খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী মেডিকেলে করোনায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০২১, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
রাজশাহী মেডিকেলে করোনায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে রাজশাহী জেলার আটজন, পাবনার তিনজন, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন করে রয়েছেন। মৃত ১৩ জনের মধ্যে পাঁচজন করোনা পজিটিভ ও একজন নেগেটিভ ছিলেন। বাকি সাত করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সকালে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) নয়জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিলেন রামেক হাসপাতালের পরিচালক। তার আগের দিন বুধবার (১১ আগস্ট) মারা যান ১০ জন।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পাঁচজন করোনা পজিটিভ ছিলেন এবং সাতজন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আর একজন করোনামুক্ত হওয়ার পর মারা যান। পজিটিভ অবস্থায় মারা যাওয়াদের মধ্যে রাজশাহীর দুইজন, পাবনার দুইজন এবং নাটোরের একজন। উপসর্গে মারা যাওয়াদের মধ্যে রাজশাহীর পাঁচজন, পাবনার একজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন।

এছাড়া করোনা নেগেটিভ হওয়ার পর মারা যাওয়া একজনও রাজশাহীর বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে সাতজন পুরুষ ও ছয়জন নারী ছিলেন। একজনের বয়স ২১-৩০ বছরের মধ্যে ছিল। বাকিদের বয়স ৪১-৬৫ বছর বয়সী। মৃতদের পরিবারকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক আরো জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৪০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৪ জন। রামেকে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৭৯ জন এবং সন্দেহভাজন ও উপসর্গ নিয়ে ১৪৬ জন ভর্তি রয়েছেন। এ নিয়ে ৫১৩ বেডের বিপরীতে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা বর্তমানে ৩২৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকের দু’টি পিসিআর ল্যাবে রাজশাহী জেলার ৩৩০টি নমুনা পরীক্ষায় ৮৩ জনের করোনা পজিটিভ আসে। রাজশাহীতে শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ১৫ শতাংশ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৭০ নমুনায় ১৬ জনের পজিটিভ আসে। শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এছাড়া নাটোরের ১৪১ নমুনায় ২০ জনের পজিটিভ আসে। শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১৮ শতাংশ।

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…