খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে উপজেলা পর্যায়ে করোনা শনাক্তের শীর্ষে হাটহাজারী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে উপজেলা পর্যায়ে করোনা শনাক্তের শীর্ষে হাটহাজারী

মো: পারভেজ, হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:দেশের দুই পার্বত্য জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির একমাত্র প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত হাটহাজারী উপজেলা আজ করোনায় অরক্ষিত।

গত কয়েক দিনের পরিসংখ্যানই বদলে দিয়েছে হাটহাজারী উপজেলার করোনা পরিস্থিতির বর্তমান হালহকিকত। গত এক সপ্তাহে উপজেলায় শতাধিক করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।করোনার প্রকোপ থেকে রক্ষা পায় নি শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক বৃদ্ধ পর্যন্ত। আক্রান্ত হওয়া চিকিৎসক, সাংবাদিক, পুলিশ, ব্যাংক কর্মকর্তাসহ সকলকেই নাস্তানাবুদ করে ছাড়ছে প্রাণঘাতী এই করোনা ভাইরাস। সেই সাথে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর করুণ পরিণতির স্বাক্ষীও হয়েছেন হাটহাজারী উপজেলাবাসী। 

গত ২৮ এপ্রিল হাটহাজারীতে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় হাটহাজারীতেও প্রায় প্রতিদিনই করোনা শনাক্ত হতে থাকে। তবে ২১ মে থেকে এ শনাক্তের হার মারাত্মক আকার ধারণ করে।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, ২১ মে হাটহাজারী উপজেলায় মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৩৫ জন। আর ৫ জুন এসে করোনা শনাক্তের সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬৬ জনে। ফলে চট্টগ্রামে উপজেলা পর্যায়ে করোনা শনাক্তের শীর্ষে পৌছে গেল হাটহাজারী উপজেলা।

হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য মতে, ৩ এপ্রিল হতে শুরু হয়ে ৫ জুন পর্যন্ত হাটহাজারী উপজেলা থেকে প্রেরিত মোট ৮৬৬ টি নমুনার মধ্যে ৬৫৭ টির ফলাফল পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে ১৫৭ টি পজেটিভ ফলাফল। ১৫৭টি পজেটিভ এর মধ্যে অন্য উপজেলা/সিটির বাসিন্দা ১০ জন। এছাড়া হাটহাজারীর বাসিন্দা অন্য জায়গায় নমুনা দিয়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে এমন সংখ্যা ১৯ জন। ফলে হাটহাজারীতে মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৬৬ জন। এছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে ৫ জন। তবে আশার আলো এ পর্যন্ত সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ জন।

হাটহাজারীতে করোনা পরিস্থতির অবনতির কথা স্বীকার করে হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইতিয়াজ হোসাইন বলেন, করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স, সুইপার আক্রান্ত হয়েছেন।

তিনি এসময় সকলকে সচেতন হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…