খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতার দম্ভে আ’লীগের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার দম্ভে আ’লীগের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আওয়ামী দুঃশাসন বিরোধী গণতন্ত্র পূণঃরুদ্ধার আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপি উপ-নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলেই যেন সরকার ও আওয়ামী লীগের মধ্যে অস্থিরতা শুরু হয়। কারণ তারা বিএনপি ও জনগনকে ভয় পায়।

জনগণের অংশগ্রহণে উৎসবমূখর পরিবেশে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকেও ভয় পায়। তারা জানে গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তাদের ভরাডুবি সুনিশ্চিত। সেজন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হলেই তারা দলীয় ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালিয়ে বিএনপি প্রার্থী ও কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা, মামলা, হুমকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শণের মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশকে ধ্বংস করে দেয়। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে নির্বাচনকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার দম্ভে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে।

২৪ উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে আবদুল হাকিম মিঞ্চা বাড়ির সামনে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের ক্ষমতার দাপটে দেশে কোনও শ্রেণী-পেশার মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নেই। ঢাকার অবৈধ এমপি হাজী সেলিমের ছেলে কর্তৃক নৌবাহিনী কর্মকর্তাকে মেরে দাঁত ফেলে দেওয়া এবং কক্সবাজারের ওসি প্রদীপ কর্তৃক মেজর সিনহা হত্যার মতো ঘটনা এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হাজী সেলিমের ছেলের টর্চার সেল থেকে উন্নত প্রযুক্তির যে সমস্ত সরঞ্চাম উদ্ধার হয়েছে, সবকিছুই সন্ত্রাসী কার্য্যে ব্যবহৃত হতো। বুঝা যায় সরকারের মদদে আওয়ামী ক্যাডাররা পুরো দেশে সন্ত্রাসী কার্যকলাপে উদ্ধারকৃত এসব সরঞ্চাম ব্যবহৃত হয়। আওয়ামী লীগের নেতাদের অপকর্ম একের পর এক বেরিয়ে আসছে। আওয়ামীলীগের এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে জনগনকে সোচ্চার হতে হবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর বলেন, র্আওয়ামী লীগ প্রতিটি নির্বাচনেই তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীকে ব্যবহার করে বিএনপি প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের উপর হামলা, মামলা চালিয়ে আসছে। নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা বাধার সৃষ্টি করে আসছে। বিভিন্নভাবে বিএনপির প্রার্থীদের উপর হামলা-মামলার মাধ্যমে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। তারা চায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে বিএনপির প্রার্থী ও ভোটাররা যেন নির্বাচন থেকে সরে যায়। তারা জানে না, জনগন তাদের বর্জন করেছে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া গেলেও জনগনের সাথে তাদের কোনো সম্পর্কই নেই।

২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক কাউন্সিলর প্রার্থী এসএম ফরিদুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি নাজিমুর রহমান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এসএম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, আব্দুল হালিম শাহ আলম, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সহ-সাধারন সম্পাদক মাহবুবুল হক, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এড. আহমদ কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ, ডবলমুরিং থানা বিএনপির সভাপতি মো. সেকান্দর, নগর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন। বক্তব্য রাখেন, নগর বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী, সহ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সাবের আহমেদ, সদস্য বুলবুল আহমদ, নগর যুবদলের সহ-সভাপতি মিয়া মো. হারুন, নগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, নগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী খালেদা বোরহান, আবদুল হাকিম, বজল আহমদসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

 

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।