খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চসিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভয়ংকর প্রাণঘাতি সংঘর্ষ বন্ধ করুন:সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২০, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
চসিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভয়ংকর প্রাণঘাতি সংঘর্ষ বন্ধ করুন:সুজন

আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীদের মধ্যে ভয়ংকর প্রাণঘাতি সংঘর্ষ বন্ধ করার আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫টায় উত্তর কাট্টলীস্থ তার নিজ বাসভবনে নাগরিক উদ্যোগের এক জরুরী সভায় উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অত্যাসন্ন। এটি একটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ এবং উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে নির্বাচন যতই সন্নিকটে আসছে ততই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীরা ভয়ংকর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রাণঘাতি ঘটনাও ঘটছে। যে সকল প্রার্থীরা এ ধরণের উত্তেজনাকর ঘটনার সাথে যুক্ত হয়ে সন্ত্রাসী তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর নিকট উদাত্ত আহবান জানান তিনি।

এছাড়া যে সকল প্রার্থীরা অতীতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, মাদক, চাঁদাবাজ এবং দখলবাজের সাথে যুক্ত ছিলেন সে সকল প্রার্থীকে আগামী নির্বাচনে প্রত্যাখান করার জন্য নাগরিক সমাজের নিকট বিশেষ আবেদন জানান সুজন।

তিনি বলেন করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি করে জনগনকে অহেতুক ভোগান্তিতে ফেলতে লিপ্ত রয়েছে একটি চক্র। যারা সরকারের অতি আপন হয়ে সরকারকে বিভিন্ন জায়গায় কোনঠাসা করতে ব্যস্ত। যে কোন দুর্যোগ কিংবা চাহিদাকে পুজি করে তারা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চায়। ঠিক তেমনিভাবে হঠাৎ করে চাল, ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি করে জনগনকে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলতে চায় চক্রটি। তাদের বিরুদ্ধে সাধারন জনগন সজাগ আছে বলে হুশিয়ারি উচ্চারন করে সুজন বলেন এক শ্রেণীর মুনাফাখোর অসাধু ব্যবসায়ীরা জনগনের চাহিদা এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে জনগনের বিপুল সংখ্যক টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়ে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত রয়েছে। দিনের পর দিন তাদের সম্পদের পাল্লা ভারী হলেও সাধারণ জনগন কিন্তু ঠিকই ভোগান্তিতে পড়ছে তাদের মনুষ্যত্বহীন আচরণের কারণে। তিনি কতিপয় ব্যবসায়ীদের এহেন অবিবেক সুলভ আচরন পরিহার করার আহবান জানান নচেৎ সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে জনগনের অধিকার আদায়ে বিভিন্ন ব্যবসা কেন্দ্র ঘেরাও করা হবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারন করেন।

তিনি আরো বলেন, গরমের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বিদ্যুতের লোড শেডিং শুরু হয়েছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। জনগনের কাছ থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল আদায় করে জনগনকে কাংখিত সেবা প্রদান না করাটা সাংবিধানিক অধিকার হরণ করার সামিল। প্রধানমন্ত্রী জনগনের নিকট নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা প্রদানের লক্ষ্যে নানামূখী প্রকল্প গ্রহণ করছে। এমনকি বিভিন্ন অনুন্নত এলাকায় সাগরের তলদেশ দিয়েও বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রদান করছে বর্তমান সরকার। কিন্তু এতোসব কর্মকান্ডের পরেও সরকারের উন্নয়নের সুফল জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার যে অভিযাত্রা তাতে বাঁধা হয়ে দাড়াচ্ছে এক শ্রেণীর ষড়যন্ত্রকারী আমলারা। এ ধারা অব্যাহত থাকলে সরকারের উন্নয়নের সুফল থেকে জনগন বঞ্চিত হবে। তাই অতিসত্বর এ সব ষড়যন্ত্রকারী আমলাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সরকারের উর্দ্ধতন মহলের নিকট সবিনয় অনুরোধ জানান সুজন।

এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর এবং মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীদের নিকট আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন করোনাভাইরাসকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে যেন নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালানো হয়। প্রচারণার সময় প্রার্থীর সমর্থকদের মাস্ক ব্যবহার, নিয়মিত জীবানুনাশক সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করন, হেক্সিসল অথবা হ্যান্ড স্যানিরটাইজার সাথে রাখা এবং প্রয়োজন ক্ষেত্রে হ্যান্ড গ্লাভসও পড়ার অনুরোধ জানান তিনি।

এছাড়া বিশাল আকারের জনসমাবেশকে এড়িয়ে ঘরোয়া আকারের সভা সমাবেশ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন সুজন। তাছাড়া নগরবাসীকেও সচেতন থেকে নিয়মিত সরকারী নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানান এবং নিজ উদ্যোগে বাড়ীর আশেপাশে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাজী মোঃ ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, নিজাম উদ্দিন, হাজী মোঃ হোসেন, মোরশেদ আলম, নুরুল কবির, মোঃ শাহজাহান, মোঃ ছালেহ জঙ্গী, শিশির কান্তি বল, শেখ মামুনুর রশীদ, জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ বাবলু, সমীর মহাজন লিটন, জমির উদ্দিন মাসুদ, স্বরূপ দত্ত রাজু, মোঃ ওয়াসিম, মাহফুজ চৌধুরী, মাহাদী হাসান সনন প্রমূখ।

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’