খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কর্ণফুলী উপজেলা চত্বরে ৮ মিনিটের ফ্যাকাসে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
কর্ণফুলী উপজেলা চত্বরে ৮ মিনিটের ফ্যাকাসে মানববন্ধন

কর্ণফুলী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বানাজা বেগম নিঁশিকে কর্ণফুলী উপজেলা এলজিইডি অফিসের হিসাবরক্ষক রফিকুল ইসলাম এর অশালীন ভাষা ব্যবহার এবং ঘুষের টাকা চাওয়ার প্রতিবাদ সম্বেলিত একটি ব্যানার টাঙিয়ে উপজেলার সাধারণ জনগণের পক্ষে মানববন্ধন পালন করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) কর্ণফুলীর রিভারভিউ কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিকেল ৪টা ৫২মিনিট থেকে ৫টা পর্যন্ত মাত্র ৮মিনিট অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী জুবায়দা আক্তার মিতু, হালিমা খাতুন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অনতিবিলম্বে মদদদাতাকারী উপজেলা প্রকৌশলী জয়শ্রী দে ও হিসাবরক্ষকের বহিষ্কারের দাবি তোলা হয়। অন্যান্যদের সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন কর্ণফুলীতে কর্মরত প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার কয়েকজন সাংবাদিকবৃন্দ।

মূলত আজ বিকেল ৪টায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বানাজা বেগম নিঁশির উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে উপজেলার সকল সাংবাদিককে তিনি নিজেই ফোন করেছিলেন। কিন্তু ঘটনাস্থলে নির্ধারিত সময়ে অনেক সাংবাদিক উপস্থিত হলেও কারো দেখা না পেয়ে অনেকে চলে যান।

পরে সংবাদ সম্মেলন এর পরিবর্তে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয় নির্ধারিত সময়ের ১ঘন্টা পর। এতে বানাজা বেগম নিঁশি নিজে উপস্থিত ছিলেন না। ঐ সময় তিনি উপজেলা পরিষদে বসা ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত (২৬জুলাই) দুপুরে কর্ণফুলী উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল (এলজিইডি) অফিসের জিনিসপত্র ভাঙচুর ও হিসাবরক্ষককে মারধরের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বানাজা বেগম নিঁশি। এ সংবাদ চট্টগ্রামের বিভিন্ন পত্রিকার শিরোনাম হয়।

মারধরের শিকার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান উল্টো তার কিছু অনুসারি ও হতদরিদ্র মহিলাদের ফুঁসলিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আমাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…