খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রেসক্লাব ও কাট্টলীতে স্থাপিত হলো করোনা টেস্টিং বুথ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রেসক্লাব ও কাট্টলীতে স্থাপিত হলো করোনা টেস্টিং বুথ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পারেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, বিশ্বময় করোনার থাবায় বাংলাদেশে তথা চট্টগ্রামেও এর সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। সাম্প্রতিক সংক্রমণের হিসাবে চট্টগ্রামকে কোভিড হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে ‘বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে’ যারা এই সময়ে রোগীদেরকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে এবং তাদের অবহেলার কারণে রোগীরা মৃত্যুবরণ করছে, তারা আসলে শাস্তিযোগ্য কাজ করছে। আমি আশা করি বেসরকারি হাসপাতালগুলোসহ সবাই এহেন আচরণ থেকে বিরত থাকবেন।

তিনি বলেন, এখনই সময় আর্তমানবতার সেবায় হাতকে প্রসারিত করা।’‘ তবে অনেক ডাক্তার, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীরা এই পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের জীবনকে বিপন্ন করে মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন। চিকিৎসাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয় মানুষকে সেবা দেয়ার জন্য কিন্তু ইদানিং বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানা যাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঢালাওভাবে হাঁচি-কাশি,জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভোগা রোগীদের ফিরিয়ে দেয়ায় মানুষজন রাস্তাঘাটে মারা যাচ্ছেন। এগুলো অত্যন্ত দুঃখজনক, প্রাইভেট বা যেকোন হাসপাতালের এ ধরণের আচরণ অগ্রহণযোগ্য।’ জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে বেশি বেশি চিকিৎসাকেন্দ্র ও চিকিৎসাসেবা সহজতর করার কোন বিকল্প নেই।

মেয়র জানান চসিকের উদ্যোগে কোভিড-১৯ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করতে বুথ স্থাপন করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রেসক্লাব ও উত্তর কাট্টলী হাসেম নাজির হেলথ সেন্টারে করোনা টেস্টিং বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

এসময় প্যানেল মেয়র ড. নেছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সহ সভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজা, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, গ্রন্থগার সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সমাজ সেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক আইয়ুব আলী, ব্র্যাকের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. রেশমা খানম, আঞ্চলিক ম্যানেজার মো. হানিফ উদ্দিন, আকবর শাহ থানার আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. লোকমান আলী, আকবরশাহ ই্উনিটের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. নুর উদ্দিন, বিশিষ্ট শ্রমিক লীগ নেতা শফি বাঙালি, আকবরশাহ থানা সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ উপস্থিত ছিলেন।

বেসরকারি সংস্থার (ব্রাক) সহায়তায় কোভিড-১৯ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করতে উন্নত প্রযুক্তির কিওস্ক এর মাধ্যমে স্থাপিত হচ্ছে। বেসরকারি সংস্থা ব্রাক এসব বুথ থেকে নমুনা সংগ্রহ করবে এবং সেগুলো পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।

এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র আরো বলেন, আমরা অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এ জাতীয় ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে উৎসাহ দিচ্ছি। অবশ্যই, এই ধরনের সুযোগ-সুবিধা করোনা টেস্ট বাড়াতে বাড়তি সুবিধা দেবে। তবে জ্বর, কাঁশি, সর্দি ও করোনা উপসর্গ না থাকলে সে ব্যক্তি পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই। সুতরাং সুস্থ ব্যক্তিরা অহেতুক ভীর না করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান মেয়র।

এই বুথগুলো প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত গড়ে ৩০জনের নমুনা সংগ্রহ করবে।

তিনি জানান, এই বুথের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করতে জনবলও কম লাগবে। সন্দেহভাজন রোগীদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করার সময় এই বুথ স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিটি নমুনা সংগ্রহ করার পর তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম (পিপিই) বদলাতে হবে না। নগরীর বিভিন্ন স্পটে এ ধরনের মোট ৬টি নমুনা সংগ্রহ বুথ স্থাপন করা হচ্ছে এবং আমরা আশা করছি শিগগিরি কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ কাজে গতি আসবে।
কাঁচে ঘেরা কেবিনের মতো দেখতে নমুনা সংগ্রহ বুথটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে স্বাস্থ্যকর্মীরা যেখানে অবস্থান করেন সেখানকার পরিবেশ সবসময় জীবাণুমুক্ত থাকে। স্বাস্থ্যকর্মীরা বুথের বাইরে দাঁড়ানো মানুষের শরীর থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেন এর সঙ্গে থাকা গ্লাভস দিয়ে। ফলে তারা থাকেন পুরোপুরি নিরাপদ।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, প্রতিবার নমুনা সংগ্রহের পর গ্লাভস এবং যে চেয়ারে বসিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হলো তা জীবাণুমুক্ত করা হবে। পরীক্ষার জন্য বারবার হটলাইনে কল করতে হবে না বিধায় এটা মানুষের দুর্ভোগও কমাবে। আক্রান্তরা নিজেরাই পরীক্ষার জন্য বুথে যেতে পারবেন।

প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস প্রেসক্লাবে করোনা টেস্টিং বুথ স্থাপনের জন্য সিটি মেয়রের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোতে সংবাদিকদের জন্য অন্তত ২টি আইসিইউ বেড বরাদ্ধ রাখা হলে সংবাদকর্মীরা উপকৃত হবেন।

সিটি মেয়রের শোক

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের কার্য্যনির্বাহী সদস্য ও বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি, চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর, চসিক সাবেক কাউন্সিলর মো. নুরুল আলম , ৫নং মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক মো. রফিকুল আলম, মেরন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. এহছানুল করিম এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাউজানের এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী অগ্রজ এবিএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী মানিকের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন ।

আজ এক শোকবার্তায় মেয়র মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ করলেন সিটি মেয়র

করোনা সংকটকালীন সময়ে গরীব, দু:স্থ ও অসহায় মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া উপহার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন।

ত্রাণ বিতরণকালে মেয়র বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের একজন মানুষকেও খাদ্যের অভাবে মরতে দিতে রাজী নন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সর্বশক্তি দিয়ে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। মেয়র সমাজের বিত্তবানদেরও এই সংকটকালীন সময়ে গরীব দু:স্থদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহবান জনান ।

আজ বিকেলে নগরীর জে এম সেন হলে মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ১ হাজার দু:স্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত উপহার বিতরণকালে মেয়র এই আহবান জানান।

এসময় মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, সংগঠনের সভাপতি এড.চন্দন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক অর্পন কুমার মুখার্জী, সজল দত্ত, সুকান্ত মহাজন টুটুল, প্রসেনজিত সরকার, লিটন দাশ ইপ্তি, প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ বাপ্পী, মিত্র কুমাল শীল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’