খুঁজুন
, ,

জীবন ও জীবিকার সাথে জড়িত সবগুলি অধিকারকে সুরক্ষিত করতে ক্যাবকে আরও সোচ্চার হতে হবে:ডিসি মমিনুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 4 February, 2021, 10:53 am
জীবন ও জীবিকার সাথে জড়িত সবগুলি অধিকারকে সুরক্ষিত করতে ক্যাবকে আরও সোচ্চার হতে হবে:ডিসি মমিনুর

চট্টগ্রামের নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেছেন মানুষের জীবন ও জীবিকার সাথে জড়িত সবগুলি অধিকারই ভোক্তা অধিকারের আওতাভুক্ত। আর যারা যে কোন পণ্য বা সেবা ভোগ করছেন তারাই ভোক্তা। সেকারনে দেশের ১৭ কোটি মানুষই কোন না কোন ভাবে পন্য বা সেবার ভোক্তা। তাই দেশের ভোক্তাদের জাতীয় প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)কে নিত্যপণ্যে কৃত্রিম সংকট, মূল্যবৃদ্ধি, খাদ্যে ভেজালের বিষয়গুলির পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ইন্টারনেট, টেলিকম, গণপরিবহন, আর্থিক লেনদেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ, কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য নাগরিক অধিকার নিয়ে সোচ্চার হতে হবে।

বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ক্যাব চট্টগ্রামের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরীর সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন। অন্যান্যদের মধ্যে ক্যাব মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, ক্যাব বিভাগীয় সহ-সভাপতি এম নাসিরুল হক, ক্যাব দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান, ক্যাব মহানগরের সহ-সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, ক্যাব চান্দগাও থানার সভাপতি মোহাম্মদ জানে আলম, ক্যাব সদরঘাট থানা সভাপতি শাহীন চৌধুরী, ক্যাব পাঁচলাইশ থানা সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহ্ঙ্গাীর, ক্যাব আকবর শাহ থানা সভাপতি ডাঃ মাসবাহ উদ্দীন তুহিন, ক্যাব খুলসী থানা সভাপতি প্রকৌশলী শেখ হাফিজুর রহমান, ক্যাব হালিশহর থানার সভাপতি এমদাদুল হক সৈকত, ক্যাব বন্দর-পতেঙ্গা’র মোহাম্মদ আলী, আলমগীর বাদসা, ক্যাব জামাল খানের সভাপতি সালাহ উদ্দীন, সাধারন সম্পাদক নবুয়াত আরা সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল চৌধুরী, ক্যাব পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের সভাপতি অধ্যাপক এবিএম হুমায়ুন কবির, ক্যাব পূর্ব ষোলশহরের সভাপতি অধ্যক্ষ মনিরুজ্জমান, ক্যাব রাউজানের মোজাফ্ফর সিকদার, মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবেশবিদ ডঃ ইদ্রিস আলী, জেলা পরিষদ সদস্য রেহেনা চৌধুরী, রাউজান উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাউজিয়া খান, চন্দনাইশ উপজেলা সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আকতার চৌধুরী, ক্যাব নেতা ফয়সল আবদুল্লাহ আদনান, নুর মোহাম্মদ চেয়ারম্যান, হারুন গফুর ভুইয়া, ঝর্ণা বড়ুয়া, সোমাইয়া সালাম, নাসিমা আলম, ফারহানা জসিম, রুবি খান, চীনের পিকিং বিশ^বিদ্যালয়ের পিএইচডি ফেলো ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ নাজমুস সাকিব, থানা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ জাকিয়া আকতারসহ বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের ক্যাব প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকসহ ক্যাব নেতৃবৃন্দ।

নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান আরও বলেন প্রতিটি মানুষ খাটি মুসলিম, হিন্দু ও বৌদ্ধ হতে চান। সেজন্য ধর্মীয় আচার আচরণ ও অনুশাসন পালনেও প্রতিযোগিতায় নামেন। আবার কিছু ব্যক্তি নিত্যপণ্যের কৃিত্রম সংকট, খাদ্যে ভেজালে জড়িত হন। অথচ এই খাদ্য ভেজালের কারনে আগামি প্রজন্ম পুরোটাই মেধাশুণ্য ও অসুস্থ হবে। তাই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট নয়, প্রয়োজন তাদেরকে সামাজিক ভাবে বয়কট ও প্রতিরোধ। করপোরেট সেক্টরে সত্যিকারের সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হওয়ায় ব্যবসায়ীদের এ ধরনের নৈরাজ্য বন্ধ হচ্ছে না। আর সেক্ষেত্রে ভোক্তা সংগঠন হিসাবে ক্যাবকে আরও শক্তিশালী ও সক্ষমতা বাড়ানো গেলে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মাঝে সমন্বয় জোরদার হবে। সরকারি-বেসরকারী সব সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত, গুনগত সেবা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে ভোক্তাদের আরও বেশী শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়ানো দরকার।

ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন ক্যাব প্রতিনিয়তই ভোক্তাদের ভোগান্তি ও সমস্যাগুলি সরকারি সংস্লিষ্ঠ দপ্তর ও প্রশাসনের দৃষ্ঠি আকর্ষন করেন। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাঠ পর্যায়ের সেবা প্রদানে ত্রুটি-বিচ্যুতি, অসংগতি, দুর্বলতা ও অস্বচ্ছতা এবং ভোক্তাদের অধিকার ভোগের প্রতিবন্ধকতাগুলি তুলে ধরি। ত্রুটিগুলি সরকারের যে দপ্তরের বিরুদ্ধে যায় তখনই তাঁরা বিষয়গুলিকে ভূল ব্যাখ্যা করে অধিকার নিশ্চিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ঠি করেন। তিনি আরও বলেন ক্যাব মনে করে জেলা প্রশাসনের সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। জেলায় সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে স্থানীয় সমস্যা সমাধান ও সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে বিষয়টি উপস্থাপনের জন্য সফল নেতৃত্ব প্রদান করে আসছে। চট্টগ্রামে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষিত করতে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের মাঠ পর্যায়ে সেবা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসন সফল সমন্বয় ও নেতৃত্ব প্রদান করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।