খুঁজুন
শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এডমিন ডিবি কনস্টেবল অভি

সিএমপি’র অবৈধ ম্যাসেঞ্জার পেইজ

ক্যাটাগরি ছাড়াই নিউজ ভাইরাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
সিএমপি’র অবৈধ ম্যাসেঞ্জার পেইজ

সিএমপি’র অবৈধ ম্যাসেঞ্জার পেইজ

চট্টগ্রাম মেট্রেপলিটন পুলিশ (সিএমপি) নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবৈধ ম্যাসেঞ্জার পেইজ খোলা হয়েছে। কোন পুলিশের লোগো ব্যবহার করেই খোদ পুলিশ সদস্যই স্বপ্রণোদিত এডমিন হয়ে খুলেছেন এই ম্যাসেঞ্জার পেইজ। প্রতিনিয়ত বিদ্যমান থাকা এই পেইজের ব্যবহারকারী পুলিশ সাংবাদিকসহ সকলেই। কিন্তু রহস্য লুকিয়ে রয়েছে এই পেইজে। সিএমপি’র লোগো ব্যবহার করলেও পুলিশ বলছে অবৈধ। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরেই ননষ্টপ চলছে। অবিরত পদ্ধতিতে নিউজ পোস্টিং হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই ম্যাসেঞ্জার পেইজে ।

অভিযোগ উঠেছে, পেইজটি অননুমোদিত হওয়ার পরও কিভাবে বছরের পর বছর চলছে। অপরাধীরাও এ পেইজের সদস্য। ফলে বিভিন্ন নিউজ আপলোড দেওয়ার পর অপরাধীরাও চ্যাট করছে নিউজের পক্ষে বিপক্ষে। শুধু ক্রাইম নিউজই নয় ব্যবসায়িক প্রচারণাও চলছে দেদারসে। যে কোন কিছু মন আসলেই এই পেইজে পোস্ট করা যায়। কোন ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই এডমিনের পক্ষ থেকে। প্রশ্ন উঠেছে, পেইজের এডমিন কেন এই পেইজটি নিজের নামে প্যাটেন্ট রেখে নিউজ আপলোডে খোলা বাজার বসিয়েছেন। আবার গণহারে গণমাধ্যমকে ট্যাগ করার মতো ঘটনাও ঘটছে। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠনের খবরও এই পেইজের মাধ্যমে সদস্য ও ফলোয়ারদের জানানো হচ্ছে।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (পাবলিক রিলেশন) স্পীনা রাণী প্রামাণিক সময়ের কাগজকে বলেন, এই পেইজে সিএমপির লোগো ব্যবহার করা ঠিক হয়নি। কনস্টেবল অভি এই পেইজের এডমিন। তবে কয়েকজন অভিযোগ করেছেন, গভীর রাতেও এই পেইজের নোটিফিকেশন যায় মোবাইলে। ফলে অনেকে বিভ্রান্তিতে পড়ে যান। এ বিষয়ে আমি উর্দ্ধতন কতৃর্পক্ষের সঙ্গে কথা বলবো।
অভিযোগ রয়েছে, সিএমপি কমিশনার দফতরের কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন হলেই কনস্টেবল অভির পক্ষ থেকে ফোনে সাংবাদিকদের জানানো হতো। এখন তা এই পেইজের মাধ্যমে জানা যায়। ফেইসবুকে সিএমপি’র এ অবৈধ ম্যাসেঞ্জার বন্ধ করা নিয়ে কাহারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। কারন এই পেইজের এডমিন মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের কনস্টেবল অভি চৌধুরী। ফলে বিশ^স্থতা বেড়েছে পুলিশের লোক এডমিন হওয়ায়। কিন্তু অবৈধতার বিষয়টি স্বীকার করেছেন জনসংযোগ এডিসি (পিআর)।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ম্যাসেঞ্জারে সিএমপি’র লোগো সম্বলিত পেইজের তথ্য অনুযায়ী, এই পেইজে ২৪৯ জন সদস্য রয়েছে ১৬ জানুয়ারি (সোমবার) দুপুর ১টা পর্যন্ত। শুধু পুলিশ আর সাংবাদিকই নয় পত্রিকা জগতের লোক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষও রয়েছে। নিউজ পোস্টে গিয়ে দেখা গেছে এই পেইজে পুলিশের দৈনন্দিন আনুষ্ঠানিক সংবাদ ছাড়াও বিভিন্ন সাংবাদিকরা তাদের পরিবেশিত নিউজগুলো আপলোড করে দিচ্ছে। শুধু মাত্র পুলিশের নজর কাড়তে। এমনকি পুলিশ যেন নিউজ আমলে নিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় এমন টার্গেট আপলোডকারীদের। তবে পুলিশও নাকি এই পেইজটিকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করছে। আবার গুটিকয়েক সাংবাদিক পুলিশের ওসি এসআইকেও হাইলাইট করে এই পেইজে আপলোড দিচ্ছে। এমনকি খেলার নিউজও রয়েছে এই পেইজে। ক্লাবের টি শার্ট ও ক্যালেন্ডার বিতরণের খবরও আপলোড হওয়ায় বির্তক রয়েছে। ভবন নিমার্ণের নিউজও রয়েছে পেইজটিকে বিতর্কিত করার জন্য। নিউজের মন্তব্য ও প্রতিবাদী মন্তব্যও রয়েছে এই পেইজে। কেউবা বলছে থানার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে হলে এই পেইজে নিউজ ভাইরাল করতে হয়।

২৪ঘণ্টা.জেআর

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।