খুঁজুন
, ,

যশোরে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে পানিতে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 6 October, 2020, 1:12 am
যশোরে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে পানিতে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন

নিলয় ধর, যশোর প্রতিনিধি : যশোরে ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট (টিআরএম) প্রকল্প এবং আমডাঙ্গা খাল সংস্কার,বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটি।

সোমবার (০৫ অক্টোবর) সকাল ১১টার যশোর অভয়নগর উপজেলার মশিয়াহাটী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত মানববন্ধনে ভবদহসহ আশপাশের এলাকার সহস্রাধিক বাসিন্দা অংশ নেন।

জলাবদ্ধতা নিরসনে ভবদহ এলাকায় টিআরএম চালু,আমডাঙ্গা খাল সংস্কার,জলাভূমি করার চক্রান্ত প্রতিহত , জলপ্রাবাহে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ সকল নদী ও খাল পুনরুদ্ধার,ভবদহ সুইস গেট ২১ও ৯ ভেন্টের মাঝ দিয়ে রাসরি নদীতে সংযোগের দাবীতে জলের মধ্যে মানববন্ধন করে বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান তারা।

এ মানববন্ধন বক্তারা বলেন- দীর্ঘ ৪০ বছর ভবদহের মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর, কেশবপুরসহ আশপাশের গ্রামের ২ লাখ মানুষ জলাবদ্ধতায় ভুগছে। পশু ও মানুষে একত্রে বসবাস করছে। বন্ধ হয়েছে চাষাবাদ, নেই জীবিকা উপার্জনের পথ। মেলেনি কোন ত্রাণ বা সরকারি সহায়তা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতীর কারণে ভবদহ এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। পনি সরান, নইলে আমাদেরকে মেরে ফেলেন। ভবদহের জলাবদ্ধতা নিরসনে অবিলম্বে টিআরএম চালু, আমডাঙ্গা খাল প্রসস্থকরণ ও টেকা, শ্রীহরি নদীর খনন, স্লুইচ গেটে বৈদ্যুতিক সেচ পাম্প স্থাপন, ত্রাণের ব্যবস্থা করা, সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে আসন্ন বেরো মৌসুমে কৃষকের চাষের ব্যবস্থা করা সহ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা।

এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নাগরিকদের মধ্যে। এ দাবি মানা না হলে ভোট বর্জনের সিদ্ধান্তও তারা নিতে পারে। তাদের দাবি মানা না হলে আগামী দিনে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন বলে সাফ জানিয়েছেন।

ভবদহ পানিনিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ব্যর্থতায় ভবদহের শতাধিক গ্রাম তলিয়ে গিয়েছে।ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ঘর পুনর্নির্মাণ করতে হবে। তার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিল কপালিয়ায় টিআরএম জোয়ারধারার চালু করতে হবে। এই দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সোমবার যশোর মশিয়াহাটীতে মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুল হামিদ ও রণজিৎ কুমার বাওয়ালি। কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবীর জাহিদ, সদস্য সচিব চৈতন্য পাল, উপদেষ্টা হাচিনুর রহমান,৫নং হরিদাসকাটি সুকৃতি রায়, সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচীব কাত্তিক বকশী।

ভবদহ পানি নিষ্কাষণ আন্দোলন কমিটির ব্যানারে মানবন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে প্রায় প্রতিটি বাড়ি পানিবন্দী হয়ে পড়ে। তলিয়ে যায় বাড়ি-ঘরসহ মাঠের সব ফসল। অসহায় অধিকাংশ মানুষকে ঘরছাড়া হতে হয়। কিন্তু এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিল কপালিয়া বা ভবদহ সংলগ্ন অন্য কোন বিলে টিআরএম বাস্তবায়নের দাবি জানালেও সে দাবি উপেক্ষিত হচ্ছে। এর পরিবর্তে অপরিকল্পিতভাবে নদী থেকে পলি অপসারণ করা হচ্ছে। যা আবার নদীতে গিয়ে পড়ছে। তাই অবিলম্বে টিআরএম বাস্তবায়নের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

এছাড়াও গত রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘটের ডাক দেয় ভবদহ পানি নিস্কাশন আন্দোলন কমিটি। অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেন অভয়নগর ও মণিরামপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের পানিবন্দি হাজার হাজার নারী-পুরুষ।ভবদহের পানিবন্দি মানুষের অবস্থান ধর্মঘট ও স্মারকলিপি পেশ করেন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

 

Feb2
Feb2

এ্যাব কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ‘পিআরইউ’‌র সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 5:01 pm
এ্যাব কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ‘পিআরইউ’‌র সাক্ষাৎ

এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ(এ্যাব) কেন্দ্রীয় সংসদের আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন এবং এ্যাব কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য সচিব আশির দশকের সাবেক চুয়েট ছাত্রদল নেতা ইঞ্জিনিয়ার শোয়েব বাশরী হাবলুর সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন সাংবাদিকদের প্লাটফর্ম পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি (পিআরইউ) নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের আহ্বায়ক ও দৈনিক দিনকাল চট্টগ্রাম ব্যুরো চীফ হাসান মুকুলের নেতৃত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন পিআরইউ’র সদস্য সচিব ইমরান ইমি, সদস্য জহিরুল ইসলাম জহির, পিআরইউ’র উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সাজ্জাদ হোসেন খাঁন, পিআরইউ’র সদস্য মঞ্জুর মোরশেদ রনী, মোঃ কামরুজ্জামান, কামরুল হাসান রিয়াদ, সালে আহমদ খোকন, জাবেদ শাফায়েত সুবহান, মেহেদী হাসান, রিফাতুল ইসলাম শাওন, জাহেদ হোসেন ইফতি‌, কাজী সাকলাইন মুস্তাফা, মোঃ জাকির হোসেন প্রমুখ।

