খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোয়ালখালীতে কাপড় বেচাকেনার ধুম, ম্যাজিস্ট্রেট দেখে পালালো ব্যবসায়ীরা!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২০, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
বোয়ালখালীতে কাপড় বেচাকেনার ধুম, ম্যাজিস্ট্রেট দেখে পালালো ব্যবসায়ীরা!

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ:বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কাপড়ের দোকানে বেচাকেনার ধুম। করোনা ভাইরাসের পাদুর্ভাব প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য বিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন কি না তা দেখতে অভিযানে যান সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

এসময় ম্যাজিস্ট্রেট দেখে দোকান খোলা রেখে পালিয়ে যান ব্যবসায়ীরা।

বুধবার (১৩ মে) উপজেলার শাকপুরা ও গোমদণ্ডী ফুলতলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট মো.মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, শাকপুরা চৌমুহনী বাজার ও ফুলতল বাজারের কাপড়ের দোকানগুলোতে স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছিলো না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন মহোদয়ের নির্দেশে অভিযানে গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। অভিযানের সময় ব্যবসায়ীরা দোকান ফেলে গা ঢাকা দেয়।

তিনি বলেন, শাকপুরা ও ফুলতল এলাকার বেশিরভাগ দোকানে গাদাগাদি করে বসে ক্রেতারা বাজার আছেন, বিক্রেতাদেরও ছিলো না মাস্ক ও হ্যান্ডগ্লোভস। মার্কেট এর প্রবেশ পথে নাই কোনো ডিসইনফেকশনের ব্যবস্থা।

পরে কয়েকটি দোকানে স্বাস্থ্য বিধি না মানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে দন্ডবিধি ২৬৯ ধারায় ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে শাকপুরা বাজারের আজমির ফ্যাশন হাউসকে ১০ হাজার টাকা, আরাফাত গার্মেন্টসকে ১ হাজার, ফজল করিমকে ২ হাজার টাকা, আছিফ গার্মেন্টসকে ১ হাজার টাকা, ফুলতল বাজারে মো. শাকিলকে ৫ হাজার টাকা ও পারভেজকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্য বিধি না মেনে ব্যবসা পরিচালনা করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

অভিযানে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবদুল করিমের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/পূজন

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…