খুঁজুন
, ,

সঞ্চালন লাইনের ত্রুটি মেরামত, গড় বিল সমাধান ও গ্রাহক ভোগান্তি নিরসনের আহবান সুজনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 14 July, 2020, 7:16 pm
সঞ্চালন লাইনের ত্রুটি মেরামত, গড় বিল সমাধান ও গ্রাহক ভোগান্তি নিরসনের আহবান সুজনের

সঞ্চালন লাইনের ত্রুটি মেরামত, গড় বিল সমাধান এবং গ্রাহক ভোগান্তি নিরসনে অতিসত্ত্বর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানিয়েছেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম এর প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শামছুল আলমকে ফোন করে এ আহবান জানান।

এ সময় সুজন বলেন বিদ্যুৎ হচ্ছে সভ্যতার লাইফ লাইন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একক নেতৃত্বে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় জনগনের দোড়গোড়ায় বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি গ্রাহকের ভুতুড়ে বিল সমন্বয় নিয়ে ত্বড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

তিনি বলেন, অনেক বাঁধা বিপত্তি পার হয়ে শত প্রতিকুলতার বিরুদ্ধে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে বিদ্যুৎ উৎপাদন এগিয়ে যাচ্ছে। সে ধারা অব্যাহত রেখে জনগনকে কাংখিত সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম এর সকল স্তরের কর্মকতা এবং কর্মচারীদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, হঠাৎ করে নগরজুড়ে লোডশেডিং, ট্রীপ এবং সাটডাউনের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে যে কারণে জনগনের দুর্ভোগ বেড়েছে। তাছাড়া সঞ্চালন লাইনে ত্রুটি, গড় বিল এবং লো ভোল্টেজের কারণেও গ্রাহকগণ কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে। ঘনঘন বিদ্যুতের যাওয়া আসায় জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এর ফলে গ্রাহকের মূল্যবান জিনিসপত্রও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবে গ্রাহকের সবচেয়ে বেশী অভিযোগ নিউমুরিং বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের বিরুদ্ধে। এ অফিসের আওতাধীন গ্রাহকগণ সীমাহীন ভোগান্তিতে রয়েছে। দেখা যাচ্ছে যে একটুখানি বৃষ্টি পড়ার সাথে সাথেই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও বিদ্যুতের দেখা পাচ্ছে না গ্রাহকরা। এছাড়া নতুন মিটার সংযোগ, মিটার নষ্ট হলে মিটার প্রাপ্তিতে ভোগান্তি, গ্রাহকদের অযথা হয়রানি এবং গ্রাহকদের সাথে দুর্ব্যবহার এ অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। তাছাড়া হালিশহর বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের ব্যাপক অনিয়মেও অতিষ্ট হয়ে উঠেছে সাধারণ গ্রাহকরা। এখানকার দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিমাসে ভুতুড়ে রিডিং দিয়ে গ্রাহকদের হয়রানি করছে। বিভিন্নস্থানে মিটার ছাড়াই অবৈধ সংযোগ দিয়ে বাড়তি টাকা আদায় করছে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আর সঞ্চালন লাইনের ট্রীপের কারণেও গ্রাহকগন ভোগান্তিতে রয়েছে। উপরন্তু এসব বিষয়ে কোন অভিযোগ দায়ের করলে এর প্রতিকার না করে উল্টো গ্রাহককে নানাভাবে হয়রানি করে। এতে করে নিউমুরিং এবং হালিশহর বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের উপর সাধারণ গ্রাহক প্রতিদিনই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছে। এতে করে যে কোন সময় জনবিস্ফোরন হতে পারে বলেও আশংকা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি দ্রুততার সাথে এসব সমস্যা সমাধান করে গ্রাহক ভোগান্তি শুন্যের কোটায় নিয়ে আসার জন্য প্রধান প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষন করেন। নচেৎ গ্রাহকের অভিযোগ প্রতিকারে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করা হবে বলেও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

এর আগে বেলা ১২টায় বিদ্যুতের বিভিন্ন সমস্যা এবং গ্রাহক ভোগান্তি নিয়ে প্রধান প্রকৌশলীর সাথে সুজনের নির্ধারিত মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হওয়ার কথা ছিল। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা করোনা আক্রান্ত থাকায় নির্ধারিত সভাটি স্থগিত করা হয়।

বিউবো’র প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শামছুল আলম প্রথমেই নির্ধারিত মতবিনিময় সভাটি স্থগিত হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আমরা সবাই হচ্ছি জনগনের সেবক। সে লক্ষ্যে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর একক পদক্ষেপের কারণে সারা দেশজুড়ে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে। যার কারণে একদিকে যেমন বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে এবং অন্যদিকে জনগনও নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের আগে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনগুলো ছিলো অনেক পুরানো। সাবষ্টেশন ছিল অপ্রতুল। প্রতিদিনই কোন না কোন এলাকায় ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে গ্রাহক ভোগান্তি হতো। বর্তমানে বিদ্যুৎ অফিসের সে রকম কোন সমস্যা নেই। তবে লাইনের ট্রীপের কারণে কিছু কিছু বিতরণ বিভাগের গ্রাহকগণ দুর্ভোগে আছেন। আমরা প্রতিদিনই কোন না কোন বিতরণ বিভাগে লাইনের মেরামত এবং ত্রুটি নিরসনে কাজ করছি।

তিনি সুজনের অভিযোগগুলো নিয়ে স্ব-স্ব বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীদের সাথে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এছাড়া কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী যদি গ্রাহকদের অযথা হয়রানি করে তার বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। তিনি গ্রাহকদের যে কোন সমস্যায় সরাসরি তাঁর দপ্তরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।