খুঁজুন
সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবরার হত্যার পর খুনিরা মেসিদের খেলা দেখতে গিয়েছিল!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৯, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
আবরার হত্যার পর খুনিরা মেসিদের খেলা দেখতে গিয়েছিল!

-খুনি

বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছাত্রলীগ নেতারা হত্যাকাণ্ডের পর খুনিরা টিভিতে মেসিদের বার্সেলোর খেলা দেখতে গিয়েছিল বলে জানা গেছে।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে করা তদন্তে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারতকে গ্যাস, পানি ও সমুদ্রবন্দর দেয়ার বিরোধিতা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে গত রোববার রাতে বুয়েটের শেরবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এ ঘটনায় আবরারের বাবা ১৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের ১১ জনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় কমিটি।

হত্যাকাণ্ডের পর পরই ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এর দায়িত্বে ছিলেন ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আসিফ তালুকদার। তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। তারা নির্দিষ্ট সময়েই প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এই প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ডের সময় হল প্রশাসনের ‘দায়িত্বহীনতা ও নির্লিপ্ত’ ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্য ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, কমিটি করার পর আমরা তৎক্ষণাৎ সেখানে যাই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সাধারণ শিক্ষার্থী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বে যারা আছেন, সবার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করার নির্দেশ দেয়া হলেও তার আগেই কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিই।

তিনি বলেন, ‘সেদিন রাতে যারা এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছেন, তারা এর আগে দুর্গাপূজা দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা মদপান করেছিলেন। সবাই মাতাল ছিলেন। তাদের মধ্যে মানবিকতা বলে কিছুই ছিল না। সেখান থেকে এসে তারা একটি স্ট্যাটাস কেন্দ্র করে আবরারকে তার ১০১১ নম্বর রুম থেকে ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে নিয়ে যায় এবং তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে আবরারের মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটে।’

ছাত্রলীগের সহসভাপতি আরও দাবি করেন, ‘আবরারকে নির্যাতনের সময় ওই কক্ষে তিন থেকে চার শিক্ষার্থী থাকলেও অন্যান্য রুমের কিছু লোক এই নির্যাতনে অংশ নেয়।’

নির্যাতনের একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে আবরার মোবাইলে তার বন্ধু ও সহপাঠীদের সাহায্য চেয়েছিলেন বলেও ছাত্রলীগের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে আরও বলা হয়, ‘কিন্তু কারও সাড়া পাননি আবরার ফাহাদ।’

ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটির নেতা আরও বলেন, ‘তদন্তে আরও পেয়েছি, ওই রাতে বার্সেলোনার খেলা ছিল। পূজা থেকে এসে আবরারকে শারীরিক নির্যাতনের পর তারা বার্সেলোনার খেলা দেখতে চলে গিয়েছিলেন।’

‘আবরার এই ফাঁকে তার এক বন্ধুকে ফোন করে তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তার বন্ধু তাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসেননি। যদি তার বন্ধুরা এগিয়ে আসত, তা হলে হয়তো এমন একটি অপমৃত্যুর মতো ঘটনা নাও ঘটতে পারত’, বলেন ইয়াজ আল রিয়াদ।

এদিকে হলের কক্ষের মধ্যে অন্য ছাত্রদের হাতে নির্যাতিত হয়ে আবরারের মৃত্যুর জন্য প্রশাসনের ‘দায়িত্বহীনতা ও নির্লিপ্ততাকে’ও দায়ী করেছেন ছাত্রলীগ নেতা ইয়াজ আল রিয়াদ।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘হলের মধ্যে রাতভর একটা ছাত্রকে নির্যাতন করা হলেও প্রশাসন কেন বিষয়টি জানতে পারল না? হলের প্রভোস্ট, আবাসিক শিক্ষকরা তা হলে কী দায়িত্ব পালন করলেন?’

এ ঘটনায় প্রশাসন ‘দায়িত্বহীনতার’ পরিচয় দিয়েছেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই বলেও মন্তব্য করেন ছাত্রলীগের সহসভাপতি।

তিনি আরও বলেন, হল কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এর দায়ভার এড়াতে পারে না।’

ফেসবুক বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারও মত প্রকাশে ছাত্রলীগ বাধা দিতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির এ সহসভাপতি।

তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগ কখনও কারও ব্যক্তিগত মতপ্রকাশে হস্তক্ষেপ করার অধিকার রাখে না। এমনটি করার অধিকারও নেই। যার যার মত তিনি প্রকাশ করবেন। এ ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের কারোর মতপ্রকাশের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।’

ছাত্রলীগের কেউ যদি কারও মতপ্রকাশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে অপকর্ম করেন, তা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান ইয়াজ আল রিয়াদ।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগ একটি বৃহত্তর সংগঠন, ছাত্রলীগ কাউকে মারতে বলে না। যেকোনো ভালো কাজ ছাত্রলীগ সমর্থন করে। যদি কেউ ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে কোনো অপরাধ করে তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে।

প্রসঙ্গত ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জের ধরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে তার লাশ সিঁড়িতে ফেলে রাখা হয়।

আরো:: আবরার হত্যার বিচারসহ ৭ দফা দাবি বুয়েট শিক্ষার্থীদের

Feb2

আমরা পুলিশ বাহিনীকে আরও বেশি ‘বুস্ট আপ’ করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ
আমরা পুলিশ বাহিনীকে আরও বেশি ‘বুস্ট আপ’ করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের উৎসাহিত করতে বাহিনীকে আরও বেশি ‘বুস্ট আপ’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনকারী ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে সম্মাননা ও আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী পুলিশ কতটা পরিশ্রম ও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তা তুলে ধরতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

তাদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়া হলে পুলিশ সদস্যরা আরও উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত হবেন এবং ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ আগে হয়েছে কি না, আমি জানি না।

আমরা পুলিশ বাহিনীকে আরও বেশি ‘বুস্ট আপ’ করতে চাই, যাতে তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আরও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনটি আলোচিত ঘটনায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনকারী পুলিশ সদস্যদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পুলিশ সদস্য, দৌলতদিয়ায় নৌ দুর্ঘটনায় যাত্রীদের প্রাণ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা নৌ পুলিশের তিন সদস্য এবং মুন্সীগঞ্জে সংঘটিত সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় চার আসামিকে গ্রেপ্তারে অবদান রাখা তিন পুলিশ সদস্য রয়েছেন।

তিনি বলেন, সব মিলিয়ে আজ ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এতে তাদের মনোবল বৃদ্ধি পাবে এবং অন্যরাও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত হবেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক পুরস্কার ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কয়েকজন সদস্যকে বিশেষ ব্যাজও প্রদান করা হয়েছে।

বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের ওষুধ বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১৪০ দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। দেশীয় উৎপাদকরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলে এই পরিসর আরও বৃদ্ধি পাবে।

মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছর সরকারগুলো কোনো ভেন্টিলেটর, মেশিন, ভ্যাকসিন দিয়ে যায়নি। এমনকি সিরিঞ্জও ছিল না। প্রাইভেট এন্টারপ্রেনারদের সহায়তায় হামের মতো বিপদগুলো মোকাবিলা করেছে সরকার।

‘হামের এন্টিবডি তৈরি হতে ২০ জুন পর্যন্ত সময় লাগবে’, যোগ করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

এছাড়া, ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ অনুদান হিসেবে আজ এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেন্ট্রাল স্টোরে ডেঙ্গুর এক লাখ স্যালাইন আছে, আর ২০ থেকে ২৫ হাজার স্যালাইন বিক্ষিপ্তভাবে রয়েছে বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে। তবে, হঠাৎ আরও স্যালাইনের প্রয়োজন পড়তে পারে।

রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজের জবাব দেওয়ার আরও দুদিন সময় দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ সময় না দিলে তারা আদালতের সুবিধা নিতে পারে। এ জন্য আদ-দ্বীন হাসপাতালকে আরও দুদিন সময় দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) তারা উত্তর দেবে। এরপর সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।

তিনি বলেন, আইনানুগভাবে কী কী ব্যত্যয় ঘটেছে এবং কী ধরনের অপরাধ করেছে, এর ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ কাকে কী পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেবে, সেটি তাদের ব্যাপার। সরকার তার অবস্থানে ঠিক আছে। জনস্বার্থ সংরক্ষণ থেকে এক বিন্দু পিছপা হব না।

এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর মৌসুম সামনে রেখে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার কমাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরপরও যারা আক্রান্ত হবেন, তাদের যথাসময়ে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্যকে পুনর্গঠন করতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে ড. এম এ মুহিত বলেন, প্রধান কর্মপন্থা হচ্ছে, স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে যে কাজ চলছে, সেখানে স্টেকহোল্ডারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।

‘ওষুধ শিল্পকে আরও বিকশিত করতে পলিসি সাপোর্টের চিন্তা করছে সরকার। দেশের মানুষকে সঠিক ওষুধ, সঠিক মূল্য কিংবা বিনামূল্যে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার’, যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।

বেতন বাড়লো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
বেতন বাড়লো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের (সমমর্যাদার সহ) সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) এবং উপমন্ত্রী ও সমমর্যাদার ব্যক্তিদের একান্ত সচিবদের (পিএস) বেতন নির্ধারণ করে দিয়েছে অর্থ বিভাগ। এখন থেকে তাদের মূল বেতন হবে ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা।

আগে তারা জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ নবম গ্রেডে (২২০০০-৫৩০৬০ টাকা) নিয়োগ পেতেন। অর্থাৎ মূল বেতন ছিল ২২ হাজার টাকা। সেই হিসাবে তাদের মূল বেতন এখন বাড়লো।

সম্প্রতি এ বেতন নির্ধারণ করে দিয়ে অর্থ বিভাগ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ৩১ মার্চ এ বিষয়ে মতামত জানতে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

অর্থ বিভাগ চিঠিতে জানিয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি চাকরির বাইর থেকে অস্থায়ীভাবে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) অভিপ্রায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী একান্ত সচিব এবং উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) অভিপ্রায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত একান্ত সচিবদের মূল বেতন শর্তসাপেক্ষে ‌‘জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ এর নবম গ্রেডের অষ্টম ধাপে ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা নির্ধারণে মতামত প্রদান করা হলো।

শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- মূল বেতন নির্ধারিত। কোনো প্রকার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে না। বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য অন্যান্য ভাতাদি পাবেন। কোন প্রকার পেনশন, আনুতোষিক এবং ভবিষ্য তহবিলের সুবিধাদি পাবেন না।

এই মূল বেতন মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) সহকারী একান্ত সচিব ও উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) একান্ত সচিব পদে শুধুমাত্র সরকারি চাকরির বাইর থেকে নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলেও মতামতে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।