খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাটহাজারীতে সরকারি আদেশ অমান্য করে ইফতার মাহফিল, তদন্তে ইউপি চেয়ারম্যান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২০, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
হাটহাজারীতে সরকারি আদেশ অমান্য করে ইফতার মাহফিল, তদন্তে ইউপি চেয়ারম্যান

করোনা সংকটের মাঝে সরকারি আদেশ অমান্য করে ইফতার মাহফিল আয়োজন করলেন ওয়ার্ড মেম্বার।

হাটহাজারী উপজেলার ১০ নং উত্তর মাদার্শা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে এই ইফতার মাহফিলের  খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্তের জন্য নির্দেশ দিলেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে।

করোনা সংক্রমন ঠেকাতে সরকার  যখন দেশে সব ধরণের গণজমায়েত নিষিদ্ধ করছে। তখন হাটহাজারী উপজেলার ১০ নং উত্তর  মাদার্শা ইউনিয়ন  ৩ নং ওয়ার্ডে লাল মো. চৌধুরী পাড়া তাহারিকা সাহাবী নূরানী মাদ্রাসায় শুক্রবার (১৫ মে) প্রায়  ৪০০ জনের উপস্থিততে হয়ে গেল ইফতার মাহফিল।

এলাকাবাসীর নিষেধ উপেক্ষা করে ওয়ার্ড মেম্বার এরশাদুল্লাহ আয়োজনে এই ইফতার মাহফিল নিয়ে এলাকাবাসী মাঝে ক্ষোভ ও আতংক ছড়িয়ে  পড়ে।  এলাকাবাসীর অভিযোগ করোনার সময় একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিধিনির এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজে তারা  হতবাক।

এলাকাবাসির অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার (১৬ মে) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহুল আমিন ১০ নং মাদার্শা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. মনজুর হোসেন চৌধুরীকে বিষয়টি তদন্ত করে জানানোর জন্য নির্দেশ দেন। তদন্তের বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এ ব্যাপারে ১০ নং উত্তর মাদার্শা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, মনজুর হোসেন চৌধুরী বলেন,আজকে ইউএনও স্যার আমাকে ৩ নং ওয়ার্ডে ইফতার মাহফিল আয়োজনের বিষয়টি তদন্তের জন্য বলেছেন। আমি এলাকাবাসির সাথে কথা বলে এর সত্যতা পেয়েছি। তবে অভিযুক্ত মেম্বার এরশাদুল্লাহ ইফতার মাহফিলে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে অস্বীকার করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহুল আমিন বলেন, করোনা সংকটে লকডাউনের সরকারি আদেশ অমান্য করে ইফতার মাহফিলের অভিযোগ পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…