আধ্যাত্মিকতার পরশে দিকভ্রান্ত মানুষ পেয়েছে আলোর পথের সন্ধান:সৈয়দ মুজিবুল বশর মাইজভান্ডারী
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: ঝঁড়-বৃষ্টি-তুফান উপেক্ষা করে লাখো ভক্ত-আশেক-জায়েরীনদেও সমাগম ঘটেছে মাইজভান্ডার দরবার শরীফে। গতকাাল বুধবার ছিল মাইজভান্ডারী তরিক্বার দ্বিতীয় প্রাণ পুরুষ শাহ্সূফী সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভাণ্ডারী (ক.) এর ৮৭ তম বার্ষিক ওরশ শরীফ।
গত তিনদিন থেকে ওরশ উপলক্ষে নানান ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকান্ডের পর দেশ বিদেশের লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনা করে মুনাজাত পরিবেশর করেন সাজ্জাদানশীন সৈয়দ মুজিবুল বশর মাইজভান্ডারী।
মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় তিনি বলেন, উপমহাদেশে যেসব আউলিয়ায়ে কেরাম ও সুফি সাধকবৃন্দ ইসলামের প্রচার-প্রসার ও তরিক্বত চর্চার নিরবচ্ছিন্ন কাজ আঞ্জাম দিয়ে গেছেন, তন্মধ্যে যুগশ্রেষ্ঠ অলিয়ে কামেল হযরত ছৈয়দ মাওলানা গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারী (বাবা ভান্ডারী) র: ছিলেন অন্যতম। ইসলামের এ মহান সাধক পুরুষের অনন্য অবদান কোনভাবেই বিস্মৃত হবার নয়। বিভিন্ন অনিয়ম, অসংগতি, অন্যায়, জুলুম, অত্যাচার ও পাপাচারের মুলোৎপাটন করে জাতীয় জীবনে একটি সুস্থ সমাজ বির্নিমানে অনন্য ভুমিকা রেখেছেন। তাঁর আধ্যাত্মিকতার কোমল পরশে অসংখ্য দিকভ্রান্ত মানুষ পেয়েছে সঠিক পথের সন্ধান। এমনকি তাঁর ওফাত পরবর্তীতেও অসংখ্য-অগনিত মানুষ তাঁর ফয়েজ ও বরকত হাসিলের মাধ্যমে ধন্য হচ্ছেন নির্দ্ধিধায়। সত্যিকার অর্থে হযরত ছৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারী (র:) ছিলেন সত্যানুসন্ধানী মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। তিনি শিক্ষা দিয়েগেছেন মাইজভান্ডারী দর্শণে আছে শান্তি ও মুক্তির পথ। তাই তাঁর মত মহান অলিয়ে কামেলের আদর্শকে ধারন করেই ইসলামের মূলধারা সুন্নিয়তের প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান করা সম্ভব। আজকের এই দিনের অঙ্গীকার হোক, মহান অলীর জীবনাদর্শ মানব জীবনের সর্ব ক্ষেত্রে অনুসরণ-অনুকরণ।
শাহজাদা সৈয়দ নুরুল বশর মাইজভান্ডারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, আশেকানে মাইজভান্ডারী এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ জামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ছালাম সরকার, মাওলানা শায়েস্তা খান, মাওলানা নিজামুল হক শেরেবাংলা, মাওলানা এনামুল হক, মাওলানা জাকির হোসেন, খাদেম ওহাব মাইজভান্ডারী, খাদেম আবুল হাসেম, আবদুল মালেক, দিদার, জিএম কামাল প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন