খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের পাশে চবির ব্যাংকিং বিভাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০, ১১:০০ অপরাহ্ণ
অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের পাশে চবির ব্যাংকিং বিভাগ

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চবি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হতদরিদ্র, রিক্সা ও ভ্যান চালকদের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও করোনা সচেতনতায় পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী প্রদান করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

দূরে থেকে পাশে দাঁড়াই, অনাহারীর আহার যোগাই’ এই শ্লোগানে করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলা করতে সমাজের অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাড়িয়েছে তারা।

জানা যায়, খেটে খাওয়া মানুষদের সচেতনতা ও অর্থ উপার্জনের উৎসের অপ্রতুলতার দিকটি বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেয় ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ব্যাংকিং ফেলোজ ফর লিডারশীপ ডেভেলপমেন্ট (বিএফএলডি)।

এরই অংশ হিসেবে নগররের ২নম্বর গেইট, জিইসি, লালখান বাজার, টাইগারপাস এলাকায় ২৫০ টি প্যাকেটে মোট ৬০০ কেজি চাল, ১২৫ কেজি ডাল, ৪০০ কেজি আলু, ৪০০ পাতা নাপা ট্যাবলেট, ৬০০ টি খাবার স্যালাইন, ৪০০ টি সাবান ও ৪০০ টি মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এর সঙ্গে কয়েকজন সমাজ সেবকের অর্থায়নে প্রতিটি পরিবারের জন্য ৩ কেজি চাল, আধা কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন, ২টি জীবাণুনাশক সাবান, ২ টি মাস্ক ইত্যাদি সহযোগে ২৫০ প্যাকেট সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

প্রজেক্ট সমন্বয়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর রিফাত রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে জাতির ক্রান্তিলগ্নে মানবতার পাশে দাঁড়ানো উচিত। সে অনুভূতি থেকেই আমরা অসহায় মানুষদের পাশে দাড়িয়েছি।

শুধু ব্যাংকিং বিভাগই নয় বৈশ্বিক এ বিপর্যয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দুস্থ মানবতার সাহায্যার্থে এগিয়ে আসা উচিত।

২৪ ঘন্টা/মেহেদি হাসান/আর এস পি

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…