খুঁজুন
রবিবার, ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার করোনা হেল্প ডেস্ক মেডিক্যাল টীম চালু করলেন ফারাজ করিম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২০, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
এবার করোনা হেল্প ডেস্ক মেডিক্যাল টীম চালু করলেন ফারাজ করিম

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:কখনো মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিয়েছেন বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী। কখনোবা ভ্যানে করে পাঠিয়েছেন মাছ ও শাকসবজি। ১০০ জন ডাক্তারের সমন্বয়ে চালু করেছিলেন টেলি-মেডিসিন সেবা। ইতোমধ্যে প্রায় ৬৫ হাজার গরিব ও দুস্থ পরিবারকে দিয়েছেন খাদ্যসামগ্রী।

সর্বশেষ গত রমজান মাস জুড়ে প্রতিদিন ২ হাজার ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহ সাধারণ মানুষকে দিয়েছেন সেহেরীর খাবার। ঈদের পর নিজেদের তৈরী করা মাস্কও দিচ্ছেন পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে।

এরই মধ্যে আরো এক ব্যতিক্রমী হেল্প ডেস্ক মেডিক্যাল টীম নিয়ে হাজির হলেন রাউজানের সাংসদ ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ.বি.এম. ফজলে করিম চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ সন্তান, তরুণ রাজনীতিবিদ ফারাজ করিম চৌধুরী।

আজ রবিবার (৭ জুন) রাতে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে রাউজানবাসীর জন্য করোনা মোকাবেলায় হেল্প ডেস্ক মেডিক্যাল টীম এর কার্যক্রম সম্পর্কে ঘোষণা দেন ফারাজ করিম চৌধুরী।

যেখানে একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিদিন ১০ জন ডাক্তার রাউজানের মানুষকে করোনা সম্পর্কে যাবতীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন। এই মেডিক্যাল টীমের চিকিৎসকরা শুধু পরামর্শ দিবেন তাই নয় তারা একদিন পর ফোন করে রোগীদের চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজখবরও নিবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফারাজ করিম চৌধুরীর এই কার্যক্রমটি সম্পর্কে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হতে থাকেন তিনি।

তার দেওয়া সেই স্ট্যাটাসটি ছিল নিম্নরূপ,

“পূর্বের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আপনাদের জন্য সম্মানিত ডাক্তারদের নিয়ে করোনার হেল্প ডেস্ক মেডিক্যাল টীম চালু করতে যাচ্ছি। ১০ জন সম্মানিত ডাক্তারের সমন্বয়ে গঠিত একটি টীম প্রতিদিন রাত ৮ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত আপনাদেরকে বিরতিহীন বিনামূল্যে সেবা দিয়ে যাবেন। আপনার মনের ভয়ভীতি দূর করার জন্য, আপনার শরীরে করোনাভাইরাস আছে কিনা তা জানার জন্য কিংবা কোন উপসর্গ (জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়া) দেখা দিলে বা আপনার করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন কিনা তা জানার জন্য আমাদের সম্মানিত এই ডাক্তারদের সাথে পরামর্শ করুন। এরমধ্যে কারো যদি করোনার লক্ষণ দেখা দেয় ও পরীক্ষার প্রয়োজন হয় তবে আমরা তাকে পরীক্ষা করানোরও ব্যবস্থা করবো।

তাছাড়া, রাউজানের বাইরের কারো যদি জরুরী চিকিৎসার প্রয়োজন হয় তবে তারা পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করার চেষ্টা করবেন। তারা অনেক কষ্ট করে পড়ালেখা করে ডাক্তারি পাশ করে এই পর্যায়ে এসে বিনামূল্যে মানুষের সেবা করার জন্য এগিয়ে এসেছেন। প্রত্যেকেই ডাক্তার সাহেবদের সাথে সম্মান ও বিনয়ের সাথে কথা বলবেন।

১০ জন ডাক্তারের সমন্বয়ে গঠিত এই মেডিক্যাল টীমের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডাঃ রিয়াজ উদ্দিন বিপ্লব। যারা ফেসবুক ব্যবহার করে না তাদের নিকট আমাদের এই কার্যক্রমটি সম্পর্কে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ রইল। তারা যেন এই চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারে।রাউজানের জনসাধারণ যারা দেশে ও প্রবাসে অবস্থান করছেন তারা এই স্ট্যাটাসটি শেয়ার করে সকলের নিকট পৌঁছে দিন। আমার প্রিয় রাউজানবাসী সবসময় সুস্থ থাকুক, ভালো থাকুক। এই প্রত্যাশা করি।

হেল্প ডেস্ক মেডিক্যাল টীমের ডাক্তারদের নাম্বার –
♦রাউজান (উত্তর)- রাউজান পৌরসভা, হলদিয়া ইউনিয়ন, ডাবুয়া ইউনিয়ন, চিকদাইর ইউনিয়ন, গহিরা ইউনিয়ন, বিনাজুরী ইউনিয়ন, রাউজান ইউনিয়ন ও নোয়াজিষপুর ইউনিয়ন।
*০১৬৭৩৭৯৬০৩৩
*০১৮৮৯১৮৫৮০২
*০১৮৭৪১৫২১৮৯
*০১৮৪৫৬০০০২৩
*০১৩১৯২১১০১৪

♦রাউজান (দক্ষিণ)- কদলপুর ইউনিয়ন, পাহাড়তলি ইউনিয়ন, পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন, পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন, উরকিরচর ইউনিয়ন, নোয়াপাড়া ইউনিয়ন ও বাগোয়ান ইউনিয়ন।
*০১৮৩০৯২৯২৯৪
*০১৬৭৯৪৬৭৬৩৯
*০১৬৩২৭২৩৮৮৩
*০১৫৩৩০৯২৭৩৭
*০১৮৭১৬৯৬৩৫৪

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।