খুঁজুন
, ,

একনেকে ৪ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 3 February, 2021, 8:12 pm
একনেকে ৪ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ ৪ হাজার ৩৪৭ দশমিক ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এছাড়াও একনেকের বৈঠকে আরো ৭টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। আটটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৩২৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫ হাজার ১৪০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৬ হাজার ১৬৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ১৮ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

বুধবার রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগদান করে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানসহ একনেকের বাকি সদস্যরা এনইসি সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন।

এছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনা সচিব জয়নুল বারি, বাস্তবায়ন,পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, পরিকল্পা কমিশনের কৃষি পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য জাকির হোসেন আকন্দ।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর একটি বড় প্রকল্প। এখানে আমরা অবকাঠামো তৈরি করে দেব। বিনিয়োগকারীরা বাকি কাজ করবে। শিল্প নগরে আমর্স বা ড্রাগ তৈরির জন্য প্রকল্প নেয়া যাবে না। এখানে আমাদের অনুমোদিত পণ্য তৈরির জন্য যে কেউ বিনিয়োগ করতে পারবে।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে- পল্লী সড়কে গুরত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ প্রকল্প, ঢাকা এনভায়রনমেন্টালী সাসটেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট, টাঙ্গাইল জেলার ১০টি পৌরসভা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, যানবাহন চালনা প্রশিক্ষণ প্রকল্প, তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধন প্রকল্প, ডিজিটাল উদ্যোক্তা এবং উদ্ভাবন-ইকো-সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর উন্নয়ন প্রকল্প, হাতিয়া দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ ও কুতুবদিয়া দ্বীপ শতভাগ নির্ভরযোগ্য ও টেকসই বিদ্যুতায়ন প্রকল্প।

ঢাকা এনভায়রনমেন্টালী সাসটেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট-এর আওতায় পরিবেশগত ও জলবায়ু প্রভাবের কারণে বাধাগ্রস্থ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরো উন্নত করতে রাজধানীর পানি সরবরাহ আরও উন্নত করতে মেঘনা নদী থেকে পানি আনা হবে।

যানবাহন চালনা প্রশিক্ষণ প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষিত ড্রাইভার তৈরি করা হবে। এক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তবে, যারা নিরক্ষরদের নেয়া হবে না। যারা অষ্টম শ্রেণী পাশ, সুস্বাস্থ্যেও অধিকারি এবং চোখ ও কান যাদের ঠিক থাকবে তারা প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন বলে মন্ত্রী জানান।

বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, জানুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক শূন্য ২ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।

খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২৩ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভুত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ২১ শতাংশ।

এম এ মান্নান বলেন, এ মাসে চালের দাম নিয়ে লাফালাফি হলেও এর প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়েনি। আগামী মাসে আশা করি মূল্যস্ফীতি আরও কমবে।

গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। খাদ্য-পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৭২ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ। খাদ্য-বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

মন্ত্রী জানান, প্রকল্প তৈরিতে যাদের কারণে পরবর্তীতে নতুন আইটেম যোগ করতে হয় এবং এর ফলে, প্রকল্প-ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, প্রকল্প তৈরিতে যাদের কারণে ভুল হয়, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ প্রকল্পের সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুঁজে বের করুন, কারা জড়িত ছিলেন। সেই সঙ্গে জানাতে হবে এদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী আরো বলেন, প্রকল্প পরিচালকদের প্রকল্প এলাকায় থাকতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বড় বড় সেতু নির্মাণে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করতে হবে। জনগণের প্রয়োজনে তৈরি করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন সেতু নির্মাণের কারণে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্থ না হয়। সেতুগুলো এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে নৌ-চলাচল বাধাগ্রস্থ না হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু বড় ঠিকাদাররাই নয়, ছোট ঠিকাদাররাও যাতে কাজ পান সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে।

 

