এবং আগামীর পরিবর্তিত দেশীয় চ্যালেঞ্জিং রাজনীতির কথা মাথায় রেখে চট্টগ্রাম উত্তরের রাজনীতি সচেতন নাগরিকগণ মনে করেন আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি পদে গোলাম কিবরিয়া বেশ মাননসই।

কারণ তার রয়েছে একাডেমিক উচ্চতর ডিগ্রি এবং ছাত্র নেতৃত্বদানের উজ্জ্বল ইতিহাস। উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সদস্য থাকার সুবাদে স্থানীয় আইন শৃঙ্খলার বিষয়ে রয়েছে তার হাতে কলমে অভিজ্ঞতা।

জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা (থানা পর্যায়ে) উপকমিটির সদস্য থাকার সুবাদে জানতে পেরেছেন সুষ্ট গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার প্রয়োজনীয়তা। ভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মনোভাব আকুলতা প্রত্যক্ষ করেছেন মাঠে থেকে।

ব্যক্তিগতভাবে বন্ধুবৎসল জনবান্ধব হওয়ায় আপামর মানুষের সাথে রয়েছে বেশ সখ্যতা আন্তরিকতা। যা খুব কম দেখা যায় অন্যান্য ছাত্র যুব নেতাদের মাঝে।

প্রচারবিমুখ কিবরিয়া বেশ সরব সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এবং কষ্টে। ডাক পেলে রাতবিরাতে কিবরিয়া ছুটে চলেছেন মানুষের কাছে। যা তাকে দিয়েছে আলাদা মর্যাদা।

দলীয় রাজনীতি কিংবা দলের আদর্শের প্রতি অবিচল এখন অবধি। অনেকের মতো দান দক্ষিণায় দল দেশ আদর্শকে বিকিয়ে দেননি কিবরিয়া। তার এই দৃঢ় চরিত্রের কথা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ফোরামে বেশ আলোচিত এবং প্রশংসিত।

ক্ষমতা প্রভাবের কাছাকাছি কিংবা এর ভিতরে যারা থাকেন তারা সাধারণত ধরাকে সরা জ্ঞান করেন না, এখানেই কিবরিয়াকে ব্যতিক্রম দেখা গেছে। নিজে যখন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন তখন দেখা গেছে সাধারণ ছাত্রদের সাথে মিশে কাজ করতে। কখনো কোন সময় অহঙ্কার তাকে স্পর্শ করতে দেখা যায়নি। অথচ সর্বদা নিজ ব্যক্তিত্ব দিয়ে দলের পক্ষে কাজ করে গেছেন নিরলস ভাবে।

আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার সরকার গঠনের পর থেকে দেখা যায়, নব্য সুবিধাবাদী হাইব্রিড কাউয়া লীগের ছড়াছড়ি। যাদের পরিবার কখনোই আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয় তারাই বর্তমানে হর্তাকর্তা। সেখানেও আওয়ামী রাজনীতির সাথে কিবরিয়ার পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ়। তিনি এবং তার ভাই সেই স্কুল জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। প্রথমে স্কুল ছাত্রলীগ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ থানা হয়ে জেলা পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মনোনীত হয়েছিলেন।
সেপ্রেক্ষিতে বলা যায়, কিবরিয়ার হাতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিরাপদ।

পরিশেষে এটুকুই বলি, কোন কালোশক্তি রাতের খেলা পেশিশক্তি টাকার খেলা বা লবিং যদি কোন কালো ছোবল কিংবা মরণ কামড় দিতে না পারে, তাহলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের নীতিনির্ধারণী ফোরাম সুন্দর মানবিক যুবলীগের পথচলা অব্যাহত রাখতে বঙ্গবন্ধু কন্যার পরিক্ষীত সৈনিক পরিচ্ছন্ন শিক্ষিত ডাইনামিক যুব লিডার গোলাম কিবরিয়াকে বেচে নিবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি হিসেবে।

সুন্দর মানবিক যুবলীগের পথচলা অব্যাহত থাকুক
গোলাম কিবরিয়া সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হোক।

🖋যিকরু হাবিবীল ওয়াহেদ | রাজনীতিক বিশ্লেষক

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।