খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইয়ের ১৪ মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২০, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ের ১৪ মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল

আশরাফ উদ্দিন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:সারা দেশে যে ১১৮১ জন মুক্তিযোদ্ধার মুক্তি সনদ বাতিল করা হয়েছে তাদের মধ্যে মিরসরাই উপজেলার ১৪ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মিরসরাই উপজেলা মুুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কার্যালয়।

সনদ বাতিল হওয়া এসব মুক্তিযোদ্ধারা হলেন-১. আমিনুল ইসলাম, পিতা-মুন্সি মিয়া, হাদি ফকিরহাট,২. গিয়াস উদ্দিন, পিতা-মো. আব্দুল গফুর মাস্টার, আবু তোরাব, ৩. ছাবের আহম্মেদ, পিতা-সফিউজ্জামান, আবু তোরাব, ৪. সাইদুল হক, পিতা-মৃত দেলোয়ার হোসেন, আবুরহাট, ৫. রবিউল হক, পিতা-জালাল আহমেদ, কোরাহাট, , ৬. মো. ফয়েজ উল্লাহ, পিতা-মৃত মৌলভী শফি উল্লাহ, আজমপুর, মিরসর ৭ আবুল বাশার, পিতা-জোনাব আলী, আজমপুর, ৮ এ কে এম খায়রুল হুদা, পিতা-সিরাজুল হক, আবুরহাট, ৯ গোলাম রাব্বানী, পিতা-জাকির হোসেন, করেরহাট, ১০, হুমায়ুন কবির, পিতা-এবিএম শফিকুল ইসলাম, তেমোহনী, ১১. মো. ইসহাক চৌধুরী, পিতা-আমিনুর রহমান, মলি আইশ, ১২, ছালেহ্ আহম্মেদ, পিতা-মোহাম্মদ আলী ইউছুফ, পরাগলপুর, মিরসরা ১৩ জোমসেদ আলম, পিতা-আলী আহম্মেদ, বগেন্দুর, ১৪, মো. আবু তাহের, পিতা-মো. ফরিদুল হক, অব্দুর হাট।

তবে এই তালিকার সাথে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন মিরসরাই উপজেলা কমান্ডার মো: কবির হোসেন। তিনি বলেন, এখানে তালিকায় ১৬ জন দেখানো হয়ছে যে খানে দুই জনের নাম দ্বৈত গননা করা হয়েছে। ১৬ জন থেকে দ্বৈত গননা বাদ দিলে ১৪ জনের যাদের নাম এসেছে এদের অনেকেই ভারতে প্রশিক্ষণ নেয়ার তালিকায় তালিকা ভুক্ত। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজন ছিল সন্দেহ জনক মুক্তিযোদ্ধাদের প্রমাণ উপস্থাপন করার জন্য নোটিশ করা। যদি কোন মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযুদ্ধে তাদের সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে না পারে তাহলে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া ও সনদ বাতিল করা। কিন্তু মন্ত্রণালয় কিসের ভিত্তিতে তাদের সনদ বাতিল করেছে আমাদের বোধগম্য নয়। এদের অনেকেই আদালতে রিট করবে তারা তাদের প্রমানাদি আদালতে জমা দিবে তাদের সনদ পুনরায় বহাল থাকবে এটাই সত্য কথা। কিন্তু ভূল পদ্ধতিতে আসল মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে মন্ত্রণালয় ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের আড়াল করে দিচ্ছে। আসল মুক্তি যোদ্ধারা আইনের মাধ্যমে তাদের মুক্তি সনদের গ্রহণ যোগ্যতা আরো পাকাপোক্ত করবে অপরদিকে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধারা পার পেয়ে যাবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…