খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ১১৬ জনের মনোনয়ন বৈধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 5 December, 2023, 11:42 am
চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ১১৬ জনের মনোনয়ন বৈধ

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ১১৬টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়। বাতিল হয়েছে ৩২ জনের মনোনয়ন। রোববার (৩ ডিসেম্বর) ও সোমবার (৪ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করা হয়।

যাচাই-বাছাই শেষে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) মনোনয়ন বৈধ ও বাতিলের এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিল, বিভিন্ন সেবাসংস্থায় প্রার্থীদের বকেয়া বিল থাকা, আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা, ঋণ খেলাপিসহ নানান অফিযোগে ৩২ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়াদের মধ্যে ১৩ জন বিভিন্ন দলের এবং ১৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

চট্টগ্রাম মহানগর সংশ্লিষ্ট ছয়টি আসনে বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম এবং জেলার ১০টি আসনে জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন।

চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই): এ আসনে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মাহবুব উর রহমান (আওয়ামী লীগ), দিলীপ বড়ুয়া (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল), মো. আবদুল মন্নান (ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মো. নুরুল করিম আফছার (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ), মো. ইউসুফ (বিএনএফ), মো. এমদাদ হোসেন চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি): এ আসনে মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিল পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম নওশের আলী, মোহাম্মদ শাহজাহান, রিয়াজ উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- খাদিজাতুল আনোয়ার সনি (আওয়ামী লীগ), সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী (বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন), মীর মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), হোসাইন মো. আবু তৈয়ব (স্বতন্ত্র), মাজাহারুল হক শাহ চৌধুরী (বিকল্পধারা বাংলাদেশ), মো. শফিউল আজম চৌধুরী (জাতীয় পার্টি), মুহাম্মদ হামিদ উল্লাহ (ইসলামিক ফ্রন্ট) ও এম এ মতিন (ইসলামী ফ্রন্ট)।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ): এ আসনে ১০ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে জাকের পার্টির প্রার্থী নিজাম উদ্দিন নাছির ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আমিন রসূল নামে দুই প্রার্থীর মনোনয়নও বাতিল হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মাহফুজুর রহমান মিতা (আওয়ামী লীগ), নুরুল আক্তার (জাসদ), মুহাম্মদ নুরুল আনোয়ার (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), এম এ ছালাম (জাতীয় পার্টি), মুহাম্মদ উল্লাহ খান (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী (স্বতন্ত্র), মো. মোকতাদের আজাদ খান (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি) এবং মো. আবদুর রহীম (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ)।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড): এ আসনে নয়জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। এর মধ্যে দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ চারজনের মনোনয়ন বাতিল হয়। এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিল পাওয়ায় দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও মোহম্মদ ইমরানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। অন্যদিকে দিদারুল আলম আওয়ামী লীগের প্রার্থী উল্লেখ করলেও দলীয় কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। এছাড়া আয়কর রিটার্ন না দেওয়ায় বিএনএফের আখতার হোসেনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- এস এম আল মামুন (আওয়ামী লীগ), মো. দিদারুল কবির (জাতীয় পার্টি), খোকন চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি), মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (বাংলাদেশ কংগ্রেস) এবং মো. মোজাম্মেল হোসেন (স্বতন্ত্র)।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী): এ আসনে আটজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গড়মিল থাকায় দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী নাছির হায়দার চৌধুরী এবং মোহাম্মদ শাহজাহানের মনোনয়ন বাতিল হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মোহাম্মদ আবদুস সালাম (আওয়ামী লীগ), ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (জাতীয় পার্টি), কাজী মহসীন চৌধুরী (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (কল্যাণ পার্টি), মো. নাজিম উদ্দিন (প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ফোরাম) এবং আবু মোহাম্মদ শামশুদ্দীন (বিএনএফ)।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান): এ আসনে পাঁচজন মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিউল আজমের মনোনয়ন বাতিল হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), স. ম. জাফর উল্লাহ (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মো. ইয়াহিয়া জিয়া চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি) এবং মো. সফিক উল আলম চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া): এ আসনে সাতজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে একজনের মনোনয়ন বাতিল হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- ড. হাছান মাহমুদ (আওয়ামী লীগ), মো. মোরশেদ আলম (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), আহমেদ রেজা (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), খোরশেদ আলম (তৃণমূল বিএনপি), মুছা আহমেদ রানা (জাতীয় পার্টি), মুহাম্মদ ইকবাল হাছান (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট)।

চট্টগ্রাম-৮ (চট্টগ্রাম মেট্রো আংশিক-বোয়ালখালী): এ আসনে ১৩ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন দাখিল করেন। এতে পাঁচ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস ছালাম, আশরাদুল আলম বাচ্চু ও বিজয় কুমারের মনোনয়ন বাতিল হয়। অন্যদিকে ঋণখেলাপির অভিযোগে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহিবুর রহমান বুলবুল এবং হলফনামায় প্রয়োজনীয় কাগজ না দেওয়ায় আরেক প্রার্থী মঞ্জুর হোসেন বাদলের মনোনয়নও বাতিল হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- নোমান আল মাহমুদ (আওয়ামী লীগ), সোলায়মান আলম শেঠ (জাতীয় পার্টি), এসএম আবুল কালাম আজাদ (বিএনএফ), সন্তোষ শর্মা (তৃণমূল বিএনপি), মোহাম্মদ ইলিয়াছ (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি), সৈয়দ মো. ফরিদ উদ্দিন (ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মো. কামাল পাশা (এপিপি) এবং আবদুল নবী (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট)।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতয়ালী): এ আসনে সাতজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন জমা দেন। তবে কারও মনোনয়ন বাতিল হয়নি। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (আওয়ামী লীগ), মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মিটুল দাশগুপ্ত (ন্যাপ), সৈয়দ আবু আজম (ইসলামী ফ্রন্ট), মুহাম্মদ নুরুল হুসাইন (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি), সুজিত সরকার (তৃণমূল বিএনপি), সানজীদ রশীদ চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)।

চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর, পাহাড়তলী, ডবলমুরিং, খুলশী): এ আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ মাহমুদ, মো. ওসমান গনি ও ফয়সাল আমীনের মনোনয়ন বাতিল হয় এক শতাংশ ভোটারের তথ্য গরমিলের কারণে। অন্যদিকে সমর্থনকারীর তথ্য না থাকায় বিএনএফের মঞ্জুরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মহিউদ্দিন বাচ্চু (আওয়ামী লীগ), সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম (স্বতন্ত্র), মো. ফেরদৌস রশিদ (তৃণমূল বিএনপি), মুহাম্মদ আলমগীর ইসলাম বঈদী (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), আবুল বাশার মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন (ইসলামি ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মিজানুর রহমান (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট), জহুরুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি) এবং মো. আনিসুর রহমান (জাসদ)।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর): এ আসনে নয়জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটার গরমিলের কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেখা আলমের মনোনয়ন বাতিল হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- এম আবদুল লতিফ (আওয়ামী লীগ), মো. জসিম উদ্দিন (জাসদ), আবুল বসার মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), মো. মহি উদ্দিন (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), জিয়াউল হক সুমন (স্বতন্ত্র), দীপক কুমার পালিত (তৃণমূল বিএনপি), নারায়ণ রক্ষিত (এনপিপি) ও উজ্জ্বল ভৌমিক (গণফোরাম)।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া): এ আসনে ১০ প্রার্থী তাদের মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিলের কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইলিয়াস মিয়া ও গোলাম কিবরিয়া চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বিদ্যুৎবিল বাকি থাকায় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এম এ মতিনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), সামশুল হক চৌধুরী (স্বতন্ত্র), এম এয়াকুব আলী (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন–বিএসএম), মো. নুরুচ্ছফা সরকার (জাতীয় পার্টি), কাজি মুহাম্মদ জসীম উদ্দিন (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), রাজীব চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি) ও সৈয়দ মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী): এই আসনে মোট সাতজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাদের সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার। প্রার্থীরা হলেন- সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (আওয়ামী লীগ), সৈয়দ মুহাম্মদ হামেদ হোসাইন (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মোহাম্মদ আরিফ মঈনু উদ্দীন (সুপ্রিম পার্টি–বিএসপি), আবদুর রব চৌধুরী (জাতীয় পার্টি), মৌলভী রশিদুল হক (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন), মো. আবুল হোসাইন (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট) এবং মকবুল আহম্মদ চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি)।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ): এ আসনে আট প্রার্থীর মনোনয়ন জমা পড়ে। এর মধ্যে সবগুলো প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার। এ আসনের প্রার্থীরা হলেন- মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), মো. আবদুল জব্বার চৌধুরী (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ আবুল হোছাইন (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), সেহাব উদ্দিন মুহাম্মদ আবদুস সামাদ (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), মো. গোলাম ইসহাক খান (বিএনএফ), মোহাম্মদ আয়ুব (সুপ্রিম পার্টি–বিএসপি), আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ (জাতীয় পার্টি), এবং মোহাম্মদ আলী ফারুকী (বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন)।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া): এ আসনে নয়জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিল পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মোতালেব ও ডা. আ ন ম মিনহাজুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল হয়। আয়কর বিটার্ন দাখিল না করায় এনপিপির ফজলুল হকের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার। এ আসনে বৈধ প্রার্থীর হলেন- আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী (আওয়ামী লীগ), মোহাম্মদ ছালেম (জাতীয় পার্টি), মো. সোলাইমান কাশেমী (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি), মোহাম্মদ হারুণ (ইসলামিক ঐক্যজোট), মো. জসীম উদ্দিন (মুক্তিজোট) এবং মুহাম্মদ আলী হোসাইন (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট)।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী): এ আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে ঋণখেলাপি হওয়ায় এনপিপির আশীষ কুমার শীল ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল হয়। আয়কর রিটার্ন দাখিল না করায় ইসলামী ঐক্যজোটের মো. শফকত হোসাইন চাটগামীর মনোনয়ন বাতিল হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মোস্তাফিজুর রহমান (আওয়ামী লীগ), মুজিবুর রহমান সিআইপি (স্বতন্ত্র), মো. খালেকুজ্জামান (স্বতন্ত্র), আব্দুল্লাহ কবির (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ এমরানুল হক (স্বতন্ত্র), মুহাম্মদ মামুন আবছার (এনপিপি), আবদুল মালেক (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মো. মহিউল আলম চৌধুরী (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), কামাল মোস্তফা চৌধুরী (জাসদ) এবং এম জিল্লুর করিম শরীফি (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই ১-৪ ডিসেম্বর। ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। নির্বাচনে ভোটগ্রহণ ৭ জানুয়ারি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬৩ লাখ ৯৬৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩২ লাখ ৭৯ হাজার ৬২ জন এবং নারী ভোটার ৩০ লাখ ২১ হাজার ৯০২ জন।

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।