Feb2
Feb2

ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ চাই না : রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 9:32 pm
ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ চাই না : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত, কোনো সংঘর্ষ চাই না। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে বলবো— আপনারা নিজেদের রাজনীতি করবেন, মতবাদ প্রচার করবেন, কিন্তু সংঘাতে কখনো জড়াবেন না।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নির্বাচনের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব নির্বাচনী প্রচারণায় এসেছিলেন। তিনি আপনাদের সামনে কতগুলো কথা দিয়েছিলেন। আমরা যে দাবিগুলো রেখেছিলাম, তার মধ্যে ছিল আমাদের একটা পাবলিক ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি হয়ে গেছে, ভাইস চ্যান্সেলর বসে আছেন, সামনে এখন শিক্ষক নেবে। জমির টাকা দেওয়া হয়ে গেছে। কালকে ইনশাআল্লাহ আমরা সেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করব। সেখানে আপনাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া, উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারবে। এখানে মেডিকেল কলেজের কথা বলেছিলাম, আমাদের মনে আছে। আপনাদের মেডিকেল কলেজ হয়েছে, জায়গাও ঠিক হয়ে গেছে, আগামী বছর থেকে ইনশাআল্লাহ ছাত্রভর্তি শুরু হবে। আমাদের ভূল্লী ও রুহিয়ার দুইটা আলাদা উপজেলা করার দাবি ছিল আপনাদের, দুটোই হয়ে গেছে, ইউএনও যোগ দিয়েছেন এবং কাজ শুরু হয়ে গেছে।

বিমানবন্দর ও শিল্পায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিমানবন্দর আপনারা চাইছিলেন, আমি রাজি হয়েছি আপনাদের কথায়। বিমানবন্দর হলে আমাদের সাধারণ মানুষ খুব একটা উপকৃত হবে তা নয়, কিন্তু যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করবেন তাদের জন্য সহজ হবে। কিন্তু বিমানবন্দরটাকে যদি চালু করতে হয়, ভবিষ্যতে টিকিয়ে রাখতে হয়, তাহলে আমাদের এখানে কলকারখানা বাড়াতে হবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে। আমাদের এখানে কলকারখানা, ফ্যাক্টরি, ইন্ডাস্ট্রি একদম নেই। মানুষের কাজ নেই। এই কাজের জন্য আমরা চেষ্টা করছি। সরকারে আসার পরপরই আমরা এখানে অর্থ উপদেষ্টাকে নিয়ে এসেছিলাম, তিনি পুরো জায়গাটা দেখেছেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বাণিজ্যমন্ত্রীও এসেছিলেন, তিনিও সব ঘুরে দেখেছেন। আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার জন্য কিছু বিনিয়োগকারীকে এখানে নিয়ে আসতে সক্ষম হব।

চীনের সঙ্গে সহযোগিতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, আমরা এখানে চীনের রাষ্ট্রদূতকে নিয়ে এসেছিলাম। এই স্টেডিয়ামে তিনি প্রায় ছয় হাজার শিশুকে স্কুলব্যাগ দিয়েছিলেন। কিছুদিন আগে দশজন ছাত্র ও পাঁচজন শিক্ষককে চীনে ঘুরিয়ে দেখিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা আশা করছি, এখানে কলকারখানা তৈরির জন্য চীন থেকেও বিশেষজ্ঞরা আসবেন।

রাজনৈতিক সহনশীলতার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ খুব নির্ঝঞ্ঝাট। এখানে মামলা-মোকদ্দমা সবচেয়ে কম হয় এবং সবাই নির্ঝঞ্ঝাট থাকতে চায়। আমরা এই অবস্থাটা রাখতে চাই। আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত, কোনো সংঘর্ষ চাই না। আমরা সব রাজনৈতিক দলকে বলব, আপনারা নিজেদের রাজনীতি করবেন, মতবাদ প্রচার করবেন, কিন্তু কখনো সংঘাতে জড়াবেন না। অতীতে আমরা দেখেছি, ঠাকুরগাঁওয়ে আমাদের গণতন্ত্রকামী মানুষদের ওপর কী অকথ্য নির্যাতন হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, শত শত-হাজার হাজার মিথ্যা মামলায় আমাদের শ্রমিক-কৃষকদের অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা সেই সময়টা পার হয়ে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, প্রিয় ঠাকুরগাঁওবাসী, আমি সেসব কথা বলে আপনাদের ভারাক্রান্ত করতে চাই না। আমরা অনেক ত্যাগ ও রক্তপাতের বিনিময়ে আজ এখানে এসেছি। কিছুক্ষণ আগে দেখলেন, কয়েকজন মহিলা এসে সহযোগিতা নিয়ে গেলেন, তাদের সকলেরই সন্তান এই সংগ্রামে নিহত হয়েছে। এ রকম মৃত্যু, এই রক্তপাত আমরা আর দেখতে চাই না। আমরা যে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছি, সেই গণতন্ত্রকে আমরা রক্ষা করতে চাই। আমরা বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই একটা সমঝোতার রাজনীতি দেখতে চাই। আমরা দেখতে চাই না যেখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানের মধ্যে কোনো বিভেদ সৃষ্টি হয়। আমরা দেখতে চাই সবাই একসঙ্গে একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে নিজেদের অধিকার নিয়ে বসবাস করুক।

