খুঁজুন
, ,

করোনা বিরোধী যুদ্ধে চিকিৎসকরা ভ্যানগার্ড সরকার তাদের মূল্যায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 April, 2020, 7:31 pm
করোনা বিরোধী যুদ্ধে চিকিৎসকরা ভ্যানগার্ড সরকার তাদের মূল্যায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ. জ. ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত হয়েছে। যাকে শুধুমাত্র সূদৃঢ় মনোবলে আতংক ও ভয়কে জয় করার মানসিকতায় আমরা অবশ্যই আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হব।

তিনি হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালকে একটি করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবায় পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে উন্নীত করার জন্য প্রাইভেট ক্লিনিক ওনার্স এসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, চসিক, জেলা প্রশাসন এবং সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা সব ধরনের লজিষ্টি সাপোর্ট দেবে।

তিনি আরো বলেন, করোনা বিরোধী যুদ্ধে চিকিৎসকরা ভ্যানগার্ড। তাঁরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সরকার প্রধান শেখ হাসিনা তাদের অবশ্যই মূল্যায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আজ রোববার অপরাহ্নে চসিক কনফারেন্স হলে নগরীর জাকির হোসেন রোডস্থ হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালকে করোনা ভাইরাস হাসপাতালে উন্নীতকরণ কার্যক্রম বিষয়ে সমন্বয় সভায় এসব কথা বলেন।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ২৫ শে এপ্রিল এই হাসপালটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা যাবে।

সমন্বয় সভায় চসিক কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, সালেহ আহমদ চৌধুরী,চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী একে এম ফজলুল্লাহ, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরচালক ব্রি.জেনারেল ডা. এস এম হুমায়ুন কবির, চসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, এডিসি জেনারেল মো. কামাল হোসেন, প্রাইভেট ক্লিনিক ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. লেয়াকত আলী খান, চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা.ফজলে রাব্বি, কর্ণফুলী গ্যাস লি. এর উপ মহাব্যবস্থাপক নুরুল আজাদ, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক অসিম কুমার নাথ, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রককৌশলী মাকসুদ আলম, চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে প্রধান প্রকৌশলী মো. মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, সামশুল আলম, বিএমএ সভাপতি প্রফেসর ডা. মুজিবুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, জেলা স্বাস্থ্য তত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া, এন এস আই উপ পরিচালক এস এম আলমাস হোসাইন, চসিক প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, ডা. মো. ইউসুফ, ডা. এ টি এম রেজাউল করিম, ডা. সুলতান মাহমুদ, হলি হেলথ হাসপাতালের ডা. এম এ কাশেম, ডা. মো. ইউসুফ, চসিক তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদিপ বসাক, প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, ডা. জয় শর্মা প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনকে আহবায়ক এবং প্রাইভেট ক্লিনিক ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. লেয়াকত আলী খানকে সদস্য সচিব ও ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী,ডা.অসিম কুমার নাথ, বিএমএ সভাপতি প্রফেসর ডা. মুজিবুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, ডা. মো. আবুল কাশেম সহ চট্টগ্রামের প্রত্যেক সেবদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সদস্য হিসেবে অন্তভূক্ত করে একটি কমিটি গঠণ করা হয়।

এস আলম গ্রুপ এর পিপিই হস্তান্তর :- এস আলম গ্রুপ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মী ও পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য ২ হাজার পিস পিপিই দিয়েছেন।

আজ রবিবার সকালে চসিক সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম. নাছির উদ্দীনের হাতে এই পিপিই হস্তান্তর করেন।

পিপিই গ্রহণ করে মেয়র বলেন, নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) চিকিৎসায় চিকিৎসকরা হলেন ফ্রন্ট লাইন ফাইটার। তাদের সুরক্ষার জন্য পিপিই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান । যার সংকট বিশ্বজুড়ে। এই সময়ে এস আলম গ্রুপ পিপিই সরবরাহ করে যে আর্তমানবতায় সেবায় এগিয়ে এসেছেন তার জন্য তিনি এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ সহ সংশ্লিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন অতিতেও এই গ্রুপের কর্ণধারের এই ধরনের অনেক সহযোগিতা করে অবদান রেখেছেন। মেয়র ভবিষ্যতেও এই ধরনের মানবিক সাহায্য অব্যাহত রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

মেযর এস আলম গ্রুপের ন্যায় অন্যান্য কর্পোরেট হাউজগুলোকে মানবতার সেবায় এগিয়ে আসার আহবান জানান।

এসময় চসিক কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, সালেহ আহমদ চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদিপ বসাক, ঝুলন কুমার দাশ,্ এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের পক্ষে তাঁর একান্ত সচিব ও ফাষ্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের ভিপি মো.আকিজ উদ্দিন, কর্মকর্তা মিল্টন চৌধুরী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

 

Feb2
Feb2

হাঁটুপানিতে নেমে ত্রাণ বিতরণ করলেন জামায়াত আমির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 12:09 pm
হাঁটুপানিতে নেমে ত্রাণ বিতরণ করলেন জামায়াত আমির

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। সকালে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে নেমে দুর্গত পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন, দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং ত্রাণসামগ্রী ও নগদ আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে তিনি বাঁশখালীর গুনাগরী ইউনিয়নের বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সরেজমিন দেখেন।

দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ প্রত্যক্ষ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। বিপদে-আপদে অসহায় মানুষের পাশে থাকা সবার কর্তব্য। সামর্থ্য অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী বন্যাকবলিত মানুষের পাশে থাকবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহযোগিতায় কাজ অব্যাহত রাখবে।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক মানুষ ঘরবাড়ি, ফসল ও জীবিকার প্রধান অবলম্বন হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে তিনি হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে নেমে একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে যান, তাদের প্রয়োজনের কথা শোনেন এবং প্রত্যেক পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এ সময় তিনি দুর্গত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

ত্রাণ বিতরণ ও এলাকা পরিদর্শনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সাতকানিয়ার উদ্দেশে রওনা হন।

চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 10:25 am
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে৷ বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো মানুষ। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের ফলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘরও ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়া রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই খাবারের জন্য কষ্ট পাচ্ছে মানুষ।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চন্দনাইশের বাসায় আবু নাসের আলিফ বলেন, ‘দিনেদিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।’

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।