খুঁজুন
শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহার

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৭ মে) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিন সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে এজলাসে ওঠেন সাত বিচরপতি। এরপর আইনি বিষয় তুলে ধরেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

আদালতে উপস্থিত রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন, ফখরুদ্দিন মানিকসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

এর আগে, ৮ মে শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। ওই দিন আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন ও অ্যাডভোকেট রায়হান উদ্দিন।

গত ৬ মে সকাল ১০টায় এটিএম আজহারের আপিল শুনানি শুরু হয়। ওই দিন আধাঘণ্টা বিরতি দিয়ে সোয়া ১টা পর্যন্ত শুনানি চলে।

চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে এটিএম আজহারকে আপিলের অনুমতি দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। মানবতাবিরোধী অপরাধের এটিই প্রথম কোনো মামলা, যে মামলায় রিভিউ থেকে মূল আপিল শুনানির অনুমতি দিলেন সর্বোচ্চ আদালত।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ে ২, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে ফাঁসির দণ্ডাদেশ পান এটিএম আজহার। এছাড়া ৫ নম্বর অভিযোগে অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অমানবিক অপরাধের দায়ে ২৫ বছর ও ৬ নম্বর অভিযোগে নির্যাতনের দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে শুনানির পর ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ। আপিল বিভাগের রায়ে ২, ৩, ৪ ও ৬ নম্বর অভিযোগের দণ্ড বহাল রাখা হয়। আর ৫ নম্বর অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ওই রায়ের রিভিউ চেয়ে একই বছরের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগে সংশ্লিষ্ট আবেদন করেছিলেন এই জামায়াত নেতা। ২৩ পৃষ্ঠার পুনর্বিবেচনার ওই আবেদনে মোট ১৪টি যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

Feb2

দুবাইতে উত্তর সর্তা জাগরণী ক্লাব প্রবাসী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
দুবাইতে উত্তর সর্তা জাগরণী ক্লাব প্রবাসী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ১নং হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর সর্তা জাগরণী ক্লাব প্রবাসী পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী ও অভিষেক অনুষ্ঠান দুবাই ইন্টারন্যাশনাল সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে 

শুক্রবার (২৯ মে) বাদে মাগরিব মহিউদ্দিন মাহফুজ এর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ রফিক উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মোঃ ওসমান আলী সি আই পি।

বক্তব্য রাখেন প্রবাসী পরিষদের সভাপতি ইয়াহিয়া খান, প্রবাসী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাবিব উল্লাহ। অন্যান্যদের মাঝে আরও বক্তব্য রাখেন- মৌলানা মনছুর, ইলিয়াস রেজা, সাংবাদিক এম আবদুল মান্নান, মোহাম্মদ আসলাম, মোহাম্মদ বেলাল, মাওলানা আলী রেজা, মোহাম্মদ বখতেয়ার, শফিক সিকদার, মোহাম্মদ ফিরোজ, মোহাম্মদ আজম খান, ইকবাল সেলিম, মোঃ ইলিয়াস আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা এলাকার সার্বিক কল্যাণে সকলকে আরো এগিয়ে আসার আহবান জানান। পরিশেষে দেশ, জাতি, প্রবাসী ও এলাকাবাসীর কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেছে। পরবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, গেল ২৭ মে ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয়টি নবজাতক শিশু মারা গেছে। এ ঘটনাটিকে খুবই সিরিয়াসলি নিয়েছি। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি, তাদের তিন দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। আজ বিকেল ৩টায় সেই প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি।

তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি দেখেছে যে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভবনটি একটি হাসপাতাল পরিচালনার জন্য উপযোগী না। তদন্ত কমিটি পোস্ট-অপারেটিভ কক্ষনম্বর-২ পরিদর্শন করেছে। তাদের কাছে মনে হয়েছে, কক্ষটিতে দীর্ঘসময় এসি বন্ধ থাকায় ও স্বাভাবিক ভেন্টিলেশন কার্যক্রম না থাকায় প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের মাত্রার ঘাটতি হয়েছে। পাশাপাশি, কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছিল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কক্ষের দায়িত্বরত সব সেবিকা, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মৃত নবজাতকদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। তাতে প্রমাণ পেয়েছে যে সেবিকাদের দায়িত্বে চরম অবহেলা ও অসহযোগিতা ছিল।