মঞ্চে উপস্থিত অন্য দুই রাজনৈতিক নেতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে আজ দুলু সাহেব আছেন, তার জেলা লালমনিরহাট, তিনি সেখানে চমৎকার একটা পরিবেশ তৈরি করেছেন। আমাদের পাশের জেলার মন্ত্রী ফরহাদ আজাদ সাহেবও আছেন, তিনিও পঞ্চগড়কে একটি আলোকিত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। আমার অনুরোধ থাকবে, কোনো হানাহানি নয়, আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়েই আমরা রাজনীতি করব। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সহিষ্ণুতা।

মন্ত্রী থাকাকালে নেওয়া উদ্যোগের কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি যখন মন্ত্রী ছিলাম, তখন এই এলাকায় মাদরাসা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭২ কোটি টাকার সহযোগিতা করা হয়েছে।

দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রামে আনন্দ সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 7:38 pm
দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রামে আনন্দ সমাবেশ

বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শের’ মুখপাত্র দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিসের উদ্যোগে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআরইউ’র আহ্বায়ক ও দৈনিক দিনকাল ব্যুরো চীফ হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত।

উক্ত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বিনিময়, আনন্দ সুধী সমাবেশ ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ‌ অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, আব্দুল হালিম শাহ আলম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আর ইউ চৌধুরী শাহিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, শওকত আজম খাজা, সাবেক কমিশনার নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁন, মহানগর যুবদল সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক ইদ্রিস আলী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সাংবাদিক নেতা মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, সাংবাদিক নেতা সালেহ নোমান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ , ডা: এসএম সারোয়ার আলম, আবু সালেহ, ফজলুল হক সুমন, মামুনুর রশিদ শিপন, সাইফুল ইসলাম টুটুল, জসীম উদ্দীন চৌধুরী, তানভীর মল্লিক, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, মহানগর যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক ও লেখক জহিরুল ইসলাম জহির, স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য’ ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগার চট্টগ্রামের সহ- প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন খাঁন, ড্যাব নেতা ডাক্তার এস এম রিয়াসাদ সাহাবুদ্দিন, ডাক্তার ইফতেখার আদনান, ডাক্তার মেহেদী হাসান, ডাক্তার সৈয়দ মোঃ হোসেন ফাহাদ, ডাক্তার মাইমুন রিদোয়ান চৌধুরী, ডাক্তার সামিউল, এস এম শাহরিয়ার জিয়া, ডাক্তার হাসিবুল হাবিব, ডাক্তার সামেদ আহাম্মেদ, সাইফুল ইসলাম ইমন, ডাক্তার সাজিদ রোহান, মোঃ মুশফিকুর রহমান, শাহেদ হাওলাদার, সাবেক কাউন্সিলর জেসমিন খাঁনম, বেগম খালেদা বোরহান, জিন্নাতুন নিছা জিনিয়া, সেলিম উদ্দিন রাসেল, শাহেদুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, বেগম শামসুন নাহার বাবুল, জসীম উদ্দীন সাগর, হাফেজ মোঃ কামাল উদ্দিন, লায়ন সালাউদ্দিন আলী, মিম ইসলাম, সানজিদা ইসলাম, খোরশেদ আলম কে আলম, হামিদুল হক চৌধুরী, মোছাঃ নাসরিন, মইনুদ্দিন খাঁন রাজিব, আসিফ চৌধুরী লিমন, সৌরভ প্রিয় পাল, এ্যাব নেতা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, দিদারুল ইসলাম, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, ইমরান হোসেন, সৈয়দ সাফওয়ান আলী, সাংবাদিক বিপ্লব পার্থ, পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ইমরান এমি, সূফিবাদী ঐক্য ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা নুর মোহাম্মদ রানা, মোরশেদ রনী, কাজী সরোয়ার মঞ্জু, ফরহাদুল ইসলাম, জাহেদ চৌধুরী, এএফ রুমী, এডভোকেট রেজাউল, ইকবাল হায়দার, দীপক চৌধুরী কালু, সাজু দাস, টিটু মহাজন, জাভেদ ওমর, সাংবাদিক নেতা সাইফুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, ইসমাইল ইমন, কামরুল কুতুবী, শফিউল শামু, মেহেদী হাসান রায়হান, জাহেদ হোসেন ইফতি, মোঃ সালাউদ্দিন, নাহিদা নাজু, এস. বি‌‌ সুমী, ইকবাল পিন্টু, রিফাত চৌধুরী লিজা, আলমগীর, মোঃ মামুন, কুতুব উদ্দিন নয়ন, শাহাদাত হোসেন সাজ্জাদ, সত্যজিৎ বড়ুয়ার রুপু, বোরহানুল হক, এস এম তৈয়ব, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম জাহেদ, সালেহ আহাম্মদ খোকন, নজরুল ইসলাম, জুলাই যোদ্ধা রিদওয়ান সিদ্দিকী, কাজী সাকলাইন মোস্তফা, ইলিয়াস আকাশ, মুহাম্মদ সারোয়ার, মীর মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, মোঃ রুবেল, শরিফুল ইসলাম আবীর, মঞ্জরুল আলম, মো: রাকিব, জাহিদুল ইসলাম আরাফাত সহ- পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআর ইউ’র নেতৃবৃন্দ।

