খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিয়ে করলেন পরীমনি-রনি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২০, ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ
বিয়ে করলেন পরীমনি-রনি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি বিয়ে করেছেন। পাত্র কামরুজ্জামান রনি। তিনি নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের নির্দেশক ও সদস্য। গত ১০ মার্চ রাতে রাজধানীর রাজারবাগ কাজি অফিসে লুকিয়ে বিয়ে করেন তারা।

রনি তার বিয়ের খবর নিশ্চিত করে বলেন, পরীমনির সাথে বিয়েটা হঠাৎ করে ফেলেছি। বর্তমানে দুজনে মংলা বন্দরের পাশে করমজল এলাকায় আছি। এখানে পরীমনি ‘অ্যাডভেঞ্জার অব সুন্দরবন’ ছবির শুটিং করছেন। নিজেদের একটু গুছিয়ে নিয়ে আমরা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করব।’

অভিনেত্রী ও নির্মাতা হৃদি হকের ‘১৯৭১: সেই সব দিন’ ছবির সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন রনি। ওই ছবিতে অভিনয় করছেন পরীমনি। সেখানে কাজ করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরি হয় তাদের। একপর্যায়ে রনিই বিয়ের প্রস্তাব দেন পরীকে। মনে মনে রনির প্রতি দুর্বল পরী সেই প্রস্তাব এড়াতে পারেননি।

বিয়ে নিয়ে পরীমনি বলেন, প্রায় পাঁচ মাস আগে ছবির গল্প শোনানোর জন্য হৃদি আপুসহ রনি এসেছিল আমাদের বাসায়। তখন আমি তাকে খেয়ালই করিনি। শুটিংয়ে গিয়ে কোথায় থাকব কীভাবে যাব, সেসব নিয়ে তার সঙ্গে প্রথম আলাপ শুরু হয়। এভাবেই একসময় আমাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে ওঠে।

তিনি বলেন, মার্চের ৩ থেকে ৭ তারিখ আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে শুটিং করি। সেখানে ভীষণ আনন্দে সময় পার হয়ে যায়। ৮ মার্চ ঢাকায় এসে আমি তাকে খুব মিস করছিলাম। পরদিন ৯ মার্চ আমরা দেখা করি এবং সে আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। আমার মন যেন কেমন করে ওঠে। ওই রাতেই আমরা বিয়ে করে ফেলি।

লুকিয়ে বিয়ে করেছেন কেন? জানতে চাইলে পরীমনি বলেন, আমার পরিবারের কেউ বিয়ের ব্যাপারটা জানে না। পালিয়ে বিয়ে করার মজাটা নিতে চেয়েছিলাম। নিজেদের একটু গুছিয়ে নিয়ে আমরা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবো।
২০১৫ সালে ভালোবাসা সীমাহীন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পরীমনির। সে বছর রানা প্লাজা ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি, যদিও এখনো মুক্তি পায়নি ছবিটি। পরীমনি অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ভালোবাসব তোমায়, মহুয়া সুন্দরী, রক্ত এবং স্বপ্নজাল।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…