খুঁজুন
, ,

জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রীয় চেতনাকে সমুন্নত রাখতে চাই: চসিক প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 December, 2020, 3:07 pm
জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রীয় চেতনাকে সমুন্নত রাখতে চাই: চসিক প্রশাসক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন সংবিধান স্বীকৃত মানুষের ৫টি মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিশ্চিত করা একটি কল্যাণকর রাষ্ট্রের নৈতিক কর্তব্য ও দায়বদ্ধতার পরিচায়ক চেতনা হিসেবে মন্তব্য করে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সীমিত আর্থিক সক্ষমতা ও দেনার বোঝা নিয়েও সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রীয় চেতনাকে সমুন্নত রেখেছে।

তিনি আজ শনিবার সকালে নগরীর বন্দরটিলা সিটি কর্পোরেশন জেনারেল হাসপাতালে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

এই কর্মসূচী আগামী ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এবং কর্মসূচী চলাকালে নগরীর ৯মাস থেকে ১০ বছর বয়সী ৭ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৪ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতির মধ্যেই সারাদেশে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম নগরীতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই করোনাকালে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি বেদনাজনক। অধিকার প্রতিষ্ঠায় কর্মসুচী পালন করা দোষের নয়। সবাইকে মানবিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের বিষয়েটিও ভাবতে হবে। কারণ স্বাভাবিক ভাবেই স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীদের মাধ্যমে এই টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কিন্তু তাদের কর্মবিরতির কারণে বিকল্প ব্যবস্থায় ক্যাম্পেইন কর্মসূচী চলমান থাকবে। কেননা শিশুদের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য রক্ষায় এই টিকা খুবই জরুরী।

তিনি টিকাদান কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মানা, কমপক্ষে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখা এবং প্রত্যেককে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

তিনি বলেন, সাবেক মেয়র এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য সেবাকে প্রসারিত করে প্রশংসনীয় মানদন্ডে উন্নীত করেছিলেন। তিনি অনেক কষ্ট করে ২০০০ সালে বন্দরটিলায় এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে এর মান আগের মত নেই। পর্যাপ্ত জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। চেষ্টা করবো এই সমস্যা সমাধানে।

প্রশাসক আরো বলেন, বন্দরটিলা ও ইপিজেড এলাকায় ৫ লাখ কর্মজীবী মহিলা আছেন। কিন্তু তাদের জন্য অত্যাধুনিক কোন ভালো মানের হাসপাতাল নেই। আমি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এই ব্যপক জনগোষ্ঠির জন্য একটি উন্নতমানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায়।

তিনি বন্দরটিলা ও ইপিজেড এলাকায় পরিচ্ছন্নতাসহ যে সকল সেবাধর্মী কাজ সিটি কর্পোরেশন করে যাচ্ছে তার জন্য একটি সার্ভিস চার্জ প্রদানের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এখানকার কলকারখানা থেকে গৃহকর আদায় হয় না। তাই সার্ভিস চার্জ ছাড়া সেবা প্রদান করা সম্ভব নয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ক্যাম্পেইন কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমন্বয়ক ইমং সু চৌধুরী, ডা. সরওয়ার আলম, ডা. হাসান মুরাদ চৌধুরী, সমাজসেবক মোহাম্মদ আবু তাহের, সুলতান নাসির কন্ট্রক্টর, আকবর হোসেন, মোহাম্মদ হারুন, মোহাম্মদ ইউসুফ মেম্বার, মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন, সেলিম রেজা, শারমিন সুলতানা, মো. ফারুক ও মো. লোকমান হাকিম।

Feb2
Feb2

দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রামে আনন্দ সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 7:38 pm
দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রামে আনন্দ সমাবেশ

বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শের’ মুখপাত্র দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিসের উদ্যোগে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআরইউ’র আহ্বায়ক ও দৈনিক দিনকাল ব্যুরো চীফ হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত।

