খুঁজুন
, ,

আইআইইউসি’র ইবি বিভাগের এমএসএস ওরিয়েণ্টশন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 13 March, 2020, 8:20 pm
আইআইইউসি’র ইবি বিভাগের এমএসএস ওরিয়েণ্টশন অনুষ্ঠিত

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি : নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে না পারলে দেশ ও বিশ্বকে কিছুই দেয়া
সম্ভব হবে না আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) এর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী বলেছেন, নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে
না পারলে দেশ ও বিশ্বকে কিছুই দেয়া সম্ভব হবে না।

শুক্রবার নগরীর একটি অভিজাত রেঁস্তোরায় আইআইইউসি‘র ইকনোমিক্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ (ইবি) আয়োজিত এমএসএস প্রোগ্রামের সপ্তম ব্যাচ-এর নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, জাতি হিসাবে যাতে দাঁড়াতে পারি, সে জন্যে মেরদন্ড ঠিক রাখতে হবে। দেশের অর্থনীতি যাতে ভেঙ্গে না পড়ে, দেশ যেন দেউলিয়া না হয় তার জন্যে অর্থনীতির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে। করোনা ভাইরাস ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাচ্ছে, কিন্ত আমাদের মেধা যদি ভাইরাস আক্রান্ত হয় তাহলে পুরো জাতিকে মাশুল দিতে হবে।

আইআইইউসি‘র ইকনোমিক্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ শরীফুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, আইআইইউসি‘র ট্রেজারার প্রফেসর ড. আবদুল হামিদ চৌধুরী, আইআইইউসি’র বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এবং ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহছানউল্লাহ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের
ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুল মান্নান চৌধুরী এবং ইকনোমিক্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের এডভাইজার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন ওরিয়েন্টেশন কমিটির আহ্বায়ক ইবি বিভাগের সহযোারী অধ্যাপক মনির আহমেদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এমএসএস প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী ও ইবি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ আমজাদ হোসেন। নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, হাবিব পিয়াস ও আনিকা মোরশেদ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইবি বিভাগের এমএসএস প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী মোঃ আমজাদ হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইআইইউসি‘র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী বলেন, জীবনকে অর্থবহ করতে হলে পড়তে হবে। অধ্যয়নে থাকলে লাইফ হ্যাং
হবেনা। তিনি বলেন, অর্থ অনর্থের মূল বলা হয়ে থাকে। কিন্তু অর্থ হচ্ছে সবকিছুর মূলে, অর্থনীতিতে উচ্চ শিক্ষা লাভের আগে এই কথাটা উপলব্ধি করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইআইইউসি‘র ট্রেজারার প্রফেসর ড. আবদুল হামিদ
চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিশ্বমানের র‍্যাংকিংয়ে আইআইইউসি‘র অবস্থান অনেক মর্যাদার। নৈতিকতার সাথে সমন্বিত শিক্ষা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কাছে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইআইইউসি‘র বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এবং ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহছানউল্লাহ বলেন, সারা বিশ্বে শোষণের হাতিয়ার হলো সুদ। সুদ ধনীকে আরো ধনী করেছে, গরীবকে নিঃস্ব করেছে। সুদের কারবার যারা করে, তারা আল-াহ ও রাসুলের (সাঃ) বির“দ্ধে যুদ্ধ করে।

তিনি বলেন, এভাবে অর্থনীতিকে ছেড়ে দেয়া যারেনা, অর্থনীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে। জাতিকে দুর্দশা থেকে বাঁচাতে এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণে আইআইইউসি‘র অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে বলে তিনি উলে-খ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে অর্থনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থনীতির প্রধান সমস্যা এখন দুর্নীতি এবং দারিদ্র্য। এই সমস্যা সমাধানে জ্ঞানের প্রধান উৎস সেই শাশ্বত গ্রন্থের গভীর অধ্যয়নে মনোনিবেশ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইকনোমিক্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের এডভাইজার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, অর্থনীতি আর রাজনৈতিক অর্থনীতি এক কথা নয়। এখন প্রান্তিক জনসংখ্যা খুব দ্রত বাড়ছে আর এটাই অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। পণ্যের মূল্য কমালে রাজস্ব আয়
বাড়বে – এই সহজ কথাটি যত তাড়াতাড়ি সবার উপলব্ধিতে আসবে ততই সবার জন্য কল্যাণকর।

আইআইইউসি‘র অর্থনীতি বিষয়ের কোর্স ডিজাইন অত্যন্ত চমৎকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি অধ্যয়ন করে উত্তীর্ণ হতে পারলেই শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞানে সমৃদ্ধ হবে।

Feb2
Feb2

হাঁটুপানিতে নেমে ত্রাণ বিতরণ করলেন জামায়াত আমির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 12:09 pm
হাঁটুপানিতে নেমে ত্রাণ বিতরণ করলেন জামায়াত আমির

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। সকালে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে নেমে দুর্গত পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন, দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং ত্রাণসামগ্রী ও নগদ আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে তিনি বাঁশখালীর গুনাগরী ইউনিয়নের বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সরেজমিন দেখেন।

দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ প্রত্যক্ষ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। বিপদে-আপদে অসহায় মানুষের পাশে থাকা সবার কর্তব্য। সামর্থ্য অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী বন্যাকবলিত মানুষের পাশে থাকবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহযোগিতায় কাজ অব্যাহত রাখবে।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক মানুষ ঘরবাড়ি, ফসল ও জীবিকার প্রধান অবলম্বন হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে তিনি হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে নেমে একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে যান, তাদের প্রয়োজনের কথা শোনেন এবং প্রত্যেক পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এ সময় তিনি দুর্গত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

ত্রাণ বিতরণ ও এলাকা পরিদর্শনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সাতকানিয়ার উদ্দেশে রওনা হন।

চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 10:25 am
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে৷ বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো মানুষ। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের ফলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘরও ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়া রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই খাবারের জন্য কষ্ট পাচ্ছে মানুষ।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চন্দনাইশের বাসায় আবু নাসের আলিফ বলেন, ‘দিনেদিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।’

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।