খুঁজুন
, ,

শনিবার খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচন,শেষ সময়ে ব্যস্ত প্রার্থীদের জমজমাট প্রচারণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 13 January, 2021, 12:04 pm
শনিবার খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচন,শেষ সময়ে ব্যস্ত প্রার্থীদের জমজমাট প্রচারণা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : আগামী ১৬ জানুয়ারী খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচন। গত ৩০ ডিসেম্বর প্রতীক পাওয়ার পর থেকে প্রচারণায় নেমেছেন মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরা। এরিমধ্যে জমে উঠেছে খাগড়াছড়ি নির্বাচনী প্রচারণা। প্রার্থীরা নিজ নিজ কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে ভোটারদের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন ভোট ও দোয়া চাইতে দিচ্ছেন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি।

খাগড়াছড়ি পৌরসভা বর্তমানে প্রথম শ্রেণি পৌরসভা, এই পৌরসভার জন্য এটি হবে ৭ম পৌর পরিষদ। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনী প্রচারণা ততই জমে উঠতে শুরু হয়েছে। তবে এবার ভোটাররা বলছেন তারা সৎ যোগ্য শিক্ষিত, মুক্তি যুদ্ধের স্বপক্ষের লোক, যিনি পৌর এলাকার উন্নয়ন, নারী উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, গরীব ও অসহায় দুস্থ লোকদের নিয়ে কাজ কবরেন এবং রাস্তাঘাট উন্নয়ন করবেন সেই ব্যক্তিকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। আর যারা নির্বাচনে প্রতিদন্ধীতা করছেন তারাও ভোটারদের ওয়াদা দিচ্ছেন, তারা এলাকার উন্নয়ন করে জনগণের প্রত্যাশা পুরণ করবেন।

খাগড়াছড়ি পৌরসভার নয় নং ওয়ার্ডের ফুটবিল, বটতলী অর্পণা চরণ মাস্টার পাড়া, নরেন্দ্র ডাক্তার পাড়া এলাকার ভোটারদের অভিযোগ তারা সবচাইতে অবহেলিত। এসকল এলাকায় কোন উন্নয়ন হয়নি। তাদের নেই কোন চলাচলের রাস্তা, জমিনের আইলের উপর দিয়ে তাদের চলাচল করতে হয়। তাই তাদের দাবী এবার যিনি নির্বাচিত হবেন তিনি যেন তাদের এলাকাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করেন।

নয় নং ওয়ার্ড ও সাত নং ওয়ার্ডের সংযোগ সড়ক নিউজিল্যান্ড এলাকা বাসিন্দানের অভিযোগ খাগড়াছড়ির এক টুকরো নিউজিল্যান্ড। এটি খাগড়াছড়ি একটি প্রসিদ্ধ এলাকা কিন্তু বর্তমান মেয়র মোঃ রফিকুল আলম দীর্ঘ দুই বছর ক্ষমতায় ছিলেন অনেক এলাকায় উন্নয়ন করলেও এই নিউজিল্যান্ড সড়ক নিয়ে কোন কাজ করেননি। তাদের দাবী এবার যিনি নির্বাচিত হবেন তিনি যেন আগে নিউজিল্যান্ড সড়কটি নিয়ে কাজ করেন।
সব মিলিয়ে খাগড়াছড়ি পৌরবাসীরা এবার বলছেন তারা তাদের যোগ্য ও মনোনীত ব্যাক্তিকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এবার খাগড়াছড়ি আওয়ামীলীগ,বিএনপি, জাতীয় পাটি ও বিদ্রোহী আওয়ামীলীগের একজনসহ মোট ৪ জন মেয়র পদে,৩৯ জন কাউন্সিলর ও ১০ জন নারী ওয়ার্ড নারী কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদন্ধীতা করছেন। তবে ১নং ওয়ার্ডে অতীশ চাকমা কোন প্রতিদ্বন্ধী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এটি তার ২য় বার নির্বাচিত হওয়া।

আওয়ামীলীগের নৌকা মার্কার প্রার্থী নির্মলেন্দু চৌধুরী জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যাক্ত করে বলেন তার দল বর্তমানে ক্ষমতায় আসেন, তাই তার পক্ষে খাগড়াছড়ি পৌরসভার উন্নয়ন করা সম্ভব। তিনি পৌরবাসীদের ওয়াদা দিচ্ছেন তিনি নির্বাচিত হলে খাগড়াছড়ি পৌরসভাকে একটি আধুনিক জনবান্ধব, যানজট মুক্ত পর্যটন মুখী ও সমৃদ্ধশালী পৌরসভা গঠনের জন্য কাজ করবেন। শুধু তাই নয় বর্তমানে যে করের বোঝা তা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসবেন ও পুরো পৌরসভা সমতা বিভিত্তে উন্নয়ন করবেন বলে ভোটারদের ওয়াদা চিচ্ছেন। তিনি মনে করেন এবার উন্নয়নের পৌরবাসী থাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইব্রাহীম খলিল তিনি বলেছেন খাগড়াছড়ির জনগণ যদি শংকা মুক্ত ভাবে ভোট দিতে পারে তাহলে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন। তিনি নির্বাচিত হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করবেন,জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সম উন্নয়ন ভিত্তিতে কাজ করবেন মাদক মুক্ত পৌরসভা গঠন করবেন।

আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোবাইল মার্কা নিয়ে নির্বাচন করা মোঃ রফিকুল আলম বলেন তিনি বিগত দুই টার্ম মেয়াদে খাগড়াছড়ি পৌরসভাকে একটি আধুনিক যানজট মুক্ত শহর গড়ে তুলেছেন। এবার তিনি তার অসমাপ্ত কাজ গুলো শেষ করার জন্য আরো একবার ভোট চাইছেন। তবে এবার নির্বাচিত হলে তিনি হবেন ৩য় বার নির্বাচিত মেয়র।

জাতীয় পাটির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা ফিরোজ আহম্মেদ এর কাজ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে এবার ২০ হাজার ৩শ ৫১ জন পুরুষ ভোটার ও ১৬ হাজার ৭শ ৩৬ জন নারী ভোটার। মোট ৩৭ হাজার ৮৭ জন ভোটার ১৮ টি কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তাদের মনোনীত ও যোগ্য প্রার্থীকে নিবাচিত করবে।

২৪ ঘণ্টা/প্রদীপ চৌধুরী

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।