উক্ত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বিনিময়, আনন্দ সুধী সমাবেশ ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ‌ অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, আব্দুল হালিম শাহ আলম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আর ইউ চৌধুরী শাহিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, শওকত আজম খাজা, সাবেক কমিশনার নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁন, মহানগর যুবদল সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক ইদ্রিস আলী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সাংবাদিক নেতা মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, সাংবাদিক নেতা সালেহ নোমান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ , ডা: এসএম সারোয়ার আলম, আবু সালেহ, ফজলুল হক সুমন, মামুনুর রশিদ শিপন, সাইফুল ইসলাম টুটুল, জসীম উদ্দীন চৌধুরী, তানভীর মল্লিক, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, মহানগর যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক ও লেখক জহিরুল ইসলাম জহির, স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য’ ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগার চট্টগ্রামের সহ- প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন খাঁন, ড্যাব নেতা ডাক্তার এস এম রিয়াসাদ সাহাবুদ্দিন, ডাক্তার ইফতেখার আদনান, ডাক্তার মেহেদী হাসান, ডাক্তার সৈয়দ মোঃ হোসেন ফাহাদ, ডাক্তার মাইমুন রিদোয়ান চৌধুরী, ডাক্তার সামিউল, এস এম শাহরিয়ার জিয়া, ডাক্তার হাসিবুল হাবিব, ডাক্তার সামেদ আহাম্মেদ, সাইফুল ইসলাম ইমন, ডাক্তার সাজিদ রোহান, মোঃ মুশফিকুর রহমান, শাহেদ হাওলাদার, সাবেক কাউন্সিলর জেসমিন খাঁনম, বেগম খালেদা বোরহান, জিন্নাতুন নিছা জিনিয়া, সেলিম উদ্দিন রাসেল, শাহেদুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, বেগম শামসুন নাহার বাবুল, জসীম উদ্দীন সাগর, হাফেজ মোঃ কামাল উদ্দিন, লায়ন সালাউদ্দিন আলী, মিম ইসলাম, সানজিদা ইসলাম, খোরশেদ আলম কে আলম, হামিদুল হক চৌধুরী, মোছাঃ নাসরিন, মইনুদ্দিন খাঁন রাজিব, আসিফ চৌধুরী লিমন, সৌরভ প্রিয় পাল, এ্যাব নেতা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, দিদারুল ইসলাম, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, ইমরান হোসেন, সৈয়দ সাফওয়ান আলী, সাংবাদিক বিপ্লব পার্থ, পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ইমরান এমি, সূফিবাদী ঐক্য ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা নুর মোহাম্মদ রানা, মোরশেদ রনী, কাজী সরোয়ার মঞ্জু, ফরহাদুল ইসলাম, জাহেদ চৌধুরী, এএফ রুমী, এডভোকেট রেজাউল, ইকবাল হায়দার, দীপক চৌধুরী কালু, সাজু দাস, টিটু মহাজন, জাভেদ ওমর, সাংবাদিক নেতা সাইফুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, ইসমাইল ইমন, কামরুল কুতুবী, শফিউল শামু, মেহেদী হাসান রায়হান, জাহেদ হোসেন ইফতি, মোঃ সালাউদ্দিন, নাহিদা নাজু, এস. বি‌‌ সুমী, ইকবাল পিন্টু, রিফাত চৌধুরী লিজা, আলমগীর, মোঃ মামুন, কুতুব উদ্দিন নয়ন, শাহাদাত হোসেন সাজ্জাদ, সত্যজিৎ বড়ুয়ার রুপু, বোরহানুল হক, এস এম তৈয়ব, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম জাহেদ, সালেহ আহাম্মদ খোকন, নজরুল ইসলাম, জুলাই যোদ্ধা রিদওয়ান সিদ্দিকী, কাজী সাকলাইন মোস্তফা, ইলিয়াস আকাশ, মুহাম্মদ সারোয়ার, মীর মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, মোঃ রুবেল, শরিফুল ইসলাম আবীর, মঞ্জরুল আলম, মো: রাকিব, জাহিদুল ইসলাম আরাফাত সহ- পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআর ইউ’র নেতৃবৃন্দ।

 

৪১ বছর পর্দাপন অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, আজ একটি আনন্দ ও গৌরবের দিন। আজ দৈনিক দিনকাল তার গৌরবময় পথচলার ৪১ বছর পূর্ণ করেছে। এই দীর্ঘ পথচলায় পত্রিকাটি বাংলাদেশের সংবাদপত্রের জগতে একটি পরিচিত নাম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ৪১ বছর শুধু একটি সংখ্যা নয়—এটি চার দশকেরও বেশি সময়ের শ্রম, নিষ্ঠা, সাহস, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই এবং পাঠকের ভালোবাসার প্রতিফলন।

একটি সংবাদপত্রের মূল শক্তি হলো সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রতি তার অঙ্গীকার। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের ধরন ও প্রযুক্তি বদলেছে, পাঠকের প্রত্যাশা বদলেছে; কিন্তু মানুষের জানার অধিকার, সত্য জানার আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার প্রয়োজন কখনো বদলায়নি। সেই দায়িত্বকে সামনে রেখে দিনকাল-এর পথচলা আরও সমৃদ্ধ হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আজকের এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠা ও বিকাশের সঙ্গে যুক্ত সকল ব্যক্তি, সাংবাদিক, সম্পাদক, লেখক, কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের। যাঁদের শ্রম ও অবদানে দিনকাল আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে, তাঁদের প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্রুত বিস্তার, ভুয়া তথ্যের প্রবাহ এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের এই যুগে একটি সংবাদপত্রের জন্য বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আগামী দিনের দিনকালকে আরও আধুনিক, অনুসন্ধানী, জনবান্ধব এবং প্রযুক্তিনির্ভর সংবাদমাধ্যম হিসেবে এগিয়ে যেতে হবে।

রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 4:15 pm
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে। গত ৩০ জুনের হিসাবে এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম প্রশ্ন রেখে বলেন, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে বর্তমান খেলাপি ঋণের পরিমাণ কত এবং ব্যাংকভিত্তিক হিসাব কী?

জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ৬টি ব্যাংক (অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বেসিক ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি) এর ৩০ জুন ২০২৬ ভিত্তিক খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে।

তিনি জানান, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৯০২৯ .৬৭ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৮৮.৭৯ কোটি টাকা, বেসিক ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮১৩১.০৯ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫৩৯৬.৬৭ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯২৮১.৭৪ কোটি টাকা এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৫০৪৮.৩৯ কোটি টাকা।

দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 1:46 pm
দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও একটি পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা সভায় এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং তৎসংলগ্ন খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নদ-নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং ঢাকার চারপাশে বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসংক্রান্ত কার্যক্রমের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।

এ পর্যন্ত গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করলে হবে না, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও কাজ করতে হবে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুসসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।