খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ তিন ডাকাত আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৩, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
লোহাগাড়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ তিন ডাকাত আটক

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দরবেশ হাট ডিসি সড়কের মজিদার পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র ও ডাকাতির সরঞ্জামসহ তিন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

এসময় তাদের কাছ থেকে ১টি দেশীয় তৈরী এলজি, একটি সুইচ গিয়ারযুক্ত স্টিলের চাকু, ৩টি কাঠের বাটযুক্ত লোহার তৈরী লম্বা কিরিচ, দুটি লোহা কাটার স্টিলের হেক্স ব্লেট, একটি লোহার কোরাবারি, একটি হাতলযুক্ত স্টিলের স্লাইরেন্স, একটি কালো হাতলযুক্ত লোহার তৈরী প্লাস এবং তাদের ব্যবহৃত নম্বরবিহীন সিএনজি অটোরিক্সা উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের ব্রিফিংকালে লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো : আতিকুর রহমান এসব তথ্য জানান।

একইদিন ভোর সকাল ৪টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

গ্রেফতারকৃতরা ডাকাতরা হল- বাগেরহাট সদর উপজেলার মৃত ইউছুপ বিশ্বাসের পুত্র মোহাম্মাদ মানিক বিশ্বাস (৪০)। সে বর্তমানে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী এলাকায় আব্দুল জলিলের ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। একই জেলার কচুয়া উপজেলার গজালিয়া এলাকার মৃত আজাহার মৃধার পুত্র মো. আলমগীর (৫০)। সে বর্তমানে পটিয়া উপজেলার আটগাঁও দিঘীর পাড় গুচ্ছ গ্রামের ৯নং বাসায় বসবসা করে আসছেন এবং চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পশ্চিম কাঠগড় এলাকার মৃত আবদুর রশিদের পুত্র মো. হোসেন (৩৮)। বর্তমানে সে একই উপজেলার পশ্চিম কাঠগড় বাবুলের বার্মাইয়া কলোনীতে বসবাস করে আসছে।

জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত ডাকাতেরা ডাকাতির প্রস্তুতিকালে উক্ত এলাকায় লোহাগাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুন্নবীর নেতৃত্বাধীন টহল পুলিশের নজরে পড়ে। পরে তাদের গতিবিধি দেখে সন্দেহ হলে লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুস ছবুরের সহযোগিতায় পুলিশ তাদেরকে কৌশলে আটকায়। এসময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও ডাকাতির নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো : আতিকুর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতির প্রস্তুতির বিষয়ে পৃথক দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…