‘নবজাতকের আকস্মিক শারীরিক অবনতির অবস্থায় হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল রেসপন্স ছিল না। অভিভাবকদের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে সংশ্লিষ্ট নার্স কোনো চিকিৎসককে বিষয়টি অবহিত করেনি। বরং কালক্ষেপণ করতে থাকে এবং নবজাতকের মৃত্যুরোধের উপযুক্ত যথাযথ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়নি’—বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কক্ষটি ৯০০ বর্গফুটের। যেখানে ১১ জন রোগী, নবজাতক ও রোগীর লোকসহ প্রায় ৫০ জনের উপস্থিতি ছিল। যা ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি। হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রমাণ পেয়েছে, তারা একটি হাসপাতাল পরিচালনার প্রাথমিক শর্তগুলো পালনে সক্ষম ছিল না। পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ড দুইয়ে রোগীদের দেখাশোনার কোনো চিকিৎসক ছিল না। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেবিকাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছিল না। কক্ষটিতে আলো-বাতাস চলাচলের ভেন্টিলেশনের জন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। কক্ষটিতে অতিরিক্ত লোকজনের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে ব্যবস্থা হবে বলেও জানিয়েছেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, হাসপাতালটিতে অনেক রোগী আছে। আমরা সেটা বন্ধ করে দিতে পারি না। তবে, আইন অনুসারে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। আগামী রোববারের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

‘বাংলাদেশের একটি হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে বক্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
‘বাংলাদেশের একটি হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে বক্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে মামলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) শিলিগুড়ি সাইবার থানায় রিংকি চ্যাটার্জি সিং নামে এক আইনজীবী এ অভিযোগ করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা, জনসমাবেশ এবং গণমাধ্যমের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা, সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এর মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন বলে দাবি অভিযোগকারীর।

অভিযোগে সিং দাবি করেছেন, সম্প্রতি বিভিন্ন জনসভা, রাজনৈতিক মঞ্চ এবং গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি (মমতা ব্যানার্জি) ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বেশ কিছু উসকানিমূলক ও উগ্র মন্তব্য করেছেন। অভিযুক্ত প্রকাশ্যে এই ধরনের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সততা, নিরপেক্ষতা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, যার মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের প্রতি জনগণের মধ্যে অবিশ্বাস ও অসন্তোষ তৈরির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ।

অভিযোগে গত ২ জুন একটি রাজনৈতিক মঞ্চে করা মন্তব্যের কথা উল্লেখ করে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা ও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২ জুন রানি রাসমণি স্মরণে একটি রাজনৈতিক সমাবেশ থেকে অভিযুক্ত দাবি করেন— ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তার গোপন আলোচনা হয়েছিল। এরপর তিনি ভারত সরকার ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে অভিযোগ তোলেন। এই ধরনের অভিযোগ প্রকাশ্যে জনগণ ও গণমাধ্যমের সামনে করা হয়েছিল, যার স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক মহলে ভারত সরকারের ভাবমূর্তি ও নির্ভরযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করা এবং দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করা।

মামলার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গত ২ জুন কলকাতার ধর্মতলা এলাকায় অনুষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক সমাবেশে দেওয়া মমতার বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই সমাবেশে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের একটি আলোচিত হত্যা মামলার এক অভিযুক্ত মেঘালয় সীমান্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করলে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) তাকে গ্রেপ্তার করে।

অভিযোগকারী রিংকি চ্যাটার্জি সিং দাবি করেন, মমতার এই বক্তব্য পরোক্ষভাবে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে একটি বিদেশি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেছে।

তার মতে, এ ধরনের বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জনসমক্ষে এমন মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং বাংলাদেশে বসবাসরত সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেও প্রভাবিত করতে পারে।

এদিকে এক সপ্তাহ আগে কলকাতায় একটি ঈদ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ করা হয়। সেখানে সনাতন ধর্ম সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগকারীর দাবি, ওই বক্তব্যে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় করা সর্বশেষ অভিযোগটি নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ধর্মতলার সমাবেশে সেই বক্তব্যে মমতা বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে এক বড় খুনিকে এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল জেনে রাখুন, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক ‘রেভোল্যুশন’ হয়েছিল।…মেঘালয় দিয়ে বাংলায় চলে আসে।…আমাদের এসটিএফ তাকে ধরে।…তারপর হোম মিনিস্টার (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) নিজে আমাকে ফোন করে বলেছেন…এত দিন তো কই আমি বলিনি, মুখ খুলিনি…আজকে অত্যাচারের শেষ সীমায় গেছেন বলে…আমি এখনো নামটা বলছি না ভদ্রতা করে। বাংলাদেশের লোক উত্তাল হয়ে যাবে, আমি সেটা চাই না, আমি দেশকে ভালোবাসি…।’