 

৪১ বছর পর্দাপন অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, আজ একটি আনন্দ ও গৌরবের দিন। আজ দৈনিক দিনকাল তার গৌরবময় পথচলার ৪১ বছর পূর্ণ করেছে। এই দীর্ঘ পথচলায় পত্রিকাটি বাংলাদেশের সংবাদপত্রের জগতে একটি পরিচিত নাম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ৪১ বছর শুধু একটি সংখ্যা নয়—এটি চার দশকেরও বেশি সময়ের শ্রম, নিষ্ঠা, সাহস, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই এবং পাঠকের ভালোবাসার প্রতিফলন।

একটি সংবাদপত্রের মূল শক্তি হলো সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রতি তার অঙ্গীকার। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের ধরন ও প্রযুক্তি বদলেছে, পাঠকের প্রত্যাশা বদলেছে; কিন্তু মানুষের জানার অধিকার, সত্য জানার আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার প্রয়োজন কখনো বদলায়নি। সেই দায়িত্বকে সামনে রেখে দিনকাল-এর পথচলা আরও সমৃদ্ধ হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আজকের এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠা ও বিকাশের সঙ্গে যুক্ত সকল ব্যক্তি, সাংবাদিক, সম্পাদক, লেখক, কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের। যাঁদের শ্রম ও অবদানে দিনকাল আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে, তাঁদের প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্রুত বিস্তার, ভুয়া তথ্যের প্রবাহ এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের এই যুগে একটি সংবাদপত্রের জন্য বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আগামী দিনের দিনকালকে আরও আধুনিক, অনুসন্ধানী, জনবান্ধব এবং প্রযুক্তিনির্ভর সংবাদমাধ্যম হিসেবে এগিয়ে যেতে হবে।

রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 4:15 pm
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে। গত ৩০ জুনের হিসাবে এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম প্রশ্ন রেখে বলেন, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে বর্তমান খেলাপি ঋণের পরিমাণ কত এবং ব্যাংকভিত্তিক হিসাব কী?

জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ৬টি ব্যাংক (অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বেসিক ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি) এর ৩০ জুন ২০২৬ ভিত্তিক খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে।

তিনি জানান, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৯০২৯ .৬৭ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৮৮.৭৯ কোটি টাকা, বেসিক ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮১৩১.০৯ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫৩৯৬.৬৭ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯২৮১.৭৪ কোটি টাকা এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৫০৪৮.৩৯ কোটি টাকা।