নিরাপত্তাহীনতা থাকলে চিকিৎসকদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 4:31 pm
নিরাপত্তাহীনতা থাকলে চিকিৎসকদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নয়। উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ, সুশাসন ও সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। একইসঙ্গে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন যতই করা হোক, চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা যাবে না।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের ভবন-২ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, নতুন ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগোনো সম্ভব হয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সময়ের প্রয়োজনে আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাসপাতালটি আজ আকার ও আয়তনে বড় রূপ ধারণ করেছে। তিনি হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, হেলথ টেকনিশিয়ানসহ সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

‘নিউরোচিকিৎসার সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে’

নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক জটিলতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্ট্রোক, ইপিলেপসি বা খিঁচুনি, পারকিনসন্স ডিজিজ, ডিমেনশিয়া কিংবা মেরুদণ্ডের জটিল রোগের মতো সমস্যায় দেশে আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসার চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

৫০০ শয্যার আধুনিক ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এ ধরনের রোগের চিকিৎসা সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, সর্বাধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও বিশেষায়িত ওয়ার্ডের সমন্বয়ে গঠিত নতুন ভবনটি শুধু রোগী ভর্তির ধারণক্ষমতা বাড়াবে না, চিকিৎসা গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ যেন স্বল্প খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পান, সেই লক্ষ্যেই ‘নিউরোসায়েন্স-২’ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অতিরিক্ত বেড ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে তোলা এই ব্যবস্থা দেশের হাজারো রোগীর জন্য আশার আলো বয়ে আনবে।

‘প্রযুক্তির সঙ্গে মানবিকতাও জরুরি’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু প্রযুক্তি থাকলেই একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হয় না। এর সঙ্গে মানবিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রোগীর ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের বিকল্প নেই।

রোগীর প্রতি চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর সহানুভূতিশীল আচরণ, মনোযোগ দিয়ে রোগীর কথা শোনা, তার মানসিক অবস্থা বোঝা এবং সম্মানজনক আচরণ চিকিৎসার মান অনেক বাড়িয়ে দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে চিকিৎসাসেবা ও চিকিৎসার পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখার দায়িত্ব শুধু চিকিৎসকের নয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর উদ্বিগ্ন স্বজন—এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহানুভূতির সম্পর্ক বজায় থাকা জরুরি।

তারেক রহমান বলেন, এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের পরিবর্তে চিকিৎসকেরা যদি নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেন, কিংবা রোগী ও তার স্বজনেরা চিকিৎসকদের ওপর বিশ্বাস ও মর্যাদার সম্পর্ক অনুভব না করেন, তাহলে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন যতই করা হোক, চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা যাবে না।

‘স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া জরুরি’

স্বাস্থ্যের অধিকার শুধু মৌলিক অধিকার নয়, এটি একটি জাতির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতিরও চাবিকাঠি বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া জরুরি। উন্নত চিকিৎসা যদি শুধু শহরের বিত্তবান মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বলা যায় না।

প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক মানুষের কাছেও সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন রোগীকে যেন যেকোনো চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাজধানীতে আসতে না হয়, সে জন্য সরকার ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি চিকিৎসাসুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে।

এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই পর্যায়ক্রমে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অক্টোবরে চালু হবে পাঁচ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সুস্থ আগামী’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য। এ লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার শিশুদের জন্য নতুন শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করছে।

একইভাবে শিশুস্বাস্থ্যের প্রতিও সরকার বিশেষভাবে নজর দিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর অংশ হিসেবে খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর কাজ শুরু হয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসে একযোগে এই পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করতে সরকার সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের কথা উল্লেখ

জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দিয়ে বর্তমান সরকার প্রমাণ করেছে যে ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য শুধু স্লোগান নয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকার দেশে একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যাতে মানুষ দেশের ভেতরেই সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা পায়। তবে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার উন্নয়নে সরকার যত উদ্যোগই গ্রহণ করুক না কেন, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং সর্বোপরি স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকার ওপরই স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার সাফল্য নির্ভর করবে।

‘অর্থাভাবে কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না’

সরকার এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে চিকিৎসা পাওয়ার জন্য কোনো নাগরিককে দেশের বাইরে যেতে হবে না এবং অর্থাভাবে কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না—এমন প্রত্যয়ের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 4:29 pm
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে ৪ নেতাকে নতুন সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। দলের সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

নতুন মনোনীত নেতারা হলেন— অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম এবং মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়, দলের সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উল্লিখিত নেতাদের বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, নতুন মনোনীত নেতারা তাদের মেধা, অভিজ্ঞতা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে সুচিন্তিত পরামর্শ দেবেন।

একইসঙ্গে দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরামে দল ও জনগণের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলে দলটির পক্ষ থেকে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।