খুঁজুন
, ,

জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রীয় চেতনাকে সমুন্নত রাখতে চাই: চসিক প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 December, 2020, 3:07 pm
জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রীয় চেতনাকে সমুন্নত রাখতে চাই: চসিক প্রশাসক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন সংবিধান স্বীকৃত মানুষের ৫টি মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিশ্চিত করা একটি কল্যাণকর রাষ্ট্রের নৈতিক কর্তব্য ও দায়বদ্ধতার পরিচায়ক চেতনা হিসেবে মন্তব্য করে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সীমিত আর্থিক সক্ষমতা ও দেনার বোঝা নিয়েও সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রীয় চেতনাকে সমুন্নত রেখেছে।

তিনি আজ শনিবার সকালে নগরীর বন্দরটিলা সিটি কর্পোরেশন জেনারেল হাসপাতালে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

এই কর্মসূচী আগামী ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এবং কর্মসূচী চলাকালে নগরীর ৯মাস থেকে ১০ বছর বয়সী ৭ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৪ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতির মধ্যেই সারাদেশে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম নগরীতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই করোনাকালে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি বেদনাজনক। অধিকার প্রতিষ্ঠায় কর্মসুচী পালন করা দোষের নয়। সবাইকে মানবিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের বিষয়েটিও ভাবতে হবে। কারণ স্বাভাবিক ভাবেই স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারীদের মাধ্যমে এই টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কিন্তু তাদের কর্মবিরতির কারণে বিকল্প ব্যবস্থায় ক্যাম্পেইন কর্মসূচী চলমান থাকবে। কেননা শিশুদের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য রক্ষায় এই টিকা খুবই জরুরী।

তিনি টিকাদান কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মানা, কমপক্ষে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখা এবং প্রত্যেককে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

তিনি বলেন, সাবেক মেয়র এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য সেবাকে প্রসারিত করে প্রশংসনীয় মানদন্ডে উন্নীত করেছিলেন। তিনি অনেক কষ্ট করে ২০০০ সালে বন্দরটিলায় এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে এর মান আগের মত নেই। পর্যাপ্ত জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। চেষ্টা করবো এই সমস্যা সমাধানে।

প্রশাসক আরো বলেন, বন্দরটিলা ও ইপিজেড এলাকায় ৫ লাখ কর্মজীবী মহিলা আছেন। কিন্তু তাদের জন্য অত্যাধুনিক কোন ভালো মানের হাসপাতাল নেই। আমি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এই ব্যপক জনগোষ্ঠির জন্য একটি উন্নতমানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায়।

তিনি বন্দরটিলা ও ইপিজেড এলাকায় পরিচ্ছন্নতাসহ যে সকল সেবাধর্মী কাজ সিটি কর্পোরেশন করে যাচ্ছে তার জন্য একটি সার্ভিস চার্জ প্রদানের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এখানকার কলকারখানা থেকে গৃহকর আদায় হয় না। তাই সার্ভিস চার্জ ছাড়া সেবা প্রদান করা সম্ভব নয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ক্যাম্পেইন কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমন্বয়ক ইমং সু চৌধুরী, ডা. সরওয়ার আলম, ডা. হাসান মুরাদ চৌধুরী, সমাজসেবক মোহাম্মদ আবু তাহের, সুলতান নাসির কন্ট্রক্টর, আকবর হোসেন, মোহাম্মদ হারুন, মোহাম্মদ ইউসুফ মেম্বার, মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন, সেলিম রেজা, শারমিন সুলতানা, মো. ফারুক ও মো. লোকমান হাকিম।

Feb2
Feb2

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:37 am
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোনো পলাতক অপরাধীর বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য (সরাসরি কিংবা ধারণকৃত) টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:28 am
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

বেলজিয়ামকে বিদায় করে সেমিফাইনালে স্পেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:18 am
বেলজিয়ামকে বিদায় করে সেমিফাইনালে স্পেন

ম্যাচের শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। সেই সুবাদে এগিয়েও যায় ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে কিছুক্ষণ পরেই সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ চললেও পুরো সময়ে গোল আসে একটি। আর সেই গোল করে স্পেন। তাতেই ২-১ গোল ব্যবধানে জয় নিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কাটল লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।

ম্যাচের শুরুতে পেদ্রির পরিবর্তে আজ শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন ফাভিয়ান রুইজ। কোচের সেই আস্থার প্রতিদান দিতে বেশি সময় নেননি তিনি। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে চমৎকার এক দলীয় আক্রমণ থেকে স্পেনকে লিড এনে দেন এই মিডফিল্ডার।

ডি-বক্সের খুব কাছ থেকে দানি ওলমোর নেওয়া জোরালো শটটি বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করলেও পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি। রিবাউন্ড থেকে ধেয়ে আসা বল লুফে নিতে কোনো ভুল করেননি রুইজ। তার নেওয়া শটটি বেলজিয়ান ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে সরাসরি জড়িয়ে যায় জালে। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে তখন চড়া পরীক্ষার মুখে পড়ে বেলজিয়াম।

তবে গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। স্পেনের এতদিনের অভেদ্য রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে চমৎকার এক পাল্টা-আক্রমণ সাজায় তারা। ম্যাচের ৪১তম মিনিটে নিখুঁত এক ফিনিশিংয়ে স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমনকে পরাস্ত করে বল জালের ঠিকানায় পাঠান চার্লস ডি কেটেলারা।

চলতি বিশ্বকাপে এটিই স্পেনের জালে জড়ানো প্রথম গোল। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত একটি গোলও হজম না করা স্পেনের শক্তিশালী রক্ষণদুর্গ অবশেষে ভাঙতে সফল হলো বেলজিয়াম। ডি কেটেলারার এই গোলের পর ম্যাচে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে গেছে দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে বড় ধরনের ধাক্কা খায় বেলজিয়াম। চোটের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। কোর্তোয়ার পরিবর্তে স্পেনের আক্রমণভাগকে আটকানোর কঠিন দায়িত্ব নিয়ে গোলপোস্টের নিচে বদলি হিসেবে নামেন তরুণ গোলরক্ষক সেনে ল্যামেন্স।

ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে বেলজিয়ামের ডি-বক্সের ভেতর সৃষ্টি হওয়া জটলা থেকে বল পেয়ে যান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। বল পাওয়া মাত্রই কোনো ভুল না করে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শটে বল গোলপোস্টের একদম মাঝখান দিয়ে জালের ঠিকানায় পাঠান তিনি।

এরপর ম্যাচে আর কোনো গোল আসেনি। ফলে ২-১ গোল ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন স্পেন।